https://www.prothomalony.com/

5830

literature

সাহিত্য

উত্তরের সাহিত্য

প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২৩ ০৯:৩৬

পোস্টমর্টেম 
ভজন দত্ত 

 

পোস্টমর্টেমের ভেতর অহম নেই
জ্বালা-যন্ত্রণা স্মৃতি-বিস্মৃতি
কথা-রাখা বা না-রাখার দায় নেই। 


সব ঘৃণা ভালোবাসা হয়ে গেছে, 
না-কি, ঘৃণা ভালোবাসা! 
ছুরিতে তার কিছুই জানা যায় না। 


নিথর দেহের ওপর ছুরির চুম্বনদাগ  
মুছতে মুছতে  সূঁচ আর সুতোর দ্বন্দ্ব।
ধন্দে ধন্দ বাড়ে সন্ধ্যায় বাড়ে সন্দ। 


সব দাগ মুছে দেওয়ার প্রতীক্ষায় 
বুকের ভেতর  নিশ্চুপ  চিতা
চিতা সাজাও, তোমরা চিতা সাজাও গো...। 

 

 

 

কোনও এক ভ্রান্তি সময়ে
বিলকিস ঝর্ণা

 

প্রত্যন্ত আতুরঘর টানে আমাকে
টানে অনলে পরিপাটি মেঘ 
রোজ ধুয়ে যাওয়া অসুখের শরীর রোদে পুড়ে
অশ্লীলতার ভেতর জমে থাকে স্বাচ্ছন্দ্যে পুরনো শীতকাল 
আর, ঘন্টাধ্বনি বেজে চলে এতিমদের পানশালায়।
ওপারে মুখর যে অভাবিত গান
এপারে তার সুর কেটে গেছে নিভৃতে 
কোনও এক ভ্রান্তি সময়ে। 


কাঁচপোকাদের ভুল সঙ্গমে বহুপূর্বেই জীবাশ্ম হয়ে গেছে 
একটা দুখিনী নীল প্রজন্ম। 
মানুষ সে সময় হাফ ছেড়ে বাঁচবার প্রয়াসে 
গড়ে তুলেছিলো কিছু পালক প্রমোদ প্রাসাদ
প্রশান্তিময় স্নানঘর 
নৃত্যশালা
অতঃপর আধুনিক মৌলিক বেশ্যালয়।


আর আধুনিক হাটখোলায় দারিদ্র্য জুয়া-মদের আড্ডা। 
এরই আরেক নাম সভ্যতা -নয়তো স্খলন। 
স্খলন জানে না বলে বেনারসী হাওয়ায় উড়ে 
লাল সোনালি বেনারসী
খেলনার ঘুড়ি হয়ে আকাশে উড়ে 
তার প্রতিটি সুতোয় মুড়ে থাকে গাঢ় রঙিন আত্মহত্যা। 

 

 

 

প্রেমের কবিতা 
আবদুল বাতেন 



আমাকে কাবু করেছে, তার ওষ্ঠের অসুখ। অন্ধ করেছে 
তার কেশের কালসাঁঝ। কোথায় যাব-
তাকে ফেলে? কোন সুখ সিংহাসনের আশায়? 


তার বাঁকা দাঁতের বিজয়োৎসবে, ঊর্মি আন্দোলিত 
বয়ফ্রেন্ড আমি। গলার তিল তার ছড়ায় সৌরভ
ক্রীতদাস করেছে আমাকে তার স্তনের উর্বরতা। 


মুড়িয়ে মেঘে অন্তর আরশ, কেন যাব- পদদলে তার
প্রণয় পতাকা? প্রেমাসক্ত আমাকে
আরও মাতাল করুক তার শরীর শরাবের নেশা।
 

 

 

কবি 
দ্বীন মোহাম্মাদ দুখু

 

 

ভাপ উঠা ভুখ রোদের ভেতর
হাওয়াই মিঠাই মঞ্চে দাঁড়িয়ে
যিনি বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখেন
খুন, দুর্গম পথ মাড়িয়ে
তিনি কবি, রাতের ডাহুক
কোন আঁধারে যাবেন হারিয়ে?


স্লোগানে মুখর জনতা রাজার বহরের পিছে ছোটে
প্রজা রাজা কিংবা রাণীর উঠোনে 
কবে সাম্যের ফুল ফোটে
কালের স্রোতে ভাটার কবি
সাম্য তার তর্জনী আর ঠোঁটে। 


ইতিহাসের লাল হৃৎপিণ্ড আকুঞ্চন খুনে খুব তড়পালে
নি:শ্বাসের স্বাক্ষর অস্ত যায় কফিন চুমু দেয় মাসুম গালে
মৃত ঘাটে বসে কবি চার ফেলে-  জীবন তোলেন জালে।


রক্তিম চোখে কীসের শোকে ভগবান বুকে মেরে চাবুক
বেজন্মার জাত বিষ ধারাপাত মরণ খেলায় নিপীড়িত মুখ
নিষ্ঠুর পথে জীবন রথে কবির কথাতেই প্রীতির ঝাড়ফুঁক।

 

 

 

তোমাকে ডাকিনি আমি
শম্পা ঘোষ



তোমাকে বলিনি ফিরে আসতে
তবু বৃষ্টি হয়ে প্রলোভন দেখাতে থাকো,
হৃদয়ের একপাশে যন্ত্রণাতে তোমাকে ছুটি দিয়েছিলাম
অথচ জোনাকির মতো রাতের মাঝে তুমি অস্তিত্ব প্রমাণ কর বার বার,
ঝরে যাওয়া বেলফুল মূল্যহীন তবু সে ফুলের সমাহারে তোমারি সুগন্ধি-
ব্যর্থ নিশানায় বারবার ফিরিয়ে আসো
আমায় অনায়াস জোরে ছুঁড়ে দিয়েছো যখন তখন,
মেঘের কাছে মেঘমল্লার দূরে থাকবে কে কার!
ফিরে তাকানো হয়নি তবুও নতুন ঝরণা হয়ে তুমি মিশেছো মাটিতে 
হৃদয়ের স্পর্শ অনুভূতিতে একাকীত্ব 
ডাক দিয়ে যায় বারবার,
তোমাকে তো ডাকিনি আমি-
নিঃস্বতার জগতে তবু ফিরে ফিরে 
ঠিক চলে আসো তুমি।

 

 

 

মৃত্যুর দরোজা খুলে 
এম এ রহমান

 

 

প্রতিদিন ভেঙে যাচ্ছি তুমুল ঢেউয়ে 
য়ে যাচ্ছে মাটি
ক্ষয়ে যাচ্ছে বন
বড় হচ্ছে নদী


যাপনের ঘোলাজলে যুবতী নদীর স্রোত
ফেলে যাচ্ছে বালু
ফেলে যাচ্ছে পলি
ভেসে ওঠে চর

প্রতিটি রাতের বারান্দায় পায়চারি করে ঘুম
দেখে যায় অমাবস্যা 
বৃষ্টিভেজা সংসার
আর দূরের নক্ষত্র 

তবুও সময় হাঁটে- হেঁটে হেঁটে যায়...
আমি তার পিছু-পিছু
নিয়ে যেতে চাই কিছু 
মৃত্যুর দরোজা খুলে...

 

 

 

ছোট ছোট গল্পগুলো
ফারজানা ইয়াসমিন 

 

 

আমার বিকালটার আর গোধূলির আলো ছুঁয়ে 
নীরব সন্ধ্যা হয়ে বাড়ি ফেরা হয়নি।
বুকের ভেতরটা সাগরের অস্থির ঢেউয়ের মতো 
ফুঁসে উঠলেও বালুচরে এসে সৈকত ছোঁয়া স্থির মন হতে পারেনি।
গুমোট মেঘ এসে ঢেকে দিল জীবনের আলোর রেখা,
অগণিত প্রতীক্ষার পরেও আসেনি অঝোর ধারায় বৃষ্টি, 
আসনি রোদেলা দিন কোনো অমাবস্যার ঘোর অন্ধকার কেটে যাওয়ার পর। 
তপ্ত দুপুরে বটবৃক্ষের শীতল হাওয়া এসে কখনো,
পুরনো জানালার শিক গলে পর্দার আড়ালে উঁকি দেয়নি।
তবুও জীবনের পাতা জুড়ে ছোট ছোট গল্পগুলো
নীরবতা ভেঙে ছুটে চলে সূর্যোদয় থেকে নির্ঘুম রাত অবধি।

 

 

 

শীসমহল দাদুর কুলগাছ আর আমাদের চঞ্চলা কাকী
সুলতানা আফরোজ

 

সেই কুল গাছটা কবে কোথায় কীভাবে কাটা পড়লো ঠিক জানিনা। সচরাচর এমন প্রশস্ত ডালপালা আর বিশালতায় গভীরশীতল ছায়া দেয়া কুল গাছ চোখে পড়েনা। আমাদের  চড়ুইভাতি, কচুরিপানা, পেপেরোমিয়ার মতো মিছেমিছি সবজি, চুলারপোড়া লালমাটি, চিনিবালি, কলাপাতার থালা বাটি-এসব উপকরণে সাজানো হেঁসেল ছিলো এই কুল গাছ তলা।গাছেরমালকীন আমার দাদার চাচাতো ভাইয়ের বেগম শীসমহল বানু বলতেন, "এইডা হইলো বারোমাইস্যা বাট্টা বড়ই! জন্মের বেসাদ।তাও তার শান্তি নাই! পাড়ার বেবাকে সারাবছর কী মজায় এই ফল হাপুস হুপুস খায়, বুঝিনা। পারলে গাছের গোড়া ভাঙ্গায়াশরবত খায়! এইবার তোর দাদারে বইলা কাটতাছি, এর তলে গুড়াগাড়ার আওদানী বন্ধ করতাছি, দাঁড়া!" 

বাতের ব্যথায় কাতর বুড়ির হয়তো হৈচৈ ভালো লাগতো না। মাঝেমাঝে আমাদের ওপর লাঠিচার্জও চলতো। আমরা হাসাহাসিকরে দিগ্বিদিক্ শূন্য হয়ে ছুটতাম।কত স্মৃতি আমাদের শৈশব-কৈশোরের সেই তাকে ঘিরে। সারাবছরই ফল দিতে কৃপণতা করতোনা সে। অথচ, তার সঙ্গীবিহীন প্রস্থান আয়োজনহীন,ঠিকানাবিহীন গন্তব্যের কোনো দূর সীমানায় তার কাঠকয়লা জীবনওহয়তো ধুলিতেও নিশ্চিহ্ন আজ।

সেদিন পথ চলতে গিয়ে হঠাৎ সে জায়গাটাতে থেমে গেছি যেখানে সে ছিল। সে গেছে তো গেছে, যারা গেছে তো গেছে কিন্তু  জ্যান্তচোখ থেকে, অবিরল দোল খাওয়া সময় থেকে, তার বা তাদের তো নিস্তার নেই। আঘাতের ভার বইতে না পেরে যন্ত্রণায়বাড়িছাড়া হয়ে রক্তরা যেমন ধেয়ে আসে ফিনকি বেয়ে, তেমন করে গলগল করে মূহুর্তরা ব্রেনের লোব থেকে লোবে ছুটোছুটি করেআমাদের উদ্দীপিত করে-তখন তাকে বলি স্মৃতির ঘা।

কুল গাছ থাকা জায়গাটাতে এসে তেমন ঘা খেলাম সেদিন। 

ওই তো গজ বিশেক পরেই চঞ্চলা কাকীর ঘর। পাড়ায় সুন্দরী হিসেবে খুব খ্যাতি ছিল তার। খুবই সাদামাটা, তার স্বামী শহীদকাকাকে ভেড়া বানিয়ে রাখাতেও তেমনই ছিলেন পটু।

প্রায়ই দেখতাম খুব সাজগোজ করে কাকাকে নিয়ে আত্মীয়ের বাড়ি কিংবা শপিংয়ে বেরুতেন। কলতলায় বসে কাকার গায়েসাবান মেখে মেজে গোসল করাতেন। চুল আঁচড়ে, স্নো পাউডার মাখিয়ে কাকী তাকে যতই সভ্য করতে চেষ্টা করতেন, ততই কাকাউসখুস গজদন্তের বাহার ছড়িয়ে খিটিমিটি করতেন, বিরক্ত হতেন। 

কাকীর জন্য খুব মায়া হতো। ছোট হলেও এইটুকু বুঝতাম কাকার এলেবেলে স্টাইলবিহীন জীবনযাপন থেকে বেশ দূরে  ছিলপরিপাটি চঞ্চলা কাকীর মন। কষ্টেসৃষ্টে কেবল মানিয়ে নেয়ার গভীর চেষ্টাটা চলছিল তার।

একদিন লুকোচুরি খেলতে গিয়ে লুকাতে গিয়েছিলাম তার খাটের নিচে। হঠাৎ দেখলাম খোলা দরজাটা কে যেন আঁটকে দিলো।ভাবলাম হয়তো কাকা এসেছেন। দৌড়ে বেরিয়ে যাকে দেখলাম সে খুব পরিচিত নয়। ভয় পেয়ে তাকে ক্রস করে দরজা খুলেবেরিয়ে এসে দম নিলাম।ভাবলাম কাকীর ঘরে সে লোকটা কে? কেন?

তারপর সে সব ভাবা ভুলেও গেলাম। একদিন স্কুল টিফিনের সময় দলবেঁধে ঝালমুড়ি খাওয়ার সময় দেখলাম সেই লোকটাঝালমুড়ি নিতে এসেছে। একটু দূরে রিকশায় চঞ্চলা কাকী বসা। আমি সেদিকে ছুটতে চাইলে বন্ধুরা আঁটকে দিলো। বললো, "আরে পাগলী! এটা তোর কাকী হবে কী করে, এটা ঐ লোকের ফেইমিকা। তুই ভুল দেখলি।" 

এসব বলে এরা হাসাহাসি করছিলো। আমার কেমন কষ্ট হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল কোথাও কিছু গড়মিল হচ্ছে। ভালো কিছু নয়।

তার কাছে মায়ের মতো অনেক আদর পেয়েছি। ঈদ সকালে সবার আগে আমাকে চুল বেঁধে সাজিয়ে দিতেন। বাবার বাড়ির মিষ্টিমিষ্টি গল্প বলা সেই চঞ্চলা কাকী দূরের কোন রথে কোন দূরদেশে চলে গেছেন। তাই মনে হলো অনেকটাক্ষণ।

বাড়ি ফিরে মা কে বলতে গেলে, মা উল্টো আমাকে শাসন করলেন।বড়দের ব্যাপারে এত কিছু বলতে নেই, ভাবতে নেই। নিজেরকথা ভাবতে বলার সাথে সাথে আমাকে তার বাড়ি যেতেও বারণ করলেন। কুল গাছতলা আর চঞ্চলা কাকীর বাড়ির সাথেআাড়ি এঁকে দিতে পারলো মা! খুব কান্না পেল। অভিমান হলো মায়ের ওপর। 

এর বেশ কিছুদিন পর বন্ধুর বাড়ি থেকে ফেরার পথে কাকী পথ আগলে দাঁড়ালেন। কেন তার বাড়ি যাচ্ছি না, কে নিষেধ করেছেসেসব বলতে বলতেই সামনে দাঁড়ানো এক রিকশায় আমাকে নিয়ে ছুটলেন। ভালোবাসতাম তাকে খুব। তার সঙ্গ পাচ্ছি সে ভেবেসুখ হচ্ছিল। কোন একটা জুয়েলারি দোকানের সামনে আসার পর দেখা গেলে রিকশার ভাড়া মেটাচ্ছেন সেই তরুণ টাইপেরলোকটা। জানিনা কেন, খুব রাগ হলো তাকে দেখে।

"উনি আমার পড়সী এক ভাই, তোমার মামা হয়"-বলেই পরিচয় করিয়ে দিলেন আমার সাথে। কিন্তু লোকটা কেমন অসহজআচরণ করেছিল পরিচিত হতে। জানিনা কেন, পারলে সে ছুটে বাঁচতে চাইছিল যেন।

কাকী, কাকার দেয়া তার সব অলংকার নিউ মডেলে গড়তে এসছেন। একা বলেই আমাকে সাথে নিয়ে এসেছেন।এসব বললেনআমাকে। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই সেগুলো তুলে দিচ্ছিলেন লোকটার হাতে। খুবই রহস্যময় লাগছিল। 

রিকশায় ফেরার পথে চুপ ছিলাম। নীরবতা ভেঙে কথা ফুটলো তার মুখে। "আমার কিছুই আমি ব্যাংকে রাখিনা। সব তার কাছেরাখি। বাড়িতে চুরি হতে পারে তাই।"

এর কিছুদিন পর এক সন্ধ্যায় খুব কান্নাকাটির রোল শোনা গেল। চঞ্চলা কাকীর ছেলেময়ে দুটো 'মা চোখ খুলো' বলে  চিৎকারকরে পাড়া কাঁপাচ্ছিলো। সেখানে সবার সাথে দৌড়ে ছুটে গিয়ে যা দেখেছি তাতে এখনও বুকের রক্ত হিম হয়ে যায়।

আপাদমস্তক চাদরে ঢাকা চঞ্চলা কাকী মেঝেতে শুয়ে আছে। চারপাশে তার অবুঝ শিশুদের মাতম, তার শাশুড়ি শীসমহলদাদীর বুলেটের মতো গালি! পাড়ার বৌ ঝি'দের নাক সিটকানি মনোভাব কেন এই মৃত মানুষটার ওপর, বুঝে উঠতে পারিনিসেদিন।

হঠাৎ চোখে পড়লো সেই লোকটা রাজার মতো চেয়ারে বসা, লোকজনকে দাফন কাফনের সহজ পথের কথা বলছেন। পাশে বসাতার সুন্দর নতুন বৌ। যে অলংকারে সে সেজেছে, তা দেখে আমার চোখ ঝলসে উঠলো। তার কাছে কাকীর গচ্ছিত রাখা, নিউমডেলে গড়া অলংকারগুলোই তো সে-সব। 

"মা অই মা! নতুন বৌ, খুব ভালো আর লাজুক মেয়ে! আসতে চাইছিল না। আমি জোর করে নিয়ে আসলাম।শুনলাম আমারআপন ফুপাতো বোন চঞ্চলা, মারা গেছে বিষ খেয়ে। তাকে একবার দেখে না গেলে ফুপু কষ্ট পাবেন। তাই আসা। যাই তবে"-শীসমহল দাদুকে কথাগুলো বলে দুই জোড়া রহস্যময় পা হেঁটে চলে গেল সামনের দিকে।

তখন ইচ্ছে করছিলো তার টুঁটি চেপে ধরি। কিন্তু, ছোটরা অনেক ছোট কাজও করতে পারে না। এখনও ইচ্ছে করে লোকটাকে খুঁজেবের করে ফাঁসিতে ঝুলাই। কারণ? জানিনা তো! তবে, চঞ্চলা কাকীর বিষপানে মৃত্যু আর সে....! কোথায় যেন খুব  গভীর সম্পর্কেসম্পর্কিত!

বাকি সবাই কি তা জানতো? বিধাতাই  হয়তো  জানেন শুধু।

সাহিত্য থেকে আরো পড়ুন