https://www.prothomalony.com/
5323
literature
শুকনো রুটি
তুষার ইসলাম
ঊষার লাল রঙের ছোঁয়া লেগেছে যদিও আমার মনে,
ভোর হয়েছে টের পাইনি একটুও
তবে ক্ষুধা লেগেছে।
মনে হয় বেলা অনেক হয়েছে, ঘড়ির কাঁটা
টিক টিক করে বলে দেয় বেলা বারোটা বাজে।
রমণীর শ্যামল হস্তে থালায় কিছু শুকনো রুটি
একটুখানি জল নিয়ে এসে বলে, এই যে মিস্টার, শুনুন
এই নেন সকালের নাস্তা খেয়ে নিবেন।
মরুভূমির বুকে রাতভর কাজ শেষে শুকনো রুটি
হয় প্রিয় খাবার সেই বেলা বারোটায়।
স্বদেশ ছেড়ে বহুদূরে প্রিয়জন রেখে
শুকনো রুটি দিয়ে শুরু হয় কর্মজীবন।
প্রিয়জন'কে সুখে রাখতে মায়ের আঁচল ছায়া ছেড়ে
মরুবুকে শুকনো রুটি দিয়ে চলে দিন,
বছরের পর বছর
মাসের পর মাস!
নিষ্ঠুর সময়
আবদুল লতিফ
বিষাক্ত ব্যঞ্জন মাখা সময় আস্বাদনে ধীরে ধীরে
নীল হয় বিরহী ডাহুক
বজ্রাহত ডাহুকী গোনে মৃত্যুর প্রহর
উড়ন্ত হিংস্র শিকারী ঈগল অপেক্ষায়
অল্প দূরে শিয়ালের হুক্কাহুয়া ডাক যেন
কেয়ামতের হুইসেল
চিৎকারে বাতাসে কম্পন তোলে ভীত-সন্ত্রস্ত
অবুঝ ডাহুক ছানা
যেন আঁধারে মিশে যাওয়া
শুধুই নিষ্ঠুর সময়ের খামখেয়ালি।
শ্রাবণিকে বলে দিও
মামুন আহমেদ
তা'কে আমার ভালো লাগে
রূদ্ধ হোক বিবেকের প্রতারণা।
বর্ণের পরিচয়ে-দু'জনই বাঙালি
রাজপথে কিংবা মেঠোপথে
আমাদের পথচলা।
ঝর্ণা থেকে নদী
প্রান্তর জুড়ায় সাগরের টানে
ফুঁসে উঠো, ফুঁসে উঠো
চির বাঙালি আমি।
জানলা ভেদ করে
পলাশ দাস
জানলা ভেদ করে যতটা ঘরের ভিতর দেখা যাচ্ছে
মেঘের শরীরের মতো ঝুল
দুটো মাকড়সা সেই পথ বেয়ে
উঠছে নামছে
নামছে উঠছে
তাদের শরীর ছুঁয়ে যাচ্ছে আলো
ছুঁয়েছে অন্ধকার
তারা ক্রমশ উঠছে নামছে
নামছে উঠছে
বাতাসের টান
শাব্দিক আহ্বান
তাকাচ্ছে না দেখছে না
মাখছে না গায়ে
তাহলে ওরা কি অন্ধ ও বধির?
প্রশ্ন করো না কেউ
জসীম উদ্দীন মুহম্মদ
কেউ প্রশ্ন করো না, এতোদিন কোথায় ছিলেন?
জীবনানন্দের মতো আমিও তাঁরে খুঁজতে গিয়েছিলাম বনলতা সেন!
রোজ রোজ কতো কতো ফুটেছে কৃষ্ণচূড়া, শিমুল, পলাশ
এতো রঙের আবির মেখেছো গায়ে,
কেউ কি করেছো আমার তালাশ!
লজ্জা ঘষে ঘষে আমিও কুড়িয়েছি নীল লোহিত
আশার দোলকে গোলক ধাঁধাঁর মতো ঘুরছি আধাপক্ক
কেশী রোহিত!
ক্লান্তি আমাকে ক্লান্ত করে না রুপোলি নদীর ঢেউ
চিলের ডানার মগ্ন আছি শূন্য জলপাত্রে, আমার সঙ্গী
হবে নাকি কেউ?
জীবন যুদ্ধের ছাত্র
টি এইচ মাহির
পৃথিবীটা কন্টকময় বিশাল রণক্ষেত্র
পথিক আমি ক্লান্ত তবে তীক্ষ্ণ দুটো নেত্র
শিখছি আমি জন্ম হতে শিখছি দিবা রাত্র
পৃথিবীটা বিদ্যাপীঠ আমি তার ছাত্র
যুদ্ধ চলছে নিয়মিত জীবনটা যুদ্ধালয়
জীবনকাল ছোট্ট তবে মস্ত বড় বিদ্যালয়
পরীক্ষায় আসবে দুর্যোগ প্রশ্নে হবে প্রলয়
সমাধান নিপুণ হাতে থাকবে দক্ষের বলয়
বিপদসংকুল পথ চলতে থাকবে ভালো মিত্র
শিখতে হবে প্রতি পদে নয় হারবার পাত্র
জীবনকাল অনেক ছোট অল্প ক'দিন মাত্র
ভবের হাটে পথিক আমি জীবন যুদ্ধের ছাত্র।
আশার ছলনা
কামাল কাদের
জীবনের চলার পথে কত কি ঘটে যায়! আমরা কেউ আঁচ করতে পারিনা। কারণ আমাদের জীবনটা রহস্যময়।
ইরফান এবং নাজমা এক আদর্শ দম্পতী। কলেজ জীবনে একে অপরকে ভালোবেসে বিয়ে করেছে। এক ছেলে এবং এক মেয়ে নিয়ে সুখের সংসার। দুজনেই উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের টিচার। ইরফান অ্যাসিস্ট্যান্ট হেডমাস্টার আর নাজমা হোম ইকোনোমিক্স এর শিক্ষীকা। মধ্যবিত্তের জীবন, অন্য পাঁচজনের মতো দিন চলে যাচ্ছে।
দেশ নব্য স্বাধীনতা লাভ করেছে,তারই জোয়ারে দেশের তরুণ তরুণীদের মাঝে বিদেশে যাওয়ার প্রবণতার হিড়িক পরে গেছে। এদের মধ্যে ইরফান এবং নাজমা ব্যতিক্রম রইলো না। ভাবলো, বিদেশে যেতে পারলে অন্ততপক্ষে ছেলে মেয়েদেরকে ভালো ভাবে ভরণ-পোষণ এবং উচ্চমানের শিক্ষা -দীক্ষা দিতে পারবে। যেই ভাবা সেই কাজ, কয়েকটি দেশে বিশেষ করে "ইংলিশ স্পিকিং" দেশগুলিতে অভিবাসী হিসাবে থাকার জন্য চেষ্টা করা শুরু করলো। অনেক চেষ্টা তদবির করে কানাডায় থাকার অনুমতি পেয়ে গেলো।সৃষ্টিকর্তাকে অশেষ ধন্যবাদ জানিয়ে একদিন কানাডার পথে পাড়ি জমালো।
ইরফান, বাংলা ভাষা এবং সাহিত্যে ডক্টরেট ডিগ্রিধারী। কিন্তু কানাডাতে ওই ডিগ্রি মূল্যহীন। তাই অনিচ্ছাসত্ত্বে টরোন্টোর এক হোটেলে ওয়েটারের কাজ নিতে বাধ্য হলো। এদিকে নাজমা কোনো দ্বিধা না রেখে এক গ্রোসারি সপে সেলস গার্ল হিসেবে যোগ দিলো। মানব জীবনে ডিগ্রি অর্জন করা যে শুধু ভালো চাকরি পাওয়া নয়, বুদ্ধিমত্তার বিকাশেরও ক্ষেত্রস্থল। বাস্তব জীবনকে কিভাবে সুপন্থায় মোকাবেলা করা যায় তারই শিক্ষাকেন্দ্র হলো কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলি। এরই জ্বলন্ত প্রমান হলো ইরফান এবং নাজমা।
ছেলে 'ইনিভার্সটি অফ টরোন্টো' থেকে এবং মেয়ে 'ইউনিভার্সিটি অফ ইয়র্ক' থেকে ডিগ্রি করে তাদের নিজেদের পেশায় নিয়োজিত। মেয়ে তার পছন্দ মতো এক কানাডিয়ান বাঙালি ছেলেকে বিয়ে করে অটোয়া শহরে বসবাস করছে। ছেলেটি এক মেক্সিকান মেয়েকে বিয়ে করে নিউইয়র্কে সংসার ধর্ম পালন করছে। ছেলেমেয়েরা রীতিমতো মা-বাবার ভালো মন্দ খবরা খবর নেয়, সময় এবং সুযোগ পেলে বয়স্ক মা বাবার সাথে দেখা সাক্ষাৎ করে যায়। এদিকে ইরফান এবং নাজমা নিজেদের বুদ্ধি খাটিয়ে প্রথমে নায়াগ্রা জলপ্রপাতের কাছে একটা ইন্ডিয়ান টেকওয়ে খাবারের দোকান খুলে এবং সেটাকে আস্তে আস্তে উন্নতি করে একটা বড় রকমের ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্টে রূপান্তরিত করে।
এভাবেই ইরফান এবং নাজমার বিয়ের কয়েক দশক ভালোবাসা এবং ভক্তির সাথে অতিবাহিত হতে চললো। একজন আরেকজনকে ছাড়া যেন এক মুহূর্ত কাটে না। যখন তাদের দুজনার বয়স ৬০ এর মধ্যে, তখন তারা পরিকল্পনা করলো, ছেলে মেয়েরা তো যার যার জীবন বেছে নিয়ে সংসার করছে। তাহলে তারা কেন তাদের বাকী জীবনটা আদর্শগত ভাবে তাদের নিজেদের মতো কাটিয়ে দিতে পারে না! এই ভেবেই কিছুটা পাগলামী করে ঢাকা শহর থেকে প্রায় পয়তাল্লিশ মাইল দূরে এক মফস্বল শহরে একটা ফার্ম হাউস কিনে নিলো। সেই ফার্ম হাউসটিকে ঢাকার এক নামকরা আর্কিটেক্ট দিয়ে নুতন করে ইংলিশ স্টাইলে একটা বাংলো বানালো। সেরা এবং দামি আসবাবপত্র দিয়ে ঘরগুলিকে সাজালো। বাংলোটার চারিধার ঘিরে নানা জাতের ফুল এবং ফলের গাছ দিয়ে বাড়িটাকে সবুজের সমারোহে একটা শান্তি নিকেতন তৈরি করলো। আশা করলো অবসর নেয়ার পর বাকী জীবনটা দুইজন সুন্দর করে এখানেই কাটিয়ে দিবে এবং ইরফান তার শখের লেখালেখির কাজ চালিয়ে যাবে। তার এই লেখা হবে তার একান্ত নিজের, শুধু নাজমা ছাড়া আর অন্য কারোর জন্য নয়।
কিন্তু ভাগ্যের অন্য ধারণা ছিল। কথায় আছে না, "যদি ভগবানকে হাসাতে চাও, তাহলে ভবিষ্যতে তোমার কি প্লান অথবা কি পরিকল্পনা তাকে জানাও, তাহলে দেখবে ভগবান কেমনভাবে তার ইচ্ছায় তোমার ভাগ্যকে ভেঙেচুড়ে গুড়িয়ে দিতে পারে।"
ইরফানের বেলায় তাই হলো। সেই দুঃস্বপ্নটা ঘটে গেলো। ঢাকা থেকে তারা কয়েক দিনের জন্য সিলেটের পথে বেড়িয়েছিল। পথে খাবারের জন্য বিরতি নিলো।রেস্টুরেন্টের খাবার টেবিলে বসার কয়েক মিনিট পরেই নাজমা মূর্ছা গিযে মাটিতে পড়ে গেলো। পরে তাকে নিকটস্থ হাসপাতালে নেয়া হলো। প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর সিলেট যাত্রা ভঙ্গ করে ঢাকায় এনে হাসপাতালে ভর্তি করা হলো। টেস্টে ধরা পড়লো তার মধ্যে Alzheimer রোগ বাসা বাঁধতে শুরু করেছে। তার বয়স তখন মাত্র ষাট। এই ঘটনার পর নাজমাকে নিয়ে ইরফান তাদের দেশ ভ্রমণ বাদ দিয়ে কানাডায় ফিরে আসলো। নাজমাকে 'কেয়ার হোমে' রাখতে ইরফান বাধ্য হলো। ইরফানের জীবনটা এক নিমেষে ওলোট পালট হয়ে গেলো। নাজমা অত্যন্ত সুন্দরী, বুদ্ধিমতী, রুচিশীল মহিলা ছিল যা কিনা যে কোনো পুরুষই সারা জীবন তার সাথে সুখে স্বাচ্ছন্দ্যে কাটিয়ে দিতে পারতো। কিন্তু নিয়তির কি পরিহাস, তার চিত্ত ভ্ৰংশ(dementia ) হওয়ার ফলে তাদের জীবন থেকে সুখ হারিয়ে গেলো।
অবশ্য ওই ঘটনাটি ঘটার আগেই ইরফান নাজমাকে প্রায়ই অন্যমনস্ক হতে দেখতো। সে প্রায় সময় কোন জিনিষটা কোথায় রাখতে হবে, ভুলে যেতো, যা ওর সহজাত অভ্যাস ছিল না। এক কথা বার বার বলতো। কিন্তু ও নিয়ে ইরফান বিশেষ গুরুত্ব দেয়নি। "ডিমেনশিয়া " রোগটি সনাক্ত হওয়ার পর ইরফান একেবারেই ভেঙে পড়লো। তবুও নাজমাকে সাহস জুগিয়ে যেতে লাগলো। বলতো, 'সব কিছু সেরে যাবে। কোনো চিন্তা করোনা লক্ষ্মীটি।'
কথা শুনে নাজমা ইরফানের দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসি দিতো। কিন্তু সত্যিকার অর্থে ইরফান বুঝতে পারছিল না তার জীবনে কি ঘটতে যাচ্ছে। নাজমাকে কেয়ার হোমে রাখার আগে তাকে দেখাশুনার জন্য বাসায় একজন খণ্ডকালীন উপযুক্ত শিক্ষাপ্রাপ্ত নার্স নিয়োগ করা হলো। দিনে দিনে নাজমার অবস্থা খারাপের দিকে যাচ্ছিল, আর তাকে নিয়ে ইরফান হাবুডুবু খাচ্ছিল। রান্না-বান্না ইরফানকে করতে হতো, প্রায় সময়ই খাবার- দাবার বাইরে থেকে কল করে খেতে হতো। ইরফানের হতাশার ভাব চরমে উঠলো যখন নাজমা নিজে থেকে বিছানা ছেড়ে উঠতে পারছিল না। সে মূল-মূত্র ধারণ করতে অক্ষম হয়ে পড়লো, সেই সাথে নিদ্রাহীনতায় ভুগতে শুরু করলো। অবশেষে জানাশুনা সবার উপদেশে নাজমাকে কেয়ার হোমে রাখতে ইরফান বাধ্য হলো।
যেদিন ইরফান নাজমাকে কেয়ার হোমে রেখে আসলো ,সে দিনটির কথা সে কখনো ভুলতে পারবে না। দিনটি মেঘলা ছিল। ফ্লাট থেকে একটা সুটকেস হাতে নিয়ে নাজমাকে বললো, 'আমরা একটা সুন্দর হোটেলে যাচ্ছি। তুমি সেখানে খুব ভালো থাকবে।' গত পঁচিশ বছর ধরে একসাথে বাস করা ওই ফ্ল্যাটটিতে, কত স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। জীবনের সমস্ত সুখ দুঃখ একসাথে শেয়ার করেছে। ছেলেমেয়েরা সেখানে বেড়ে উঠেছে। আজ কোথা থেকে কি হয়ে গেলো। ফ্লাট থেকে নাজমাকে বিদায় দেয়ার সময়টা ইরফানের কাছে মনে হচ্ছিলো কে যেন তার হৃদয়ের মাঝে এক তীক্ষ্ণ ছোরা ঢুকিয়ে দিলো। নাজমাকে কেয়ার হোমে রেখে আসার পর থেকে সে ক্রমশ শূন্যতার সাগরে ডুবে যেতে লাগলো। বন্ধু-বান্ধবরা যারা তাকে ভালোবাসে তাকে এই বলে সান্তনা দিলো, 'বয়সের সাথে মানুষের স্মরণশক্তি লোপ পায়, সুতরাং তুমি মন খারাপ করোনা।'
এক সময় ইরফান একাই ঢাকার শহরতলীতে বানানো ফার্ম হাউসে ঘুরে গেলো। কানাডায় ফিরে গিয়ে ফার্ম হাউসের ভালো মন্দ বিষয় নিয়ে সে নাজমার সাথে আলোচনা করলো। কিন্তু দুঃখের বিষয় যে, নাজমা এ বিষয়ে কোনো গুরুত্ব দিলো না অথবা বুঝতেই পারছিল না ইরফান কি বলছে। শুধু বড়ো বড়ো চোখে 'হা' করে ইরফানের দিকে তাকিয়ে রইলো। নিরুপায় হয়ে ইরফান তাদের অতি যত্নের ফার্ম হাউসটি বিক্রি করে দিলো। যেখানে নাজমা নেই, সেখানে এই ফার্ম হাউস দিয়ে কী হবে!
ক্রমেই নাজমার কথা বলার শক্তি হারিয়ে যেতে লাগলো।সে সব সময় শিশুর মতো চারিদিকে কি যেন খুঁজে বেড়ায়। ইরফান নাজমার প্রিয় রবীন্দ্র সংগীত, নজরুল গীতি তার কানের কাছে বাজায়, যদি সে গানগুলি শুনে কিছুক্ষণের জন্য হলেও হাসি খুশীতে মন ভরে রাখতে পারে। শেষবেলায় ইরফানের শুধু কামনা তার হাসি মুখটি দেখার-আর কিছু না।
নাজমা যখন মারা যায় তখন তার বয়স ছিল তেষট্টি। ইরফান এবং নাজমার বিবাহিত জীবন ছিল প্রায় চল্লিশ বছরের। ইরফানের বেঁচে থাকার আর কোনো আগ্রহ রইলো না। জীবনের প্রতি এক রকম বিতৃষ্ণা এসে গেলো। নাজমার মারা যাওয়ার এক বছেরর মধ্যে কোনো রোগের উপসর্গ ছাড়াই ইরফান এই পৃথিবী থেকে বিদায় নিলো। সেই সাথে ভগবান তার খেলার সমাপ্তি টানলো।
সাহিত্য থেকে আরো পড়ুন