https://www.prothomalony.com/
18051
literature
প্রেমিকার জন্য কেঁদো না
(Don'T Cry For Layla-by Abu Nuwas)
ভাষান্তর: এনামূল হক পলাশ
প্রেমিকার জন্য কেঁদো না,
হরিণীর জন্য বকবক করো না।
কিন্তু অনেক গোলাপের মাঝে
পান করো গোলাপী লাল শরাব।
মদ্যপের গলা থেকে বের হওয়া খিস্তি
লাল হওয়া চোখ এবং গালের উপর বেদনা।
শরাব একটি রুবি, পেয়ালা একটি মুক্তা,
যদি তা পরিবেশন করে অভিজ্ঞ
ছিমছাম শরীরের মেয়ের পাতলা আঙ্গুল।
যে হাত তোমাকে পরিবেশন করবে শরাব,
এবং তার মুখ থেকেও নির্গত হবে শরাব -
নিশ্চিতভাবে দুইবার মাতাল হবে তুমি।
এইভাবে আমি দুইবার মাতাল হই,
আমার বন্ধুরা হয় একবার;
এই বিশেষ অনুভূতি একান্তই আমার।
সমুদ্রপাড়ের প্রজাপতি
(Butterflies on the Sea-by Niu Han
ভাষান্তর: মনসুর আজিজ
সমুদ্রের ওপর দিয়ে কী যেন উড়ে গেল
তার ছিল শক্ত ডানা
হৃদয়ের গভীরে জমা ছিল শক্তি
তাই তো উড়ে গেল সামুদ্রিক ঝড় কেটে।
যা দেখেছি আমি
তা তো সত্য অথবা সত্যের কাছাকাছি
ছোট্ট, হলুদ প্রজাপতি
উড়ে গেল
পোহাই উপসাগরে ঝোড়ো বাতাসের ঢেউ কেটে।
উপকূলে সেঁটে থাকা নয়
উড়ে যায় দূরে বহু দূরে
আকাশের ওপারে
যেন এক সাহসী গাঙচিলের উড়ে চলা
ছোট হলুদ প্রজাপতি
প্রদীপের নিভু নিভু আলো জ্বেলে উড়ে চলে
হারানো ধন খুঁজে পাওয়া যেন তার ব্রত
সংকেতহীন ছুটে চলা
উপকূল মিলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত
ছোট্ট প্রজাপতি—
কেন তুমি একটিবার চাও না ফিরে?
কথারা
(Words-by Kamala Das)
ভাষান্তর: প্রত্যয় হামিদ
আমার চারপাশে ঘিরে অজস্র কথা, আর শব্দের ভিড়
তারা সবুজ পাতার মতো বেড়ে ওঠে, কখনো
থমকে যায় না, ক্রমশ বাড়তেই থাকে ভেতর থেকে...
অথচ আমি নিজেকে বলি, কথারা
কেবলই উৎপাত, সতর্ক হও—
কত কিছু হওয়ার ক্ষমতা রাখে এই কথা—
হতে পারে এক গভীর খাদ, যেখানে থমকে দাঁড়ায়
দুরন্ত পথ,
চোখে পড়ে সমুদ্রের নিঃসাড় ঢেউ;
অথবা হতে পারে এক পশলা হাওয়া
অথবা একটা ছুরি, যা কেটে দিতে পারে
প্রিয় বন্ধুর গলা অবলীলায়... কথারা তাই কেবলই
উৎপাত।
তারা সবুজ পাতার মতো বেড়ে ওঠে আমার ভেতর
তারা আসতেই থাকে, আসতেই থাকে— ক্ষান্ত দেয়
না কখনো,
তারা আসে এমনকি নীরবতা থেকেও,
আসে হৃদয়ের গহীন থেকে...
নদীদের কথা বলে নেগ্রো
(The Negro Speaks of Rivers-by Langston Hughes)
ভাষান্তর: খ্রীষ্টফার পিউরীফিকেশন
নদীদের জানি আমি;
আমি জানি পৃথিবীর মতো বয়সী প্রাচীন নদীদের কথা। মানব-শিরায় প্রবাহিত শোণিত-ধারার চেয়েও
প্রাগৈতিহাসিক তারা।
এই নদীদের মতোই গভীর হয়ে উঠেছে আমার আত্মা।
ইউফ্রেটিসের ধারায় নবীন সব সূর্যোদয়ে অবগাহন
করেছি এই আমি।
কঙ্গোর সন্নিকটে আমার কুঁড়েঘর রচনাও করেছি, আর
সে ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছে আমায়।
নীলনদকেও আমি দর্শন করেছি এবং তার তীরজুড়ে
পিরামিড সব করেছি নির্মাণ।
মিসিসিপির মূর্ছনা শুনে বিমোহিত হয়েছি আমি
সে সময়ও—
যখন আব্রাহাম লিংকন নিউ অরলিন্সে গেলেন, এবং
সূর্যাস্তের সময় তার কর্দমাক্ত বুক স্বর্ণালি হয়ে উঠতে
দেখেছি এই আমি।
আমি জানি নদীদের;
প্রাগৈতিহাসিক, গোধূলি-নিমগ্ন সেইসব নদীদের।
এই নদীদের মতোই এখন অতলান্তিকের রূপ পরিগ্রহ
করেছে আমার আত্মা।
একটি ফুলের সংস্পর্শে
(With a flower-by Emily Dickinson)
ভাষান্তর: সুমন শামসুদ্দিন
চিঠি আমি লিখতে পারি যত
সুন্দর তো নয় কোনোটি এর মতো,
প্রতিশব্দ তার মনোরম, যেন মখমল,
অভিজাত তার বাক্যসকল, মোহনীয় কোমল,
চুনি-পান্নার মতো গভীর, অফুরন্ত,
তোমার জন্য ওষ্ঠ অধর, সুধা অনন্ত—
ভাবি যেন এক হামিংবার্ড এসে
হৃদয়টা নেয় শুষে, ভালোবেসে!
ও সখিগন
(O friends-by Mirabai)
ভাষান্তর: সাকিব জামাল
ও সখিগন, আমি প্রেমে পাগল এমন
অথচ দেখে না কেউ।
বন্ধুয়া থাকে দূরে, তারে বিহনে,
কী করে ঘুমাই আমি খাটে
তারে ছাড়া ফুলের শয্যা সেও আমায়
তরবারির মতো কাটে ।
কেবলই বোঝে সে, এই ব্যথা
বিরহে হয়েছে যে ছুরিকাহত
জহুরি চেনে যেমন রত্ন
কতটা খাঁটি অথবা খাঁদ কত।
আমি হারিয়েছি তাঁরে!
যাতনায়; ঘুরে ঘুরে পাইনি ঔষধ
কোনও ডাক্তারের দ্বারে ।
মীরা ডাকে হে ঈশ্বর, হে কৃষ্ণ
কেবল তুমিই দিতে পারো আমায় আরোগ্য।
এক দুষ্টু ছেলের উপাখ্যান
(The Story Of The Bad Little Boy-by Mark Twain)
ভাষান্তর: এইচ বি রিতা
একদা এক দুষ্টু বালক ছিল, নাম জিম। খেয়াল করবেন, সানডে-স্কুলের নীতিশিক্ষা বইগুলোতে দুষ্টু ছেলেদের প্রায় সবসময়ই 'জেমস' বলে ডাকা হয়। অদ্ভুত! কিন্তু তবুও সত্যি যে এই ছেলেটার নাম ছিল জিম।
তার কোনো রুগ্ণ মা ছিল না—যে মা খুব ধার্মিক, যক্ষ্মায় ভুগছেন, কেবল ছেলেকে ভালোবেসে এবং নিজের মৃত্যুর পর ছেলে এই নিষ্ঠুর পৃথিবীতে একলা হয়ে যাবে—এই ভয়ে কবরে গিয়েও শান্তি পাবেন না।
সানডে-স্কুলের বইয়ের সেই তথাকথিত জেমসদের থাকে এক অসুস্থ মা- যিনি সন্তানকে ঘুমানোর আগে প্রার্থনা শেখান, কাতর সুরে গান গেয়ে ঘুম পাড়ান, কপালে চুমু খান এবং বিছানার পাশে হাঁটু গেড়ে কেঁদে আকুল হন। কিন্তু জিমের বেলায় ব্যাপারটা একেবারেই উল্টো। তার নাম জিম, আর তার মায়ের কোনো অসুখ-বিসুখও ছিল না—
না যক্ষ্মা, না অন্য কিছু। তিনি ছিলেন বেশ হৃষ্টপুষ্ট এবং মোটেই ধার্মিক নন; জিমকে নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তাও তাঁর ছিল না। উল্টো বলতেন, ছেলে যদি ঘাড় মটকে মরেও যায়, তাতে কারও কোনো ক্ষতি হবে না। তিনি জিমকে চড়-থাপ্পড় মেরে ঘুম পাড়াতেন, কোনোদিন রাতে ভালোবেসে চুমু খেতেন না; বরং ঘর থেকে বেরোনোর আগে ওর কান দুটো আচ্ছা করে মলে দিয়ে যেতেন।
একবার এই দুষ্টু ছেলে প্যান্ট্রির ঘরের চাবি চুরি করে ভেতরে ঢুকল এবং ইচ্ছামতো জ্যাম খেয়ে পাত্রটি আলকাতরা দিয়ে ভরে রাখল, যাতে মা টের না পান।
এমন কাজটি করে তার মনে হঠাৎ কোনো অপরাধবোধ জাগল না, ভেতরের কোনো বিবেকও ফিসফিস করে বলল না—"মায়ের অবাধ্য হওয়া কি ঠিক? এটা কি পাপ নয়? যে দুষ্টু ছেলেরা মায়ের জ্যাম সাবাড় করে, তাদের শেষ পরিণতি কী হয়?"
সে হাঁটু গেড়ে বসে আর কখনো এমন অন্যায় না করার প্রতিজ্ঞাও করল না, কিংবা মনের প্রশান্তিতে গিয়ে মায়ের কাছে সব স্বীকার করে ক্ষমাও চাইল না; আর তার মা-ও চোখের জলে ছেলেকে আশীর্বাদ করলেন না। নীতিশিক্ষার বইয়ের পাজি ছেলেদের বেলায় এমনটাই ঘটে, কিন্তু জিমের ক্ষেত্রে এমন কিছুই ঘটল না।
ঘটল উল্টোটা। সে নিজের মতো নোংরা ভঙ্গিতে জ্যাম খেল এবং বলল, "ফাটাফাটি হয়েছে!" পাত্রে আলকাতরা ভরেও বলল, "দারুণ হয়েছে!" তারপর হেসে মন্তব্য করল, "বুড়ি যখন টের পাবে, তখন রাগে ফোঁস ফোঁস করতে থাকবে!"
আর মা যখন সত্যিই টের পেলেন, জিম সাফ অস্বীকার করল। সে কিছুই করেনি। তখন মা তাকে উত্তম-মধ্যম পিটুনি দিলেন এবং নীতিগল্পের মায়েদের মতো মা কাঁদলেনও না, জিম একাই কাঁদতে লাগল। এই ছেলেটার সবকিছুই ছিল অদ্ভুত—বইয়ের সেই পাজি 'জেমস'দের সঙ্গে ওর কোনো ঘটনাই মিলত না।
একবার সে কৃষক অ্যাকর্নের গাছের আপেল চুরি করতে উঠল। ডালও ভাঙল না, সে নিচে পড়ে হাতও ভাঙল না, কিংবা কৃষকের হিংস্র কুকুরটাও তাকে কামড়ে ক্ষতবিক্ষত করল না—যার ফলে তাকে বিছানায় পড়ে ভুগে ভুগে ভালো মানুষ হতে হবে। নাহ্, এমন কিছুই হলো না। সে পেট ভরে আপেল পেড়ে নির্বিঘ্নে নেমে এলো; আর কুকুরটা তার দিতে তেড়ে এলে সে প্রস্তুত হয়ে একটা ইট মেরে সেটাকে দূরে ছিটকে দিল। ভারী তাজ্জব ব্যাপার! নীতিশিক্ষার সেই মার্বেল-বাঁধাই বইগুলোতে এমনটা কখনো দেখা যায় না—যেসব বইয়ে আঁকা থাকত লম্বা লেজওয়ালা কোট আর অদ্ভুত টুপিপরা খাটো প্যান্টের পুরুষ কিংবা বগলের নিচ অবধি স্কার্ট পরা নারীদের ছবি থাকে। পাঠশালার বইগুলোর কোনো কিছুতেই এর সাথে মিল ছিল না।
আরেকবার সে স্কুল শিক্ষকের পেননাইফ চুরি করল। ধরা পড়ার আর মার খাওয়ার ভয়ে সে পেননাইফটা লুকিয়ে রাখল জর্জ উইলসনের টুপির ভেতর। জর্জ ছিল দরিদ্র বিধবা উইলসনের ছেলে—গ্রামের সবচেয়ে ভদ্র ও আদর্শ বালক, যে মায়ের কথা শুনত, কখনো মিথ্যা বলত না, পড়াশোনায় ভালো ছিল এবং রবিবাসরীয় পাঠশালায় যাওয়ার জন্য পাগল থাকত।
যখন জর্জের টুপি থেকে পেননাইফটা পড়ে গেল, চুরির অপবাদ তার ওপরেই চাপল। জর্জ লজ্জায় মাথা নিচু করল। যখনই শিক্ষক তাকেই চোর ভেবে কাঁপতে থাকা পিঠে বেত বসাতে যাবেন—ঠিক সেই মুহূর্তেও কিন্তু কোনো সাদা চুলের ন্যায়পরায়ণ বৃদ্ধ বিচারক নাটকীয়ভাবে উদয় হয়ে বললেন না যে, "থামুন! এই নির্দোষ ছেলেটিকে মারবেন না—আসল অপরাধী তো ওখানে ভয়ে কাঁপছে! ছুটির সময় দরজার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় নিজের চোখে আমি আসল চোরকে দেখেছি!"
ফলে, জিমকে মার খেতে হলো না, বৃদ্ধ বিচারকও চোখের জল ফেলা গোটা ক্লাসের সামনে দীর্ঘ নীতিশিক্ষা দিলেন না, কিংবা জর্জকে যোগ্য ছেলে ভেবে নিজের কাছে নিয়ে গিয়ে অফিসে ঝাড়ু দেওয়া, আগুন জ্বালানো, ফরমায়েশ খাটা আর কাঠ কাটার বিনিময়ে আইনে পড়িয়ে মাসে চল্লিশ সেন্ট দিয়ে সুখী করার প্রস্তাবও দিলেন না।
নীতিগল্পের বই হলে এমনটাই হতো, কিন্তু জিমের বেলায় হলো না। সেখানে ঝামেলা পাকাতে কোনো গায়ে-পড়া বিচারক উড়ে এসে জুড়ে বসেনি; ফলে সেই আদর্শ ছেলে জর্জের পিঠেই বেতের মার পড়ল। আর জিম তো মহাখুশি, কারণ সে এই ধরনের 'ভালো মানুষ'দের দুচোখে দেখতে পারত না। নিজের বাজে ভাষায় সে ওদের বলত 'নরম সরম ভেতো মার্কা বা কাপুরুষ'। এমনই ছিল এই বখে যাওয়া, অবহেলিত ছেলের রূঢ় ভাষা।
তবে জিমের জীবনের সবচেয়ে অদ্ভুত ঘটনাগুলোর মধ্যে একটি হল-এক সানডে'তে(রোববার) নৌকা চালাতে গিয়েও সে জলে ডুবল না; আর আরেক সানডে'তে ঝড়বৃষ্টির মাঝে মাছ ধরতে গিয়েও কালবৈশাখীর ঝড়ে তার মাথায় বজ্রপাত হলো না। সানডে-স্কুলের নীতিশিক্ষার বইগুলোতে এমনটা ভাবাই যায় না। সেখানে দেখা যায় সানডে'তে নৌকায় উঠলেই পাজি ছেলেরা নিশ্চিত ডুবে মরে, আর সানডে'তে মাছ ধরতে গেলে আকাশ ভেঙে তাদের ওপরই বজ্র পড়ে। মানে সানডে'তে তাদের নৌকা ডুববেই, আর ঝড়ঝঞ্ঝা আসবেই। কিন্তু জিম কীভাবে যে বেঁচে যেত, সেটাই এক রহস্য।
জিম যেন অলৌকিক কোনো রক্ষাকবচ নিয়ে জন্মেছিল। কোনো কিছুই তার ক্ষতি করতে পারত না। এমনকি চিড়িয়াখানার হাতিকে একবার সে তামাক পাতা খেতে দিল, কিন্তু হাতি তার শুঁড় দিয়ে ওর মাথা গুঁড়িয়ে দিল না। সে আলমারিতে পেপারমিন্ট খুঁজতে গিয়ে ভুল করে বিষাক্ত নাইট্রিক অ্যাসিডে খায়নি, বাবার বন্দুক চুরি করে কোনো এক সানডে'তে শিকারে গিয়ে নিজের তিন-চারটে আঙুলও উড়িয়ে দিল না। একবার রাগের মাথায় ছোট বোনের কপালে ঘুষি মারল। কিন্তু তাতেও এমন কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হলনা যে, বোনটি ব্যথায় কাতর হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার আগে মিষ্টি মুখে ভাইকে ক্ষমা করে দিয়ে তার ভেতরে অপরাধবোধকে জাগিয়ে দিল। না! এমনটি হয়নি; বরং মেয়েটি দিব্যি সুস্থ হয়ে উঠেছিল।
শেষমেশ জিম ঘর ছেড়ে সমুদ্রযাত্রায় বেরিয়ে পড়েছিল। কিন্তু ফিরে এসে দেখল না যে তার স্বজনেরা কবরে ঘুমোচ্ছে আর তার ছেলেবেলার লতাপাতাঘেরা স্মৃতিবিজড়িত বাড়িটা ভেঙে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
নাহ্, এমন কিছুই ঘটল না। সে এক্কেবারে মাতাল হয়ে ফিরল। আর ফিরেই সবার আগে গিয়ে উঠেছিল থানা-হাজতে।
তারপর সে বড় হলো, বিয়ে করল, ছেলেমেয়ে হলো। একদিন রাতে কুড়াল দিয়ে নিজের পুরো পরিবারকে খুন করল। সব ধরনের জোচ্চুরি আর বদমাইশি করে অঢেল সম্পদের মালিক হলো। এখন সে নিজের গ্রামের সবচেয়ে জঘন্য ও কুখ্যাত বদমাশ, অথচ সমাজের সবাই তাকে গভীর শ্রদ্ধা করে এবং সে এখন আইনসভার একজন সদস্য।
সুতরাং বুঝতেই পারছেন, সানডে-স্কুলের নীতিশিক্ষার বইগুলোতে এমন কোনো 'বাজে জেমস'-এর কথা কখনো পাওয়া যায় না, যার ভাগ্য এই পাপী জিমের মতো—যার জীবন যেন কোনো জাদুবলে সুরক্ষিত।
সাহিত্য থেকে আরো পড়ুন