https://www.prothomalony.com/

6908

new-york

নিউইয়র্ক

নিউইয়র্কে সহকারী ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি পদে বাংলাদেশি কানিজ ফাহমিদা চৈতি

প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৩ ১৩:১৫

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি নতুন প্রজন্মের সাফল্যে আরও একটি তিলক যোগ হলো। নিউইয়র্কের ম্যানহাটন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে সহকারী ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি (ডিএডি) পদে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভত কানিজ ফাহমিদা চৈতি। চৈতির এই সাফল্যে তিনি যতোটা না খুশী, তারচেয়ে খুশী তার পরিবার ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
কানিজ ফাহমিদা চৈতির বাবা সুজন মিয়া নিউইয়র্কে রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী। মা সালেহা রত্মা ডেইজি নিউইয়র্ক সিটির স্বাস্থ্য বিভাগের পরিদর্শক ছিলেন। এখন তিনি পারিবারিক ব্যবসা দেখাশোনা করছেন। তাদের একমাত্র কন্যা চৈতি। এ দম্পতির একমাত্র ছেলে সাকিবও মেধাবী এবং চিকিৎসা বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন করার পর এখন ইন্টার্ন করছেন। সিলেটের সুজন এবং ডেইজি দম্পতি কুইন্সের এলমহার্স্ট এলাকায় বসবাস করেন। কানিজ ফাহমিদা চৈতির দাদা বাড়ি সিলেট জেলার বালাগঞ্জ উপজেলায়। সিলেট শহরে তাদের বাসা চৌকিদেখি। নানা বাড়ি সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায়।

কানিজ ফাহমিদা চৈতি নিউইয়র্ক সিটি ইউনিভার্সিটির অধীনে বারুখ কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন করার পর দুই বছর আগে ম্যানহাটন ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অফিসে কাজ শুরু করেন। সেই অফিসেই সম্প্রতি নিয়োগ পেয়েছেন তিনি। আগামী বছরের শুরুতে কানিজ ফাহমিদা চৈতি সহকারী ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি হিসাবে কাজ শুরু করবেন।



মেয়ের এই নিয়োগের প্রতিক্রিয়ায় বাবা সুজন মিয়া বলেন, তার দীর্ঘ প্রবাস জীবনের কষ্ট লাঘব হয়েছে। মা সালেহা রত্না ডেইজিও সন্তানের সাফল্যে খুশী এবং তাদের সন্তানের জন্য সকলের কাজে দোয়া প্রার্থনা করেন।

কানিজ ফাহমিদা চৈতির নিকটাত্মীয় ও প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার লেখক, সাংবাদিক রহমান মাহবুব এক প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, কানিজের নতুন দায়িত্ব অনেক চ্যালেঞ্জের। প্রতারণা এবং হোয়াইট-কলার অপরাধ বিষয়ে অগাধ আইনী জ্ঞান থাকতে হয় এই জবে। এই সাফল্যে কানিজ ফাহমিদা চৈতি এবং তার বাবা-মাকে অভিনন্দন জানিয়ে রহমান মাহবুব বলেন, মা-বাবার একাগ্রচিত্তের ভালোবাসা ও অধ্যবসায়ের কারণে সন্তানেরা হয়ে ওঠে দেশের রত্ন। কানিজ ফাহমিদা চৈতি এর বড় প্রমাণ।

নিউইয়র্ক থেকে আরো পড়ুন