https://www.prothomalony.com/
17194
bangladesh
প্রকাশ: ২০ মে ২০২৬ ০৫:৪০
ক্রমবর্ধমান সংঘাত ও পরিবর্তিত বৈশ্বিক নিরাপত্তা ঝুঁকির প্রেক্ষাপটে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের জন্য অধিকতর রাজনৈতিক সমর্থন, পর্যাপ্ত সম্পদ সরবরাহ এবং আধুনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। ১৮ মে (সোমবার) নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে অনুষ্ঠিত ‘সংলাপের মাধ্যমে উত্তেজনা প্রশমন: কীভাবে জাতিসংঘের সামরিক শান্তিরক্ষীরা সংলাপ ও সম্পৃক্ততার মাধ্যমে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা দেন’ শীর্ষক এক পার্শ্ব-আলোচনায় বক্তব্য প্রদানকালে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, ক্রমবর্ধমান জটিল সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। তবে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, দ্রুত প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা বর্তমানে এ দায়িত্ব বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং পরিবর্তিত যুদ্ধপ্রযুক্তিজনিত উদীয়মান হুমকি মোকাবিলায় শান্তিরক্ষীদের যথাযথভাবে প্রস্তুত ও সক্ষম করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
গাজা পরিস্থিতি এবং রোহিঙ্গা সংকটের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বেসামরিক হতাহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে বাধাহীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা, শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা জোরদার করা এবং সংঘাত নিরসনে সংলাপভিত্তিক সম্পৃক্ততার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচনায় শান্তিরক্ষা কার্যক্রম ও মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন শেরিল পিয়ার্স, হামফ্রে নিয়োনে এবং হার্লি সিনাগা।
অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, ঘানা, ইন্দোনেশিয়া, উরুগুয়ে, জাম্বিয়া এবং স্টিমসন সেন্টার। স্টিমসন সেন্টারের লিসা শারল্যান্ড সেশনটি সঞ্চালনা করেন।
এতে জ্যেষ্ঠ জাতিসংঘ কর্মকর্তা, কূটনীতিক, সামরিক নেতৃত্ব, শান্তিরক্ষা বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
বাংলাদেশ থেকে আরো পড়ুন