https://www.prothomalony.com/

9705

new-york

নিউইয়র্ক

'যত বই তত প্রাণ' স্লোগানে শুরু হচ্ছে নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বইমেলা

প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৪ ১৯:১৬

নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা শুরু হচ্ছে ব্যাপক আয়োজন এবং অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে।বাংলাদেশ ও ভারত থেকে গুরুত্বপূর্ণ লেখক, বুদ্ধিজীবী, শিল্পীরা এ বইমেলায় যোগ দিচ্ছেন। ২৪ মে শুক্রবার বইমেলা শুরু হবে। চলবে ২৭ মে সোমবার পর্যন্ত। জামাইকা পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে এ বইমেলায় পূর্ব পশ্চিমের বিভিন্ন দেশ থেকে লোকজন আসছেন। এ বইমেলা উপলক্ষে ১০ হাজার নতুন বই আসবে বলে জানানো হয়েছে।

মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৩৩তম বইমেলা উপলক্ষে আমেরিকা, কানাডাসহ ইউরোপ থেকে সাহিত্য সংস্কৃতির লোকজনের সমাবেশ শুরু হয়ে গেছে।

বইমেলা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে, নিউইয়র্ক বইমেলার পরিসরের ব্যপ্তি ঘটেছে। মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের এ বইমেলায় এখন নতুন কিছু সংগঠন যুক্ত হয়েছে। বিপুল সংখ্যক প্রকাশকরা যোগ দিচ্ছেন এবং উত্তর এ বইমেলা উপলক্ষেই নতুন বাংলা বই প্রকাশিত হচ্ছে। ১৪ মে মঙ্গলবার জ্যাকসন হাইটসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আয়োজক সংগঠক এবং জনসমাজের উল্লেখযোগ্য প্রতিনিধিরা। বইমেলার আহ্বায়ক লেখক ও সাংবাদিক হাসান ফেরদৌসের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় জানানো হয় জ্যামাইকা পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে আয়োজিত এবারের বইমেলা উদ্বোধন করবেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহাম্মদ নুরুল হুদা।



বাংলাদেশ, ভারত ও উত্তর আমেরিকার স্বনামধন্য ৪০টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে এবারের মেলায়। এছাড়া বিভিন্ন দেশ থেকে অসংখ্য পাঠক, লেখক ও শিল্পীর উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠবে বইমেলা। এবারের বইমেলায় ভারতের পদ্মশ্রী পুরস্কার বিজয়ী সঙ্গীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যাসহ অনেকে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন। মেলায় বইয়ের প্রদর্শনী ছাড়াও রয়েছে আলোচনা, সেমিনার, বই পরিচিতি, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, তরুণদের অংশগ্রহণে বিশেষ পর্ব, বিতর্কসহ নানা আয়োজন। চলছে গানের মহড়া।

সাংবাদিকদের নানান প্রশ্নের উত্তরে বক্তব্য রাখেন আয়োজক প্রতিষ্ঠান মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন ড. নুরুন নবী, ও কো-চেয়ারপার্সন নিনি ওয়াহিদ, গোলাম ফারুক ভুইয়া, বিশ্বজিত সাহা, প্রকাশক রেদোয়ানুর রহমান জুয়েল প্রমুখ।

আয়োজকরা জানিয়েছেন এবারই প্রথম বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর যুক্ত হয়েছে নিউইয়র্ক বইমেলায়। থাকছে মুক্তিযুদ্ধের উপর বিশেষ কয়েকটি পর্ব  অংশগ্রহণকারী প্রকাশকদের মধ্য থেকে সেরা প্রকাশককে পুরস্কৃত করা হবে। দেয়া হবে সাহিত্যে অবদানের জন্য পুরস্কার ও সম্মাননা। বইমেলার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে ছড়িয়ে পড়বে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি।  
 

নিউইয়র্ক থেকে আরো পড়ুন