https://www.prothomalony.com/

7139

literature

সাহিত্য

উত্তরের সাহিত্য

প্রকাশ: ০৫ নভেম্বর ২০২৩ ০৯:০৬

ব্লাইন্ডফোল্ড 
ফারহানা হক

সন্ধ্যাগুলো দ্বিধাবিভক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে 
লেকের ধারে, মিহিন কুয়াশার কার্ণিশে
ইয়েলো ক্যাফের সাদা কফির কাপ ছোপ ছোপ 
অধর ওষ্ঠের বার্নিশে। 

কি এক বিভ্রম মগজের কোলাজে! 
বিভ্রান্ত আমি; গিয়েছি কি সেখানে?
নাকি এ কানামাছি খেলা স্মৃতির  অবাধ্য
বেলির রিপল্ তীব্র ভাসে চৈত্রের  জাক্সটাপোজে 
আমাদের পদচিহ্ন ক্রমশ যায় খসে। 

পথই কি মানুষকে দ্বিখণ্ডিত করে, 
যুক্তি বিযুক্তির সীমারেখায় 
নাকি নিয়তিই মানুষকে ব্লাইন্ডফোল্ডের ছকে হাঁটায়?

তবে এতটা পথ একসাথে হেঁটেও মানুষ কেন 
পৌঁছে যায় ভিন্ন ঠিকানায়?

 

 

শরৎ বিকেলের গান
মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ হেলালী 


বসন্তে দগ্ধ; কবিতার হৃদয় পোষে অশ্রুতপ্রেম।
শরতের আহ্বানে জেগে উঠে ঘুন্ত স্বপ্ন 
রূপভেজা বিকেল ছোঁয় সমুদ্রের ঝরো ঝরো তান
পাহাড়ের পরম আদরে—
কাশফুল ঢেউ হেলেদুলে সন্তরণে 
উড়ান পাখির ঠোঁটে ফোটে জল নদীর গান 

সবুজের ক্যানভাসে আনন্দে ডেকে ওঠে রূপের নদী
প্রসবিত প্রণয়ে চুমুকের জলে ডুবে ঠোঁটের পরশ
নীলাদ্রি ঢেউয়ে ভেসে ভেসে সাঁতরায়
জ্যোৎস্নার পিরামিড, মেঘেরা দ্যাখো—
লাল চোখ ধুয়ে আসে রাজহংসী নদীর কাছে। 

 

 

 

প্লাবিত হোক সুখের সুরম্য বসত
সাজু কবীর 



এখানে সকাল আসে সূর্য নেই, 
রাত নামে চাঁদনি নেই
টালমাটাল আঁধারের বুকে বয়ে যায় শুধু
কান্নার রোল সময়ের স্রোতে। 
ও পাড়ার উন্মাদ অশ্বখুরের শব্দতরঙ্গ
ত্রাসে কাঁপায় এ পাড়ার ভিত
শঙ্কারা হয় শঙ্কিত, প্রত্যাশার খুঁজে শ্মশানভূমি। 

স্বপ্নের মানসী'র চোখে আমরাও কাজল পরাই
গুঁজে দিই খোঁপায় ক্যামেলিয়া ফুল,মাঠে মারা যায় সব
সীমান্ত বাহিনীর হিংসুটে টহলে। 
সুখের চৌহদ্দিতে খিটখিট হাসি আমরাও দেখি
টপটপ করে ঝরা নোনাজল ফুরায় না এ সাগরে। 

কান্নাই বুঝি আমাদের বড় সাথী
চোখ-মুখের প্রগাঢ় হাসি
তাই কাঁদি, বুঝি না কোনকিছু। 
বন্ধুরা তোমরা কাঁদো, ডুকরে ডুকরে আরও কাঁদো
ভাসুক পৃথিবীপৃষ্ঠ নোনাজলে 
প্লাবিত হোক সুখের সুরম্য বসতগুলো।

 

 

 

প্রত্যাশার ছলছাপ 
রফিকুল ইসলাম


কিছু প্রত্যাশা ঘুমঘোর স্বপ্নের মতো সময়ের শাসনে 
পালাতক ফেরারী হয় 
প্রত্যাশিত ছিল এমন অবান্তরও নয়, তবুও 
বুকে বিঁধে আছে খসখসে সংশয়। 
দুঃশাসনের বিরুদ্ধে খুঁজেছে আশ্রয় ঠিকানাবিহীন 
উদাসী বেহুলার ভেলায়।
অপরাধবোধ নিঃশব্দে বিদগ্ধ করে যখন; 
পৃথিবীর বুকে চলে দুর্বৃত্তের প্রজনন
রাজ্যের ভাঁজে ভাঁজে একরাশ বিষাদ তখন; 
বর্ণহীন অনুতাপে নিঃসঙ্গ চিলের ডানায় ফিরে যায়
সুনীল অসীম শূন্যতার ওপারে, যেন-
ঝাঁজালো দুপুরে পুড়ে পুড়ে অবশেষ একটা বিকেল
মিশে যায় অন্ধকারে। 
শুধু সময়, কালের বোবাসাক্ষী হয়ে দাঁড়ায় প্রতিশ্রুত 
নালিশের দরজায়, যেন, প্রাচীন প্রাণহীন মূর্তির মতো..
প্রৌঢ়তার দেবালয়ে মাথা ঠুকে ঠুকে কারও 
নীরব আর্তির প্রার্থনা কেঁদে যায়। 

 

 

 

উপলব্ধি
চন্দনকৃষ্ণ পাল



তোমার চেহারাতে সেই ছাপ দেখি-
না বোধক বাক্যের এতো ছড়াছড়ি
কী করে মগজে রাখো এতো ঘৃণা, এতো অন্ধকার?

বিজয়ের ছায়া রেখে নামের সব অক্ষরে
ভালো কিছু হবে ভেবে যুক্ত করি নিজস্ব মননে
তারপর ক্রমশঃ প্রকাশিত হও-
শ্রাবণ অমাবস্যাকে হার মানিয়ে তুমি
আরো বেশি অন্ধকার ধারণ করে আছো নিজস্ব মগজে।

কী বোকা, কী বোকা আমি
এখনও মানুষকে বিশ্বাস করি!
আলোকে আলোই ভাবি, মুখোশ ভাবি না
অযোগ্য দেহ নিয়ে বেঁচে বর্তে থাকা ভালো নয়
আজকাল মূল্যায়নে বুঝে গেছি
সন্ন্যাসব্রত নিয়ে জঙ্গলে চলে যাওয়া ভালো-
প্রস্তুতি নিতে হবে খুব দ্রুত লয়ে।

 

 

 

জার্গন দৃশ্য 
মনিরুল ইসলাম দোলা 

 

কাছে আসা আর কাছে থাকার মত ব্যবধানিকতা 
ছন্দপতন স্মরণ বেলায় বৌভাত আয়োজন সন্ধ্যা
হৃদয় থেকে হৃদয়ের দূরত্ব আর স্পৃহা সৃষ্টির 
মিথ্যে আত্মহত্যা
ভালোবাসার আমরণ নিরর্থক বোকামিকতা। 

হৃদয়ে চোট পেয়ে আদালতে মুক্তিপণের সন্ধিক্ষণে
তাই, ঘণ্টাঘর থেকে উঠে আসা দেবতারাও 
কর্মফলের হিসেব-নিকেশ আর 
এজলাসে মমি হয়ে ঠাঁই আমার অনাগত ভবিষ্যতের 
জার্গন দৃশ্যায়নে নেমে আসে বিদ্যুৎসাহে- 
সবার চোখের জল;
এই প্রথম আমার দিকে আড়চোখে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল 
পূঁজারী-নিশিত ভয়ে 
কী দোষ ছিলো আমার?

 

 

 

সভ্যতার রক্তক্ষরণ 
অলোক আচার্য

 

মাটির রং আজকাল
ধূসর থেকে লালচে হয়েছে
মস্তিষ্কে তীব্র রক্তক্ষরণ।

কোথাও কেউ নেই যে একমুঠো 
ধূসর মাটি নিয়ে ঢেকে দিতে পারে 
এই লালচে মাটি
যেভাবে একদিন আব্বার কবরেও
মাটি দিয়েছিলাম পরম মমতায়-শ্রদ্ধায়।

এই সভ্যতায় হেঁটে গেলেও
পায়ে লেগে যায় উষ্ণ রক্ত
শিশু, নারী-পুরুষ ও বৃদ্ধের, অথবা
ধরো ঝরেছিল রক্ত কলিঙ্গের যুদ্ধে
নদীর স্রোতেও সেদিন মিশেছিল রক্ত।

 

 

 

মৃগনয়না 
শারমিন নাহার ঝর্ণা 




নিত্যদিন মিছিল আর আন্দোলনে এক অচেনা 
অতিথি পাখি-আত্মহারা হয়
শহরের অলিগলিতে পোস্টার আঁকে আর 
মিষ্টি মধুর সুরে ডাকে, মৃগনয়না! 
শুধু একবার চাও মোর পানে 
কত আপন ঐ চোখ জোড়া
মোর হৃদপিণ্ড তাহা জানে।


লজ্জাবতী পাতার মত গুটিয়ে মুখ 
মৃগনয়না শুধুই নীরবে হাসে
বিড়বিড়িয়ে বলে, ধুর বোকা! 
একপলকের দেখায় কী প্রেম হয়? 
শুধু কি নয়নে নয়ন পড়লেই কেউ আপন হয়? 
প্রেম-সে তো হৃদয় দিয়ে সাজাতে হয় হৃদয় কানন।

 

 

 

কালো মেঘ 
শামছুন ফৌজিয়া
 

রিয়াজ সাহেব সোনালী ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত অফিসার। রিটায়ার্ড করেছেন মাত্র এক বছর হয়। সারাজীবনের সঞ্চয় দিয়ে মফস্বলে নিজের একটি বাসা বানিয়েছেন। তিন বেডরুমের বাংলো টাইপ বাড়িটি দেখতে খুবই সুন্দর।এক ছেলে ও এক মেয়ে এবং স্ত্রী দীপাকে নিয়ে তার বাস।রিয়াজ সাহেবের পরিবারে অনেক দায়িত্ব ছিল, বড় ছেলে হওয়াতে তাকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছিল। ছোট ভাই বোনদেরকে লালন করা, বিয়ে দেওয়া, বৃদ্ধ মা-বাবাকে দেখাশুনা করা। আর এসকল দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি নিজের জন্য কিছুই করতে পারেননি। তবু এই তৃপ্তি যে, বাবা মায়ের দোয়া পেয়েছেন, খেদমত করতে পেরেছেন।

গত পাঁচবছর আগে বিয়াজ সাহেবের বাবা মা এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। চাকুরিকালীন সময়ে মফস্বলে কম টাকায় জমি কিনেছিলেন তিনি, সেখানে কষ্ট করে নিজের বাড়িটি করতে পেরে, মনে এক তৃপ্তি রয়েছে। বড় ছেলে ইমতি ঢাকা ভার্সিটি হতে পরিসংখ্যানে মাস্টার্স করেছে। বিসিএস দিচ্ছে যদি ভাগ্যে থাকে। ইমতি ঢাকায় একটা বহুজাতিক কোম্পানিতে ম্যানেজার হিসাবে জয়েন করেছে দু'মাস হলো। একমাত্র মেয়ে তুলি বিবিএ পড়ছে। সুন্দর সোনার সংসারে স্ত্রী দীপার অবদানই বেশি।

রিয়াজ সাহেবের দিনকাল ইদানীং ভালো যাচ্ছে না। টেনশনে আছেন। ছেলে ইমতি একটি মেয়েকে বিয়ে করে ফেলেছে। বিয়ের মতো এমন গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়ে একবারও বাবা মা'কে জানানোর প্রয়োজন মনে করেনি ছেলে। এ কথা ভাবতেই রিয়াজ সাহেবের চোখ বেয়ে দু'ফোঁটা জল গড়িয়ে পড়ে। অনেক আশা ছিল ছেলে প্রতিষ্ঠিত হবে, তারপর বিয়ে করবে, বাসার পেছনের পরিত্যক্ত অংশটুকুতে কাজ করাবে!  কিন্তু সেই আশা পূরণ হলো না। ইমতি বিয়ের পর বাবা-মায়ের সাথে যোগাযোগই করছে না। দুদিনের মাথায় ইমতির হলের বন্ধুদের সাহায়্যে ঠিকানা খুঁজে পেয়ে, রিয়াজ সাহেব খোঁজ নিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু ছেলে তাকে সোজা চলে যেতে বলে দিয়েছে। বলেছে, তার জীবনের সিদ্ধান্ত শুধু সে‌-ই নিবে, বাবা-মা যেন তাকে বিরক্ত না করে। সে মিতুকে নিয়ে ভালো আছে। রিয়াজ সাহেব অনুরোধ করে বলেছিলেন, 'যা হবার হয়েছে বৌমাকে নিয়ে বাড়ি আসো! তোমার মা অপেক্ষায় আছেন।' কিন্তু ইমতি মুখের ওপর না করে দেয়। বলে, 'মিতু যেতে চাইছেনা বাবা! বুঝার চেষ্টা করো।' 

বলেছিলেন তিনি, 'তোমাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল বাবা! বিয়ে করে ফেলেছ ভালো কথা, কিন্তু তুমি বাবা মায়ের প্রতি দায়িত্বে অবহেলা করতে পারো না। তোমার জন্য তোমার মা কান্নাকাটি করছে, অনেক কষ্টে তোমাদের মানুষ করেছি। আত্মীয়স্বজন কত কথা বলার সুযোগ পাবে যদি তুমি আমাদের সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করো।' 

'বাবা কারো কথায় আমার কিছু যায় আসে না। যে যা ভাবে ভাবুক।মিতুর বাবা অনেক টাকার মালিক, গার্মেন্টস ব্যবসা সহ অনেক কিছু আছে। মিতু তাদের একমাত্র মেয়ে! বিয়ের শর্ত ছিল আমি ঢাকায় থাকব, মিতুকে নিয়ে একা। তুমি নিশ্চয়্যই চাওনা যে আমি অশান্তিতে থাকি।'

এরপর রিয়াজ সাহেবের আর বলার কিছুই ছিল না। বিষণ্ণ মনে বাড়ি ফিরে স্ত্রীকে সব বুঝিয়ে বলেছিল শুধু। তিনি সব শুনে শুধু কেঁদেছিলেন। প্রত্যেক বাবা মা'ই সন্তানের মঙ্গল চান। রিয়াজ সাহেব ভাবেন, কি এমন অপরাধ করেছিলাম যে, সন্তানদের মানুষ করতে পারিনি!  সুশিক্ষা দিতে কোন অবহেলা তো ছিল না, তবু আজ কেন এমন হলো! 

পথে দেখা হতেই সেদিন রিয়াজ সাহেবের বন্ধু মিজান বললেন, তোর মেয়ের দিকেও খেয়াল রাখিস বন্ধু! মানুষজন তোর ছেলে মেয়েকে নিয়ে অনেক কথাই বলে।

রিয়াজ সাহেবের বুক ভেঙ্গে দীর্ঘশ্বাস বের হয়! মেয়ে তুলি সারাদিন মোবাইলে ব্যস্ত থাকে।বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দেয়। কলেজে যায়, কখনো সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরে! এ নিয়ে কিছু বললে সে রেগে যায়। সেদিন ও রেগে গিয়ে তুলি তর্ক শুরু করে, চিল্লাতে থাকে। আর রিয়াজ সাহেব নিজেকে সামলাতে না পেরে মেয়ের গালে থাপ্পড় বসিয়ে দেন। কিন্তু এতে হিতে বিপরীত হলো, তুলি নিজের রুমে দরজা বন্ধ করে দেয়। দীপা ও রিয়াজ সাহেব কিছুটা ভীত হোন। কারণ চিৎকার শুনে পাশের বাসার লোকজন চলে এসেছিল! 

মেয়ে আবার সুইসাইড না করে বসে-এমন কথাও শুনতে হয়েছে। কি লজ্জা! সেই থেকে রিয়াজ সাহেব মেয়েকে কিছু বলেন না ইচ্ছার বিরুদ্ধে। ভয়ে ভয়ে থাকেন! মান সম্মানের ভয়। আর এদিকে মেয়ে যেন আরো বেশি স্বাধীনতা পেয়ে গেছে। বন্ধুদের আজকাল দীর্ঘ সময়ের জন্য বাসায়ও নিয়ে আসে। অসহায়ের মত রিয়াজ সাহেব ও তার স্ত্রী শুধু দেখে যায়। 

রিয়াজ সাহেবের মন বিষাদে ভারাক্রান্ত হয়। কিভাবে যে তার ছেলে মেয়েরা এত অধঃপতনে গেল, ভেবে পান না।সন্তানদের সমস্ত দাবী তিনি পূরণ করেছেন, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা দিয়েছেন। তবু কেন ছেলে মেয়ে তার আজ ছন্নছাড়া! তবে কি কোথাও ঘাটতি ছিল যা তিনি এতোদিন বুঝতে পারেননি? একসময় নামায পড়ত দুই ভাই বোন। বহুদিন তারা এসব ভুলে গেছে। ইদানীং রিয়াজ সাহেবের ঠিকমত ঘুম হয়না, প্রেশার বেড়েছে। ছেলে মেয়েকে নিয়ে চিন্তা তাকে নিস্তেজ করে দিচ্ছে। যে কোনো বাবা মা সন্তানদের নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখেন, তারা সঠিক পথে যাবে, নিজেকে নিরাপদ রাখবে! কিন্তু সেই পথটি যদি সঠিক না হয়? ভয়টা এখানেই। 

রিয়াজ সাহেবের দিন কাটে অনিশ্চয়তা আর অস্থিরতায়! তিনি মনে মনে স্রষ্টার কাছে দয়া ভিক্ষা চান, বলেন, হে আল্লাহ তুমি আমার ছেলে মেয়েকে সঠিক পথে পরিচালিত করো! 

বাবা মা কখনো সন্তানকে দূরে ঠেলে দিতে পারে না। তিনি বিশ্বাস করেন, একদিন তারা বাবা মাযের কাছেই ফিরবে। ভালো-মন্দের পার্থক্য বুঝতে পারবে। আকাশের কালো মেঘের আড়ালে সূর্যের হাতছানি থাকে। রিয়াজ সাহেব সেই সূর্যের আলোর অপেক্ষায় আছেন।

সাহিত্য থেকে আরো পড়ুন