https://www.prothomalony.com/
5121
decoration
মডেল- আয়মন আহমেদ রূপা
উত্তর আমেরিকায় গ্রীষ্মকালের স্থায়ীত্ব মাত্র তিন মাস। তবে এই তিন মাস প্রচন্ড গরম থাকে। বাতাসে আদ্রতা না থাকায় গরমের তীব্রতা থাকে বেশী। অথচ এই সময়ে মানুষ পিকনিক, বিচে যাওয়া, পার্কে যাওয়া, বারবিকিউ পার্টি করে বেশী। অনেককে দেখা যায় এই ধরনের অনুষ্ঠানের পরে অসুস্থ হয়ে পড়েন। কাজে যেতে পারেন না। এই সমস্যা কাটাতে কয়েকটি বিষয়ে খেয়াল রাখতে পারেন

১. প্রথমত প্রচুর পানি পান করতে হবে। সোডা কিংবা কোন ধরনের এ্যালকোহল নয়, শুধু পানি খেতে হবে দিনে আট থেকে দশ গ্লাস।
২. তরমুজ, হানিডিউ, চেরি, বেরিজসহ রসালো ফল বেশী করে খাওয়া দরকার এই সময়ে।
৩. আগে বলেছি এই সময়ে প্রচুর অনুষ্ঠান থাকে, যেখানে মশলাদার খাবারের পরিবেশন থাকে অধিক। তবে অবশ্যই সেখানে সবজি ও সালাদ রাখতে হবে। আর মশলাদার খাবারের ভীড়ে ওই সব খাবারকে এড়ানোর কোন উপায় নেই।
.jpg)
৪. শীতকালে এখানে সবার প্রচুর চা আর কফি পান করা হয। গরমে সেটা কমিয়ে আনতে হবে। দিনে দুই বারের বেশী চা বা কফি খাওয়া উচিত হবে না। কারণ এই দুটি পানীয় শরীরকে শুস্ক করে। এর পরিবর্তে ফলের জ্যুস কিংবা আইসক্রিম খাওয়া যেতে পারে।
৫. ভিটামিন ডি সরাসরি পাওয়ার জন্য অনেকে এখানে রোদে বসে থাকেন। ভিটামিন ডি অত্যন্ত জরুরী শরীরের জন্য। কিন্তু চেষ্টা করতে হবে এ সময় শরীরে সানস্ত্রিণ ব্যবহারের। সানগ্লাস পরতে হবে। প্রয়োজনে ক্যাপ কিংবা হ্যাট মাথায় থাকতে পারে। বিচে গেলে ছাতা ব্যবহার করা যেতে পারে।
৬. অনেককে দেখা যায় গ্রীষ্মকালে গরমের কারণে ব্যায়াম আর হাঁটা কমিয়ে দেন। এটা করা যাবেনা। শরীরকে সতেজ রাখতে ব্যায়াম ও হাঁটার বিকল্প নেই।
৭. হালকা ও ঢিলেঢালা পোষাক পরতে হবে। অনেককে সামারে দেখা যায় শীতকালের মতো লম্বা হাতার জামা কিংবা হুডি পরে চলাফেরা করতে। কারণ ঘরের ভিতরে এয়ার কন্ডিশন থাকায় তারা এটা করে থাকেন। কিন্তু গরমে বাইরে এই ধরনের পোষাক শরীরের ভিতরে ঘাম উৎপাদন করে। যে কারণে ঠান্ডা-জ্বর ইত্যাদি হতে পারে।
সাজসজ্জা থেকে আরো পড়ুন