https://www.prothomalony.com/

11550

foundation

ফাউন্ডেশন 

টক অফ দ্য উইক : প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পঃ আলোচনায় নাসির খান পল, হেলাল উদদীন, কাকন রেজা

প্রকাশ: ১৪ নভেম্বর ২০২৪ ০৪:৫৯

৮ নভেম্বর, শুক্রবার, প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার জনপ্রিয় সাপ্তাহিক সম্প্রচার 'টক অফ দ্য উইক' অনুষ্ঠানে নব নির্বাচিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে নানামুখী আলোচনা ও সমালোচনায় যুক্ত হয়েছিলেন, রাজনীতিবিদ নাসির খান পল, সিনিয়র সাংবাদিক হেলাল উদদীন রানা, সাংবাদিক ও কলামিস্ট কাকন রেজা। 

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে স্বাগত জানানোর মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানটির পরিচালনায় ছিলেন, এইচ বি রিতা। উপস্থাপনায় ছিলেন সোহানা নাজনীন। সাথে আরো ছিলেন ফরিদা ইয়াসমীন। 

রিপাবলিকাল ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৩০৬টি ইলেক্টরাল ভোট পেয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫ তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবার নির্বাচিত হন। 

২০২০ সালের নির্বাচনে তিনি হেরে যান, তবে হেরেও গিয়েও হাল ছাড়েননি। দ্বিতীয় বারের মতো ২৭০ ইলেকটোরাল কলেজের ম্যাজিক ফিগার অতিক্রম করে তিনি ৫ নভেম্বর ২০২৪-এ যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।

কমলা হ‍্যারিসকে হারিয়ে দ্বিতীয় বারের মতো ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়া নিয়ে দেশ বিদেশে জনমনে প্রশ্ন ও উদ্বেগও রয়েছে। এবারের 'টক অক অফ দ‍্য উইক' এর আলোচনার বিষয় ছিল এসব। 

ডোনাল্ড ট্রাম্পের জিতে যাওয়া এবং দুই দুইবার যুক্তরাষ্ট্রে কোনো নারী প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর হেরে যাওয়ার বিষয়ে অনেকেই 

'আমেরিকা কোনো নারীকে প্রেসিডেন্ট হিসাবে দেখতে চান না' বলে ভাবছেন। এটাই কি মূল বিষয় নাকি ডেমোক্রেটের গত চার বছরে বৈদেশিক নীতি, বর্ডার নীতি, অর্থনীতি ব‍্যর্থতার কারণ রিপাবলিকাল ক্ষমতায়-সোহানা নাজনীনের এমন প্রশ্নে হেলাল উদ্দীন রানা বলেন, "কোনো সন্দেহ নেই ডোনাল্ড ট্রাম্প এবারে বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছেন। এই নির্বাচনসহ আমি আমেরিকার মোট ছয়টা নির্বাচনে ভোট দিয়েছি। প্রতিবারই ক্ষমতার চেক এন্ড ব্যালেন্স ব্যাপারটা লক্ষ্য করেছি। ২০২০ সালে প্রেসিডেন্সি জিতেছিল ডেমোক্রেটরা কিন্তু হাউজ জিতেছিল রিপাবলিকান। কিন্তু এবারে সিনেট, হাউজের সংখ্যাগরিষ্ঠতা দুটোই ট্রাম্পের হাতে। সরকারের তিনটি শাখা নির্বাহী, আইন এবং বিচার বিভাগ, সুপ্রীম কোর্ট তিনটাই রিপাবলিকানের দখলে। সেখানে ক্ষমতার ভারসাম্য বলে কিছু থাকল না। ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার আরো সংযত এবং পরিশীলিত আচার আচরণ করবেন বলে আশা করি। তিনি সুচিন্তিত ভাবে নিজেকে এমন জায়গায় প্রতিষ্ঠিত করবেন যেখানে আমেরিকায় তার প্রতিটি পদক্ষেপ প্রশংসনীয় হবে, ট্রাম্পের বিজয়ী বক্তৃতা থেকে এমনটাই বেরিয়ে আসছে। ডেমোক্রেটদের হারার কারণ হিসাবে বলব, তারা নারী স্বাধীনতা চাইলেও নারী নেতৃত্বের জন্য এখনো প্রস্তুত না। কামালা হ্যারিস সময়ের অভাবে প্রাইমারি ইলেকশন করতে পারেন নাই। প্রার্থী হিসাবে তিনি নিজ দলেই কিছুটা অজনপ্রিয় ছিলেন। এবারে প্রায় দেড় কোটি ডেমোক্রেট ভোটার ভোট দেয়নি। সাতটা সুইং স্টেটেই বিপুল ভোট পেয়ে জিতেছেন ডোনান্ড ট্রাম্প। কামালা হ্যারিস ভোটারদের মনবাসনা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে। প্রচারণায় তিনি গর্ভপাতের প্রতি বেশি আলোকপাত করেছিলেন। কিন্তু আমেরিকানরা চেয়েছিল তাদের অর্থনীতি, যুদ্ধ, সীমান্তের উপরে নজর দেয়া হোক। কিন্তু কামালা হ্যারিস এগুলোকে গুরুত্ব দেন নাই।"

একজন রিপাবলিকান সমর্থক হিসাবে ডোনাল্ট ট্রাম্পের দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হওয়ার ‌অনুভূতি এবং ট্রাম্প আমাদের জন‍্য কি কি পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন-এ নিয়ে নাসির খান "ডোনাল্ড ট্রাম্প তিনবার বুলেট খাবার পরেও বলেছে ফাইট ফাইট ফাইট। তার মনোবল অনেক শক্ত। নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্পের শক্তিশালী স্লোগান ছিল "তুমি কি এখন ভালো আছ? নাকি চার বছর আগেই ভালো ছিলে?" আশা করছি সামনের চার বছর উনি দেশটাকে সঠিক নির্দেশনা দেবেন। অনেকেই বলেছন কামালা নারী বলেই হেরে গেছেন কিংবা আমেরিকা নারী নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত না। আমি বলব, সচেতন আমেরিকান ভোটাররা যোগ্যতা দেখে ভোট দিয়েছে, প্রার্থীর লিঙ্গ দেখে নয়। যথাযথ যোগ্যতা থাকলে অবশ্যই কামালা হ্যারিস আমেরিকার প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতেন। বাইডেন সরকারের সময় পনের মিলিয়ন মানুষ বর্ডার দিয়ে প্রবেশ করতে দিয়েছে। আমাদের সাধারণ মানুষের  প্রদানকৃত ট্যাক্সের টাকা দিয়ে তারা হোটেলে ও খাবার দিয়েছে। যাদের এদেশে থাকার অনুমতি নেই তারা আমাদের বিল্ডিং দখল করেছে। আমাদের মেয়েদেরকে উত‍্যক্ত করছে, বাচ্চাদেরকে ড্রাগ দিচ্ছে। উন্মুক্ত বর্ডার, দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধি আর যুদ্ধ এগুলো ডেমোক্রেট বা বাইডেনের পরাজয়ের কারণ। যুদ্ধে সাতটা মুসলিম দেশের হাজার হাজার মুসলিম মারা গিয়েছে, তাই এবারের নির্বাচনে মুসলিমদের ভোট একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।"    

বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষ কেন ডেমোক্রেটকে সাপোর্ট করে এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয় এবং কামলা হ‍্যারিসের হেরে যাওয়ার বিষয়টি বাংলাদের জনগণের উপর কীভাবে প্রভাব ফেলছে- এমন প্রশ্নে বাংলাদেশ থেকে যুক্ত হওয়া সাংবাদিক কাকন রেজা বলেন, "অবিবাসীদের ক্ষেত্রে ডোনাল্ট ট্রাম্প খুব শক্ত অবস্থানে আছেন, অবিবাসীরা আতঙ্কে আছেন। মূলত আমেরিকা অভিবাসীদের রাষ্ট্র, এখানে প্রতিটা মানুষ অভিবাসী। ভূমিপুত্রদের হটিয়ে অভিবাসীরাই আমেরিকা গঠন করেছে । অভিবাসী নিয়ে কথা বলতে গেলে আমেরিকার অস্তিত্বেই আঘাত লাগে।"

'অভিবাসীরা অপরাধী'-এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'একসময় ইংল‍্যান্ড থেকেও অপরাধীদের আমেরিকা পাঠানো হতো। সেক্ষেত্রে এই যুক্তিগুলো একেবারেই খোড়া যুক্তি। তাদের চিত্রের বাইরে দ্রব্যমূল্যের স্ফীতি, বেকারত্ব, জব মার্কেটের ঝামেলা আছে-এগুলো আমেরিকান জীবনে খুব বেশি আঘাত করেছে বলেই হয়তো আজকের তরুণ প্রজন্ম রিপাবলিকানদের দিকে ঝুঁকেছে। আমেরিকায় যে দলই ক্ষমতায় থাকুক না কেন বাংলাদেশ প্রসঙ্গে যদি সম্পর্ক ভালো থাকে সেটাই মূখ্য বিষয়।"

ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর সব যুদ্ধ বন্ধ হয়ে যাবে-এমন ভাবনা প্রসঙ্গে কাকন রেজা বলেন, "আজকের যে যুদ্ধ যেটা আজকের যুদ্ধ না। ভারতের সাথে আমেরিকার খুব ভালো বন্ধুত্ব। বিজেপি ও রিপাবলিকানের একটা ভালো সম্পর্ক আছে। কারণ দুটোই কনজার্বেটিভ দল। যদি যুদ্ধের কথা বলি তবে বলতে হয়, রিপাপলিকালের ভালো বন্ধু বিজেপি সরকার ইজরাইলকে অস্ত্র দিয়ে সাপোর্ট করছে। জিও পলিটিক্সের ধারাটা দেখুন, ইরানের সাথে সবচেয়ে ভালো বন্ধুত্ব ভারতের। আমেরিকার সাথে ইরানের একটা জিও পলিটিক্সের বিভেদ আছে। ইরান অস্ত্র দিচ্ছে হিজবুল্লার হামাসকে। আবার ভারত অস্ত্র দিচ্ছে ইজরাইলকে। জিও পলিটিক্সকে যদি আমরা রিপাবলিকানদের চিন্তা থেকে সরলিকরণ করতে চাই, তবে এত সরল না। ভারত যদি ডলার না দিত, ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার অর্থনীতি আরো খারাপ অবস্থায় যেত। ভারতের ডলার, ইরানের ডলার, এ দুটো ডলারেই রাশিয়াকে টিকিয়ে রেখেছে। ট্রাম্প সব যুদ্ধ থামিয়ে দিবে-এই হিসাবটা খুব সরল হয়ে যায়। হয়তো দলীয় চিন্তা থেকে এটা করতে পারেন তবে আমরা যারা জিও পলিটিক্স নিয়ে কাজ করি, সেদিক থেকে এ চিন্তা খুব সরল হয়ে যায়। সারা বিশ্বে যুদ্ধ বন্ধ হলেও আমেরিকার একক আধিপত্য কিছুটা হলেও খর্ব হবে।"  

২০২১ এর জানুয়ারিতে ক‍্যাপিটাল হামলায় রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ানোর পরও ডোনাল্ড ট্রাম্প কীভাবে জনগণের সমর্থন পেলেন-ফরিদা ইয়াসমীনের এমন প্রশ্নে নাসির খান পল বলেন, "২০২১ এর ঘটনাকে আমি প্রতারণাই বলবো। কারণ ব্ল্যাক লাইফ ম্যাটারসের আন্দোলন ডেমোক্র্যাট পার্টি থেকে সৃষ্টি, তাদের আন্দোলনের ছয়মাস আমেরিকা খুব অস্থির ছিল। পুলিশসহ পাঁচশ মানুষ মেরেছিল, সোনার দোকান লুট হয়েছিল, জনজীবন অতিষ্ঠ ছিল। এত ক্ষতির পরেও আমেরিকার বামপন্থী মিডিয়া ডেমোক্রেটকে সাপোর্ট করেছিল। ৬ই জানুয়ারি মাত্র একজন এক্স আর্মি নারী মারা যায়, এছাড়া আর কোন অপরাধ ঘটেনি যার জন্যে কোন কেস আদালতে টেকেনি। এটা পুরোপুরি প্রোপাগান্ডা ছিল, ট্রাম্পকে দাবানোর জন্যে সাজানো ব্যাপার ছিল।"    

বাংলাদেশের সাথে সম্পর্কের ব্যাপারে ট্রাম্পের জয় অনেক প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে। যদিও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলছেন ট্রাম্প ক্ষমতায় আসাতে বাংলাদেশের সম্পর্কের সাথে হেরফের হবে না। এই বিষয়ে মতামত জানিয়ে হেলাল উদদীন রানা বলেন, "আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতি রাতারাতি বদলানোর নয়, তাই বাংলাদেশের প্রতি আমেরিকার বিশ্ব নীতি বদলানো একটা দুরাশা মাত্র। প্রতিটি রাষ্ট্রের ফরেন ডেস্কে অনেক মানুষ নিষ্ঠার সাথে কাজ করে, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ায়। ২০১৬ সালের নির্বাচিত ডোনাল্ড ট্রাম্প আর এবারের নির্বাচিত ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে আমি দিন-রাত্রির মতো পার্থক্য দেখছি। এবারে তার কথাবার্তা খুবই পরিশীলিত, তিনি আব্রাহাম লিঙ্কনকে অনুকরণ করেন, সেই পথেই হাঁটবেন। তিনি আমেরিকার একজন মহান প্রেসিডেন্ট হিসাবে বিদায় নিতে চান। অভিবাসন এবং বর্ডার নিয়ে এবারের নির্বাচনে আলোকপাত করার কথা ছিল। কিন্তু বিষয়গুলোতে হ্যারিস যত্নশীল ছিল না। যুদ্ধ, বর্ডার, অর্থনৈতিক মন্দা ব্যাপারগুলোতে তিনি নিজর দেন নাই। তিনি শুধু গর্ভপাতের ব্যাপারে কথা বলেছেন।"   

এদিকে আওয়ামী লীগের লোকজন মনে করছে ট্রাম্প ক্ষমতায় আসাতে তাদেরও বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসতে সুবিধা হবে, এ ব্যাপারে আপনাদের মতামত জানতে চাইলে কাকন রেজা বলেন, "পতিত সরকারের আবারো ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন আছে। আমরা ধরেই নেই যে অন্য দেশের দল পরিবর্তনের জন্যে আমাদের সাথে বৈদেশিক নীতির পরিবর্তন হবে। পতিত কিংবা ক্ষমতাচ্যুত দল যে কোন অবলম্বন ধরে ফিরে আসার আশায় থাকে। কিন্তু এগুলো সহজ ব্যাপার না, আমেরিকান ফরেন পলিসি পরিবর্তন না হলে আমাদের ফ্যাসিস্ট রেজিমকে আরো সমস্যায় পড়তে হবে।" 

নির্বাচনের আগে ট্রাম্প বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে টুইট করে বলেছেন, "বাংলাদেশে হিন্দু, খ্রিস্টান ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর বর্বর সহিংসতা চালানো হচ্ছে। অথচ, এসব সংখ‍্যালঘু নির্যাতনের বিষয়টি ফেইক বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা। ট্রাম্পের এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্য দেশের বিশ্লেষক। 

ট্রাম্পের এই টুইট বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পক্ষে না বিপক্ষে এই মর্মে কাকন রেজা বলেন, "ভোটের রাজনীতির ব্যাপারে এটা ট্রাম্পের কৌশল হতে পারে। জুলাইয়ের আন্দোলনের সচিত্র দৃশ্যাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে রাজনৈতিক ভাবে পুনর্বাসিত হওয়া আওয়ামীলীগের জন্য প্রায় অসম্ভব। সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা সৃষ্টির মাধ্যমে হয়তো ফেরত আসা সম্ভব হতে পারে। আমাদের দেশের সংখ্যালঘুরা অত্যন্ত ভদ্র মানুষ, বাইরে থেকে তাদেরকে উত্তেজিত করা হয়েছে বলে আমার ধারণা।" 

এ প্রসঙ্গে হেলাল উদদীন রানা বলেন, "আমার দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশ হচ্ছে পৃথিবীর একমাত্র সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। ভারতেও কিন্তু এতো সম্প্রীতি নেই। এই টুইটের জন্যে কোন সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা হবে তা আমি বিশ্বাস করি না। এটা সাজানো রাজনৈতিক চাল ছিল। হয়তো ট্রাম্পকে এটা বোঝানো হয়েছে, না হলে ট্রাম্প-বাইডেন কেউ বাংলাদেশ নিয়ে মাথা ঘামান না। একটা দেশের ফরেন পলিসি রাতারাতি পরিবর্তন সম্ভব না।"

জিও পলিটিক্স, রাজনৈতিক আরো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নাসির খান পল ও কাকন রেজার মাঝে মতবিনিময় হয়। 

তুমুল আলোচনার মাধ্যমে সেদিনের অনুষ্ঠানটি শেষ হয়। প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার "টক অফ দ্য উইক" অনুষ্ঠানটি প্রতি বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক সময় রাত নয়টায় ফেসবুক লাইভে সম্প্রচারিত হয়ে থাকে।  

ফাউন্ডেশন  থেকে আরো পড়ুন