https://www.prothomalony.com/
11302
foundation
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৬০তম চতুর্বার্ষিক আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী নভেম্বর ৫ বুধবার অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে ভোটাররা চার বছর মেয়াদের জন্য রাষ্ট্রপতি ও ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করবেন। নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল আসলে কী হবে? মার্কিন নাগরিকরা কি প্রথমবারের মতো একজন নারী প্রেসিডেন্ট বেছে নিবেন, নাকি ডেমোক্রেটিক প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্র ক্ষমতায় বসাবেন?
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বাকি আর মাত্র ক’দিন। লড়াই এখন তুঙ্গে। কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ইতোমধ্যে আগাম ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেছে। ৫০টি অঙ্গরাজ্যের প্রতিটিতে নিজস্ব ভোটিং পদ্ধতি রয়েছে। পোস্টের মাধ্যমে ভোট বা সশরীরে গিয়ে আগাম ভোট, নির্বাচনের দিন ভোটে তিনটি পদ্ধতিতেই ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে অনেক পরিবার আছে যারা আগাম ভোট দেওয়াকে পারিবারিক ঐতিহ্য বলে বিবেচনা করেন।
নভেম্বর নির্বাচনে দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কমলা ও ট্রাম্পের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী এবং প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হওয়ার লক্ষ্যে রিপাবলিকান প্রার্থী ও সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে লড়ছেন তিনি।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিশ্বের একজন গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী ব্যক্তি। যুদ্ধ, মহামারি বা জলবায়ু পরিবর্তনের মতো কোনো আন্তর্জাতিক সংকটের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট কী ভূমিকা রাখছেন, তার প্রভাব অপরিসীম। এ কারণেই প্রতি চার বছর পর পর যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ঘনিয়ে আসে, তখন এর ফল কী হবে, তা নিয়ে সারা পৃথিবীতেই তৈরি হয় এক ব্যাপক আগ্রহ।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে চলতি বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের লড়াইয়ে সামিল হয়েছেন কমলা হ্যারিস। তার প্রচার উদারপন্থী ভোটারদের পুনরুজ্জীবিত করেছে। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কমলা হ্যারিসের প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৬৭.১ কোটি ডলার অনুদান, যা তার রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংগ্রহের প্রায় তিনগুণ।
প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় তার নির্বাচনি প্রচার অনেকটাই পরে শুরু করেছেন কমলা হ্যারিস।
তবে প্রচারে নেমে প্রথম সমাবেশেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘আক্রমণাত্মক’ ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল কমালা হ্যারিসকে। নভেম্বরের নির্বাচনকে তিনি ‘প্রাক্তন প্রসিকিউটর এবং দোষী সাব্যস্ত অপরাধীর মধ্যে একজনকে বেছে নেওয়ার’ লড়াই হিসাবে বর্ণনা করেছেন। অন্যদিকে ভোটারদের কাছে নিজেকে নতুন ভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করতে দেখা গিয়েছে কমলা হ্যারিসকে। চার বছর পর, চলতি বছরের নির্বাচনি দৌড়ে কমলা হ্যারিস নিজেকে একজন আইনের শাসক হিসাবে তুলে ধরতে চাইছেন যিনি দোষী সাব্যস্ত হওয়া ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেবেন। তবে একইসঙ্গে প্রগতিশীল নীতি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছেন যা তার পরিবারের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারকে তুলে ধরবে। আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়েও কমলা তার অবস্থান নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন। ইসরায়েল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইসরায়েলের নেতৃত্বের সঙ্গে আমরা কূটনৈতিকভাবে যে কাজ করছি তা আমাদের নীতি স্পষ্ট করার জন্য একটা চলমান প্রচেষ্টা। আর ইউক্রেন-রাশিয়া ইস্যু নিয়ে তিনি জানিয়েছেন ইউক্রেন আলোচনার টেবিলে না বসলে তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বসবেন না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদের জন্য প্রার্থী হিসাবে দৌড়ে শামিল হওয়ার আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ বিলিয়নিয়ার। নিউ ইয়র্কের এই রিয়েল এস্টেট টাইকুনের বর্ণাঢ্য জীবন কয়েক দশক ধরেই বিভিন্ন ট্যাবলয়েডের পাতায় এবং টেলিভিশনের পর্দায় ফুটে উঠেছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিচিতি এবং ‘অপরিশোধিত’ নির্বাচনি প্রচারশৈলী তাকে অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদদের ভোটে হারিয়ে দিতে সাহায্য করেছিল। তবে প্রেসিডেন্ট হিসাবে তার কার্যকালে বিতর্কও কম হয়নি। মাত্র একদফাই ক্ষমতায় ছিলেন তিনি। ৭৮ বছরের এই রিপাবলিকান আবারও সমস্ত ‘প্রতিকূলতা’ উপেক্ষা করে ‘অত্যাশ্চর্য’ রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন ঘটাতে চাইছেন যা তাকে ওভাল অফিসের প্রেসিডেন্টের ডেস্কে ফিরিয়েও নিয়ে যেতে পারে। ৫ নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হতে পারে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য শেষ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। স্থানীয় সময় রোববার তিনি বলেন, নভেম্বরের নির্বাচনে পরাজিত হলে ২০২৮ সালের ভোটে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আশা করেন না তিনি। মূলত ৭৮ বছর বয়সী ডোনাল্ড ট্রাম্প এইবারসহ টানা তিনটি জাতীয় নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি থেকে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হয়েছেন এবং গত আট বছরে দলটিকে ব্যাপকভাবে নতুন আকার দিয়েছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ কি সত্যিই যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রকে বিপদের মধ্যে ফেলবে? প্রভাবশালী বিশ্লেষকেরা মনে করেন, ট্রাম্প এতই ‘দুর্বল’, জনপ্রিয় হওয়ার জন্য এতটাই মরিয়া ও এতটাই ‘আনস্মার্ট’ যে তাঁর পক্ষে একনায়ক হওয়া সম্ভব নয়। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এমন উদাহরণ খুব একটা নেই। ট্রাম্পের ব্যক্তিগত সীমাবদ্ধতা আছে। তবে তিনি এখন যথেষ্ট প্রতিভা ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আগেরবারের শাসন, এবারের আন্দোলন আর ভারত ও হাঙ্গেরির মতো দেশের ডানপন্থী আন্দোলন থেকে নেওয়া অভিজ্ঞতা মিলিয়ে আরেকটি ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতা ধরে রাখতে অনেক বেশি দক্ষতার পরিচয় দেবে, সন্দেহ নেই।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বেশ কিছু অঙ্গরাজ্য রয়েছে যেখানে অধিকাংশ সময়ে একই দল জয়লাভ করে থাকে, তবে এমন অনেক অঙ্গরাজ্যও রয়েছে, যেখানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মাধ্যমে দুই প্রার্থীর যে কেউ বিজয়ী হতে পারে। মূলত ওইসব রাজ্যের ফলাফলই পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্ধারণের ক্ষেত্রে পার্থক্য গড়ে দিয়ে থাকে।
জরিপের ফলাফল বলছে, উইসকনসিন, মিশিগান ও পেনসিলভানিয়ার মতো অঙ্গরাজ্যগুলোতে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন ৫৯ বছর বয়সী মিজ হ্যারিস।
আর হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে নেভাদা, জর্জিয়া, নর্থ ক্যারোলাইনা এবং অ্যারিজোনায়। এসব অঙ্গরাজ্যে দুইপ্রার্থীর জনসমর্থন প্রায় সমানে সমান বলে জানা যাচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দু’সপ্তাহ আগে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। সর্বশেষ জনমত সমীক্ষা জানাচ্ছে, জনপ্রিয়তার বিচারে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে তার ডেমোক্র্যাট প্রতিদ্বন্দ্বী কমলা হ্যারিসের ব্যবধান মাত্র এক শতাংশের।
ভোট সমীক্ষা সংস্থা ইমারসন কলেজের জনমত রিপোর্ট অনুযায়ী আমেরিকার ৪৯ শতাংশ ভোটদাতার প্রেসিডেন্ট পদে পছন্দ বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা। অন্য দিকে, ট্রাম্পের প্রতি ৪৮ শতাংশ ভোটার সমর্থন জানিয়েছেন। অন্য দিকে, এবিসি নিউজের জনমত সমীক্ষায় কমলা ৪৮ শতাংশ এবং ট্রাম্প ৪৬ শতাংশ ভোটদাতার সমর্থন পেয়েছেন।
জয় নিশ্চিতে তাই একের পর এক ব্যাটল স্টেটে নির্বাচনি সমাবেশ করছেন ডেমোক্র্যাট পার্থী কমলা হ্যারিস এবং তার রিপাবলিকান প্রতিপক্ষ ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এরই মধ্যে আগাম ভোট চলছে গুরুত্বপূর্ণ সুইং স্টেট অ্যারিজোনা, নর্থ ক্যারোলাইনা, জর্জিয়া, নেভাডা ও মিশিগানে। নর্থ ক্যারোলাইনা ও জর্জিয়ায় রেকর্ড সংখ্যক ভোট পড়েছে বলে তথ্য মিলেছে। অতীত অভিজ্ঞতা অনুযায়ী আগাম ভোটের শুরুতে রেকর্ড সংখ্যক উপস্থিতি ডেমোক্র্যাটদের জন্য সুখবর বয়ে আনে। যদিও দুই দলই জয়ের প্রত্যাশা করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি ও অভিবাসন নিয়ে ভোটাররা অখুশি। এসব বিষয়ে ট্রাম্পের অবস্থানের পক্ষে ভোটাররা। জরিপে দেখা গেছে, নিবন্ধিত ৭০ শতাংশ ভোটার জীবনযাপনের ব্যয় ভুল পথে যাচ্ছে বলে মনে করেন। অর্থনীতি ভুল পথে যাচ্ছে মনে করেন ৬০ শতাংশ ভোটার। অভিবাসন নীতি নিয়ে এই অবস্থান ৬৫ শতাংশের।
ভোটাররা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এখন প্রধান তিনটি সমস্যা অর্থনীতি, অভিবাসন ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। এসব বিষয়ে কোন প্রার্থীর অবস্থান ভালো, এমন প্রশ্নে ট্রাম্পের পক্ষে সমর্থন বেশি পড়েছে। জরিপে উঠে এসেছে, অর্থনীতি নিয়ে ট্রাম্পের পক্ষে ৪৬ শতাংশ ও কমলার পক্ষে ৩৮ শতাংশের সমর্থন রয়েছে। এদিকে অভিবাসনের ক্ষেত্রে ট্রাম্প ও কমলার পক্ষে সমর্থনের এ হার ৪৮ ও ৩৫ শতাংশ।
তবে রাজনৈতিক চরমপন্থা ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকি মোকাবিলার ক্ষেত্রে ট্রাম্পের চেয়ে হ্যারিসের ওপর ভরসা বেশি রাখছেন মার্কিন ভোটাররা।
২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রে নতুন যে প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব শুরু করবেন, তাকে নিশ্চিত করেই বর্তমান সময়ের অক্ষশক্তি—চীন, রাশিয়া, ইরান ও উত্তর কোরিয়াকে মোকাবিলা করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রে আগামী ৫ নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। দোদুল্যমান সাতটি অঙ্গরাজ্যের প্রতিটি ভোটকেই মূল্যবান মনে করা হচ্ছে। তাই প্রতিটি ভোটের জন্যই ছুটছেন প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থী কমলা হ্যারিস ও ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার লাতিন ভোটারদের কাছে টানতে তাদের মধ্যে প্রচারণা চালাচ্ছেন রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ট্রাম্প। অন্যদিকে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা সাক্ষাৎকার দিতে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন।
এর মধ্যেই গত রোববার ৬০ বছর বয়সে পদার্পণ করেছেন কমলা। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ডোনাল্ড ট্রাম্পের বয়স ৭৮ বছর। কমলার পক্ষ থেকে ট্রাম্পের বয়স ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আক্রমণ করা হচ্ছে। মঙ্গলবার তিনি এনবিসি নিউজকে সাক্ষাৎকার দেন। এ ছাড়া নির্বাচনে তার পক্ষে কথা বলতে মাঠে নেমেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তিনি কমলার হয়ে উইসকনসিন ও মিশিগানে প্রচার চালাবেন। এদিকে ট্রাম্পের পক্ষ থেকে অভিবাসনবিরোধী আক্রমণ জোরদার করা হয়েছে। তিনি ফ্লোরিডায় লাতিন ভোটারদের সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। এরপর তিনি নর্থ ক্যারোলাইনায় প্রচার চালাবেন। ট্রাম্পের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির বিষয়টিকে প্রচারে জোর দেওয়া হচ্ছে। তবে বিভিন্ন প্রচারে ট্রাম্প নির্দিষ্ট বিষয়বস্তুর বাইরেও নানা মন্তব্য করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে বিশ্ববাসীর উৎকণ্ঠা যেন ততই বেড়ে যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র গোটা বিশ্বের কাছে প্রকৃত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্ররূপে স্বীকৃত। গণতন্ত্রের পুরোধা, ঐতিহ্যের প্রতীক, গর্বিত মুরব্বি আর উপদেশদাতা যুক্তরাষ্ট্র। সেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট দেশটির নাগরিকদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন না। তিনি নির্বাচিত হন ইলেকটোরদের ভোটে। সাধারণ নাগরিকরা ইলেকটোরদের নির্বাচন করে।
সমৃদ্ধি ও প্রাচুর্যের বিচারে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান সর্বশীর্ষে।
আজকের এ আমেরিকার উন্নয়নে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল অভিবাসীরই বিন্দু বিন্দু শ্রম, ঘাম ও যথেষ্ট ত্যাগ-তিতিক্ষা রয়েছে- এ কথা অনস্বীকার্য। আগামীতে যিনিই প্রেসিডেন্ট হবেন তার গতিশীল নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে প্রবাসীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, স্থিতিশীলতা ও নিরবচ্ছিন্ন শান্তি প্রত্যাশা।
নির্বাচনের ফল যাই হোক না কেন, ৫ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্র ইতিহাস গড়বে। যুক্তরাষ্ট্রে হয় প্রথমবার কোনো নারী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন অথবা কোনো ফৌজদারি মামলার অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রথমবারের মতো প্রেসিডেন্ট হবেন।
ফাউন্ডেশন থেকে আরো পড়ুন