https://www.prothomalony.com/
16688
literature
শামসুর রাহমান আর আল মাহমুদ, হে তীব্র অবিমিশ্যকারী
আলতাফ শাহনেওয়াজ
এ দুপুর এই রাত কত তীব্র হচ্ছে!
দিনে দিনে ঝাঁঝালো উত্তাপ, বাড়ছে হাস্নুহেনা,
পৃথিবীতে প্রতারণার ভেতর দিয়ে যতটুকু রোদ
আঁকতে পারে না ছায়া
আমি সেই না থাকা ছায়ার মধ্যে
চাপ চাপ ঘৃণা দেখি, দেখি তোমাদের অবিমিশ্যকারীতা;
তোমরাও দেখো, বোঝো... কিন্তু গুলি তো ততক্ষণে হয়ে গেছে ছোঁড়া,
কার বুকে লাগবে?
দুপুরের আলো কার চোখ অন্ধকার করে আঁধারই লুটে নিল? মুখোমুখি হয়ে গেল 'অ্যাপলিটিক্যাল' একরত্তি
আর্ট-কালচার...
গুলির মুখে শামসুর রাহমান আর আল মাহমুদ দুটি পক্ষ—
দুই বর্গে লেখা হয় তাঁদের ভুবন,
যেহেতু মানুষ প্রার্থনা করতে এবং মদ খেতেও ভালোবাসে,
ওদের তাই অহেতু সন্ত্রাসী ক্রোধ; কোন দিকে যাবে তারা?
কেন তারা অবিনাশী ক্রোধে নিজেকেই নিজে বলে ভালো মানুষ ও জানোয়ার!
কত যে প্রবল ক্রোধ আহা এ দুনিয়া ভেঙে ফেলে খান খান!
ভাঙতে ভাঙতে দুপুরও দ্বিখণ্ডিত, ছায়ারাও কি আমার চোখের ভেতরে দুই ভাগে এঁকে বেঁকে চলে!
যত চোখকে প্রভাবিত করো তুমি, হে রমণীবাদ,
তোমার স্বকণ্ঠ চিৎকারে আমি সরব অবশ্যই,
তবে নাম ব্যবহার করে তোমার
কাউকে ফাঁসিয়ে দেওয়াও হয় নাকি?
এটা একটা সমস্যাই—পলিটিক্যাল ইনকারেক্ট কথা এসে গেল, নির্ঘাৎ এবার খসে পড়বে ইমেজ ও ইমেজারি,
এবং এ নিয়েও হতে পারে গভীর পলিটিক্স;
আর যখন পলিটিক্যাল দুপুরেরা কাউকে দাঁড়াতে দেয় না একাকী,
নির্ভয়ে প্রতিপক্ষ করে তোলো শামসুর রাহমান আর আল মাহমুদকে,
এই সিভিল ও ডেভিল সোসাইটিতে
সবার জন্যই এখন ন্যারেটিভ ওপেন
শুধু বটবাহিনী নামিয়ে একবার হামলে পড়...
এ দুপুর এই রাত আরও কত তীব্র হচ্ছে
হে অবিমিশ্যকারী!
গন্তব্য
শেখর ভট্টাচার্য
বৃক্ষ প্রজাপতি ছোট বড় নদীকে বিদায় দিয়েছি
বাসের জানালার পাশ থেকে,
ধুধু মাঠ, জামদানি নকশার আকাশ বলেছে
দেখা হবে অন্য কোনো খানে।
রঙধনু সময় অঝোর বৃষ্টির মতো কেঁদে কেঁদে
নীল হয়ে হারিয়েছে যৌবন,
গন্তব্য কোথায়? সুতোর মতো নদী
যেখানে আকাশ ছুঁয়েছে দিগন্তের সীমানায়।
চাঁদের গন্তব্য জানে চাঁদ,
ভোরের পাখির সাথে দেখা হলে বলবে বিদায়
ঝলমলে সূর্যমুখী সূর্যকে ভালোবেসে
গোধূলির পানে চেয়ে জীবন হারায়,
রেশমি সময়ে মানুষ বিস্মৃত হয় সূর্যাস্তের রঙ,
সন্ধ্যা নদী, এবং রাতের কথা।
সবুজ অরণ্য বাতাসের দোল খেয়ে
আকাশের সাথে মিলনের স্বপ্নে বিভোর,
মোহাচ্ছন্ন মানুষ অসীম অভিলাষে উড়ে যায়,
ভুলে যায় সমুখে গোধূলির ঘোর।
পিঠচিত্র
নিলয় গোস্বামী
রাত অনেক হয়েছে।
ভোর শুয়ে গিয়েছে সন্ধ্যায়।
মাঝখানের পথটুকু হাতের মুঠোয় নিয়ে আমি
চাবুক চালান শিখি।
কতো পথ হেঁটে গেছি একা।
এখন আঘাতে ভাঙা শঙ্খের মতন শোক নিয়ে
ব্রাত্য হয়ে গেছি আমি।
নিজের হাড়ের ভার সহ্য করা দায়।
চাবুক চালাই পিঠে।
রক্তাক্ত পিঠের এই চেহারা দেখার জন্য
কতোবার ধার করে আনি আমাদের হারানো সময়।
গ্রীবায় মুচড় দিয়ে ফিরিয়ে দিয়েছি চোখ।
দেখাই চাবুকে আঁকা আমার পিঠচিত্র।
পরিহাসি ঠোঁটে কী যে ঝেড়ে যায় তার হিসেব করিনা আর।
ভালোবাসা ভালো নয়, কষ্ট পেতে হয়। ভালোবাসা ভালো নয়- এখানে মৃত্যুও কষ্ট শিখে নেয় বহুবার।
অনন্ত স্মৃতির বনে আমি এক ঝড়ে ভাঙা ডানাহারা পাখি।
মনবাজারের বিক্রীত দাস।
হেলার আগুনে পোড়া বাতিহীন জোনাকির দেহ।
মাঝকানের পথ টুকু হাঁটি, আবার মিলিয়ে নেই
বিচ্ছিন্ন তোমায়।
তবুও সন্ধ্যার আগুন মেঘের কারসাজি দিয়েই ফিরিয়ে দেবে নাকি আমায়?
পাথরের ভেতরেও শব্দ থাকে
কাজল রশীদ
এই যে নিয়তি
নিয়ে গেছে ঘোরলাগা প্রত্যাশার কাছে,
যেখানে শেকড়ে ফেরা
সে তো এক কল্পকাহিনির নাম,
পাতা ঝরা গল্পের মতোই অবিশ্বাস্য।
তুমি বেঁধে রেখেছ খিদের মায়াজালে,
ক্ষুধা এখানে শুধু পেটের নয়,
স্বপ্নের, স্পর্শের,
অপূর্ণ থেকে যাওয়া দিনের।
দুঃখভাবাপন্ন এই শক্ত পথ
এখন আর নিরেট লাগে না,
কারণ প্রতিটি পাথরের ভেতর
শুনি বেঁচে থাকার শব্দ।
সহ্যের মাত্রা যতই বেড়ে যাক,
থামাতে পারে কি এই কঠিন সময়?
না,
সময় তো শুধু পরীক্ষা নেয়,
ভাঙতে জানে না।
হাঁটি,
ক্লান্ত পা নিয়েও অদম্য,
কারণ নিয়তির মুখোমুখি দাঁড়িয়েও
এখনো স্বপ্ন দেখতে শিখেছি।
অনুকবিতা
অরুণাভ বীর
১.
গল্পের নিবিড় ছায়ায় কাব্যময় চিলেকোঠার চিঠিতে কল্পনার আন্তরিক শব্দ ---
দামি কলমের স্মৃতির রেখাগুলো তাই বাস্তবের সততার উজ্জ্বলতাতে জব্দ ...
২.
তোমার চোখের গভীরতায় ছিল ভাঙা-গড়ায় ভেসে যাবার সুপ্ত ইতিহাস ---
না থাকার নীরব শব্দের আঁচলে সাদা-কালো স্মৃতি নিয়ে বাঁচি বারো মাস...
৩.
শূন্য স্মৃতিপথের সময়ে নগর থেকে যায় অস্তিত্বের আঁধার গহ্বরে ---
তাই ছায়া কেন কাঁদে শুধু যন্ত্রণায় অভিমানী রাতের অচেনা শহরে...
৪.
শুকনো কাদায় ঝরা পাতার মননে নীরবে কাঁদে কুয়াশার ঈগল পাখি ---
তাই আলো-আঁধারী রাতের অতৃপ্তির আগন্তুককে ঠিকানায় শুধু মনে রাখি...
অপরূপ সম্মোহন
গোলাম রববানী
অর্ধেকে কখনো হয় না মরণ- হয় না জীবন,
অর্ধেক নারী অর্ধেক পুরুষে গড়ে না ভুবন।
অপূর্ণতার বুকেই জাগে অপরূপ সম্মোহন-
খণ্ডতার পাখায় ভরেই নামে সাদা নীরব মরণ।
মসজিদের মিনারগুলো, মন্দিরের স্তম্ভগুলো-
একা দাঁড়িয়ে কাটায় একাকিত্বের এদিন;
গির্জার সুউচ্চ মিনার, প্যাগোডার শৈলীস্তম্ভ
দূরত্ব মুছেই খোঁজে চিরদিন মিলনের ঋণ।
যেখানে মিলন, সেখানেই পূর্ণতার আলো,
ঐক্যের স্পর্শেই কাটে জীবনের কালো।
তবে পৃথিবী একে অন্যের প্রতি বড়ই বিতৃষ্ণা
আহমক মরে শুধু জাপটেই বিফল প্রচেষ্টা।!
চেতনার প্রদীপ জ্বালিয়ে ভেতরের পূর্ণবাড়ি,
চক্কর মেরে যদি দেখতে অবিশ্ববিবেক প্রদক্ষিণ।
দেখতে না অর্ধ দুনিয়ার যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
বাকি অর্ধেক অধমজাতি- পূর্ণতা নষ্টবিজ্ঞান।
অনবগুন্ঠিত বেদনায় ডুবিয়েছি সমস্ত জীবন,
পৃথিবী জীবন অর্ধেক বৃথায় অপরূপ সম্মোহন।
বিসর্জন
শারমিন সুলতানা রীনা
আজীবন শুধু উপরের দিকে তাকিয়েছি
পায়ের নিচে মাটির স্পর্শ অনুধাবন করিনি
দেখেছি ইট পাথরের সমন্বয়ে মাল্টিপারপাস
বাড়ি দামী গাড়ি
তাকাইনি নিজস্ব ভাঙা কুঁড়েঘরে
দীর্ঘ দীর্ঘশ্বাসে রক্তক্ষরণে ভেসেছি
প্রত্যাশার ব্যাপ্তিতে যাবতীয় প্রশান্তি
বিসর্জনে হোঁচট খেয়েছি বার-বার
অতঃপর বাস্তবতায় অনুধাবন করলাম
অধিক প্রাপ্তির প্রত্যাশা সুখের পথে প্রাচীর
যা টপকানো কঠিনের চেয়ে কঠিন
মানুষের চোখে বিশ্বাস খুঁজতে গিয়ে
বালুচর ভেবে চোরাবালিতে ডুবেছি
নিগূঢ় অন্ধকারের সাথে সমন্বয় করে
নিজের সাথে বোঝাপড়ায়
সব আকাঙ্ক্ষার বিসর্জন দিয়ে অবশেষে
সুখী মানুষদের তালিকায় নিজের নাম
জ্বলজ্বলে অক্ষরে দেখতে পাই....
সময়ের আবর্তে নিরুদ্দেশ
ফারহানা খান
তারপর আর দেখা হয়নি- হবেও না
নিষ্পলক তাকিয়ে দেখা
অদৃশ্যমান সময়ের আবর্তে- নিরুদ্দেশ
তারপর আর নাম ধরে ডাকা হয়নি- হবেও না।
তারপর আর চিঠি লেখা হয়নি-হবেও না
শুকিয়ে যাওয়া কালি
পুরোনো ডায়েরির পাতায়, নিঃশব্দে -ঘুমিয়ে আছে
তারপর আর অপেক্ষা করা হয়নি- হবেও না।
তারপর আর পথের ধারে দাঁড়ানো হয়নি- হবেও না
বিকেলের শেষ আলো, নীরব গাছেদের ছায়ায়
ধীরে ধীরে -হারিয়ে যায়
তারপর আর ফিরে তাকানো হয়নি- হবেও না।
তারপর আর স্বপ্ন দেখা হয়নি- হবেও না
অর্ধেক জেগে থাকা রাত, নক্ষত্রের দূরত্বে
নিঃসাড়- ভেসে যায়
তারপর আর সেই নাম উচ্চারিত হয়নি- হবেও না।
তারপর আর কথা বলা হয়নি- হবেও না
অকথিত বাক্যগুলো, বাতাসের ভাঙা সুরে
নিঃশব্দ- ঝরে পড়ে
তারপর আর হৃদয় কাঁপেনি- কাঁপবেও না।
এছাক-এর গান: মৃত্যু, মিলন ও মানবিক আবেগের গীতিক নান্দনিকতা
মোঃ আব্দুর রশীদ
শ্রদ্ধেয় গুণীজন,গুণীকবি ও গীতিকবি জনাব সামসুদ্দীন আহমেদ এছাক মহোদয়ে গীতিকবিতা বা গান যে ভাবেই বলিনা কেন এটা বাংলা সাহিত্যের সম্পদ। কয়েক দিন ধরে তাঁর একটি গান আমার চোখের সামনে ভাসছিল। আজ একটু মনোযোগ সহ কয়েক বার পাঠ করলাম লেখার বিষয়-বস্তু, দর্শন খুব উচ্চ মানের।
এই পৃথিবীতে যে কোনো ভাল বা মন্দ কথা,কাজ কোন কিছুই হারিয়ে যায় না। জীবন চক্রে তা ঘুরে ফিরে আসে। এছাড়াও তিনি তিন হাজার গান বা গীতিকবিতা লিখেছেন, এটা সত্যিই বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের জন্য অমূল্য সম্পদ। এই সব লেখা প্রকাশিত হওয়া উচিত। আমি নিজেকে জানার জন্য এই লেখা উপর শ্রদ্ধাভরে এটু বিশ্লেষণ করলাম, যদি আমি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ছাত্র না, সারা জীবন প্রযুক্তির পিছনে ছুটেছি ও ছুটছি তবে শৈশব থেকে সাহিত্যের পাঠ আমার রক্ত ধারার সহিত মিশে আছে। বাংলা সাহিত্যে এবং বিশেষ করে বাংলা গীতিকাব্য বা লোকগানে মানুষের জীবন, মৃত্যু ও আবেগের অনন্য চিত্রায়ন দেখা যায়। লেখক, নাট্যকার, রাজনীতিবিদ, গীতিকবি জনাব সামসুদ্দীন আহমেদ এছাক-এর উপস্থাপিত গানটি (নিচে উদ্ধৃত) এই প্রথার ধারাবাহিকতা বজায় রাখে এবং সেটিকে আধুনিক আবেগ ও নান্দনিকতার সঙ্গে সমন্বিত করেছে।
"আমি যদি মরে যাইগো
বন্ধুর নামটি লইয়া
বন্দের বাড়ির পাসে আমায়
রাখিও শুয়াইয়া গো।
দেহ মরে জীব অ মরে
রুহ যায় আপন ঘরে
সে ঘরেতে হবে মিলন,
আমার প্রাণ বন্দুরে লইয়া।
স্ত্রী পুত্র আপন জন
চোখের জল ফেলবে তখন
দুচার দন্দ কান্নাকাটি
আমায় যাবে ভুলিয়া ।।"
বিষয় ও ভাবঃ গানের কেন্দ্রীয় থিম হলো মৃত্যু, মিলন এবং সম্পর্কের অন্তর্নিহিত মানসিকতা। গীতিকবি এখানে মৃত্যুকে ভয় বা ক্ষতির দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেন না, বরং সেটিকে আত্মার পরম মিলনের পথ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। "বন্ধুর নামটি লইয়া"--এই লাইন থেকে বোঝা যায়, ব্যক্তি জীবনের অগণিত বন্ধুত্ব ও সম্পর্ককে মৃত্যুর পরও সম্মান ও গুরুত্বপূর্ণ মনে রাখে।
দ্বিতীয় স্তবকে দেহ এবং আত্মার ভিন্নমুখী যাত্রা তুলে ধরা হয়েছে: দেহ ক্ষয়মান এবং সীমিত।রুহ শাশ্বত এবং "আপন ঘরে" ফিরে যায়। এই বিভাজন আধ্যাত্মিকতা, দার্শনিকতা এবং নান্দনিকতা একসাথে গড়ে তোলে।
শেষ স্তবক পরিবারের কান্নার উল্লেখ করে, যা মানবিক বাস্তবতার সংযোগ স্থাপন করে--যেখানে আবেগ ও ক্ষণস্থায়ী শোক একত্রিত হয়।
ভাষা ও শৈলীঃ ব সামসুদ্দীন আহমেদ এছাকের ভাষা অত্যন্ত সরল ও কথ্য, যা নান্দনিক দিক থেকে শক্তিশালী। জটিল অলঙ্কার বা ভারবহন নয়, বরং সরাসরি মানবিক অভিব্যক্তি--এটাই গানের প্রধান শক্তি।
শব্দপছন্দ: "গো", "লইয়া"-- এটি প্রথাগত লোকগানের সুর এবং স্থানীয় টোনকে বজায় রাখে।
লয় ও ছন্দ: যদিও ছন্দের কঠোর নিয়ম নেই, পুনরাবৃত্তি এবং ধ্বনিগত সামঞ্জস্য গানটিকে সুরেলা ও আবৃত্তি-যোগ্য করে তোলে।
নান্দনিক ও গীতিক বিশ্লেষণঃ সুর ও তাল: গানটি ধীর ও মৃদু সুরে গাওয়া যায়। পুনরাবৃত্ত শব্দের ব্যবহার এটি আবৃত্তি ও ছন্দপূর্ণ করে তোলে।
প্রতীক ও রূপকঃ বন্ধু শুধুমাত্র ব্যক্তি নয়; এটি আত্মার আশ্রয়, আধ্যাত্মিক মিলন বা জীবন-সঙ্গীর প্রতীক হতে পারে।
আবেগের ঢেউঃ শেষ স্তবকের পারিবারিক কান্না এবং পরবর্তী ভুলে যাওয়ার উল্লেখ গানটিকে মানবিক গভীরতা ও বাস্তবতা প্রদান করে।
২০০৫ সালের ২৭ মার্চ এই গুণী গীতিকবি ও মহাপ্রাণ মানুষটি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেও, তাঁর রেখে যাওয়া তিন সহস্রাধিক সৃষ্টির মাঝে তিনি চিরকাল বেঁচে থাকবেন। মৃত্যু তাঁকে কেড়ে নিয়েছে ঠিকই, কিন্তু তাঁর কালজয়ী গানগুলো বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ হিসেবে আজও আমাদের হৃদয়ে স্পন্দিত হয়। তাঁর প্রয়াণ দিবসে এই বিশ্লেষণটি কেবল তাঁর সৃষ্টির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন নয়, বরং আমাদের শিকড়ের সন্ধানে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
(2).jpeg)
সাহিত্য থেকে আরো পড়ুন