https://www.prothomalony.com/

18470

north-america

উত্তর আমেরিকা

ফিরছে ডিভি লটারি, বাংলাদেশিরা কী পারবেন আবেদন করতে?

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬ ০৬:৪৩

যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৭ সালের ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) লটারির নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করতে পররাষ্ট্র দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির একটি ফেডারেল আদালত। আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে নিবন্ধনের সময়সূচি ঘোষণা এবং ১ নভেম্বরের মধ্যে আবেদন গ্রহণ শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত ১৪ অক্টোবর ক্যালিফোর্নিয়ার ফেডারেল আদালতের বিচারক জিনসুক ওহতা এ আদেশ দেন। নির্ধারিত সময়ে নিবন্ধন শুরু না হওয়ায় দায়ের করা একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ নির্দেশ দেন।

রেড ঈগল ল নামের একটি আইন প্রতিষ্ঠান মামলাটি করে। প্রতিষ্ঠানটির অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ে আবেদন গ্রহণ শুরু না করে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর কার্যত কর্মসূচিটি আটকে রেখেছে। অন্যদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হয়, নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর আবেদন গ্রহণ শুরু করলে কর্মসূচির নিয়মের সঙ্গে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, নিবন্ধন কার্যক্রম ৩০ দিন চালু থাকতে পারে। তবে আবেদন শুরুর চূড়ান্ত তারিখ, যোগ্যতার শর্ত এবং আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পর্কে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো গুরুত্বপূর্ণ।

ডিভি লটারি সাধারণভাবে গ্রিন কার্ড লটারি নামে পরিচিত। এ কর্মসূচির আওতায় প্রতিবছর যোগ্য দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য সর্বোচ্চ ৫৫ হাজার অভিবাসী ভিসা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। লটারিতে নির্বাচিত ব্যক্তিরা নির্ধারিত যোগ্যতা ও অন্যান্য শর্ত পূরণ সাপেক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পেতে পারেন।

সাধারণত আবেদনকারীদের উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হয়। বিকল্প হিসেবে নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী পেশায় কাজের অভিজ্ঞতাও গ্রহণযোগ্য হতে পারে। এ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার জন্য সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নিয়োগকর্তার চাকরির প্রস্তাব প্রয়োজন হয় না।

তবে লটারিতে নির্বাচিত হওয়া মানেই গ্রিন কার্ড নিশ্চিত হওয়া নয়। নির্বাচিত আবেদনকারীদের শিক্ষাগত বা পেশাগত যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং অভিবাসন ও নিরাপত্তা যাচাইয়ের শর্ত পূরণ করতে হয়।

তবে এ কর্মসূচিতে বাংলাদেশিরা অংশ নিতে পারবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। জানা গেছে, ২০১২ সাল থেকেই ডিভি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের যোগ্যতা হারিয়েছে বাংলাদেশ। ফলে নতুন এই লটারি নিয়ে জনমনে কৌতূহল তৈরি হলেও, বাংলাদেশিদের আবেদনের সুযোগ মিলবে কি না—তা পুরোপুরি নির্ভর করছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের আনুষ্ঠানিক বার্তার ওপর।

 

উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন