https://www.prothomalony.com/

16254

bangladesh

বাংলাদেশ

বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মহসিন আলী : রাজনীতি, মানবতা ও সংস্কৃতির এক বিরল সমন্বয়

প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ০১:০৮

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাঁদের পরিচয় কেবল পদ-পদবি, ক্ষমতা বা আনুষ্ঠানিক মর্যাদার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। তাঁদের রাজনৈতিক জীবন ক্ষমতার প্রদর্শনের জন্য নয়, বরং মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘব এবং সমাজের সার্বিক কল্যাণ সাধনের জন্য নিবেদিত থাকে। তাঁরা রাজনীতিকে গ্রহণ করেন মানুষের সেবা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে, ক্ষমতাকে দেখেন আত্মস্বার্থ পূরণের সুযোগ নয়, বরং এক মহান দায়িত্ব ও আমানত হিসেবে। ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য, সম্পদ বা বিলাসিতার চেয়ে সাধারণ মানুষের কল্যাণই হয়ে ওঠে তাঁদের জীবনের প্রধান ব্রত।

সৈয়দ মহসিন আলী ছিলেন ঠিক তেমনই একজন ব্যতিক্রমী মানুষ। তিনি একাধারে একজন নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সাহসী সংগঠক, সংস্কৃতি ও সংগীতপ্রেমী শিল্পানুরাগী এবং সর্বোপরি নিঃস্বার্থ মানবদরদী এক গণমানুষের অভিভাবক। তাঁর জীবন ও কর্ম প্রমাণ করে, রাজনীতি যদি মানবতা, সহমর্মিতা ও নৈতিকতার সঙ্গে যুক্ত হয়, তবে তা সমাজের জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠতে পারে।

সৈয়দ মহসিন আলীর জন্ম ১৯৪৮ সালের ১২ ডিসেম্বর মৌলভীবাজার জেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। তাঁর পিতা সৈয়দ আশরাফ আলী এবং মাতা আছকিরুন্নেছা খানম পারিবারিকভাবে ধর্মীয় মূল্যবোধ, সামাজিক দায়িত্ববোধ ও মানবিক চেতনায় বিশ্বাসী ছিলেন। এই পারিবারিক পরিবেশেই গড়ে ওঠে মহসিন আলীর চরিত্র—যেখানে মানুষের প্রতি ভালোবাসা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং সমাজের জন্য কিছু করার তাগিদ ছিল স্বাভাবিক প্রবৃত্তি।
ছাত্রজীবনেই তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক অস্থিরতা, ভাষা আন্দোলনের চেতনা এবং বাঙালির অধিকার আদায়ের সংগ্রাম তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। মাত্র ২৩ বছর বয়সে ১৯৭১ সালে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন সংগঠক হিসেবে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। স্বাধীনতার সেই দুর্দিনে তাঁর সাহস, সংগঠকসুলভ দক্ষতা ও দেশপ্রেম ভবিষ্যতের নেতৃত্বের ভিত গড়ে দেয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর সৈয়দ মহসিন আলী কেবল রাজনৈতিক অঙ্গনে নিজেকে আবদ্ধ রাখেননি; বরং সমাজসেবাকে তিনি জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। ১৯৭৬ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত তিনি মহকুমা এবং পরবর্তীতে জেলা রেডক্রিসেন্টের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দারিদ্র্য, রোগব্যাধি ও নানাবিধ মানবিক সংকটে তিনি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন নিঃস্বার্থভাবে। ত্রাণ বিতরণ, চিকিৎসা সহায়তা ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে তাঁর সরাসরি অংশগ্রহণ মানুষের কাছে তাঁকে এক আস্থার নাম করে তোলে।

একই সঙ্গে তিনি শিক্ষার উন্নয়নকে জাতির অগ্রগতির মূল ভিত্তি হিসেবে বিশ্বাস করতেন। সে কারণে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা এবং শিক্ষকদের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে তিনি সর্বদা সচেষ্ট ছিলেন।

এছাড়াও সৈয়দ মহসিন আলী মৌলভীবাজার চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর মাধ্যমে তিনি একদিকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশে অবদান রাখেন, অন্যদিকে সংস্কৃতি, সাহিত্য ও শিল্পচর্চার প্রসারে কার্যকর ভূমিকা পালন করেন। তাঁর কাছে রাজনীতি, সমাজসেবা ও সংস্কৃতি কখনো বিচ্ছিন্ন কোনো ক্ষেত্র ছিল না; বরং মানুষের সামগ্রিক উন্নয়ন, মানবিক মূল্যবোধ ও সুন্দর জীবনের স্বপ্নই ছিল তাঁর সব কর্মকাণ্ডের মূল লক্ষ্য।

সৈয়দ মহসিন আলী আজীবন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য এবং মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (১৯৯৮–২০০৫) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর নেতৃত্বে দলীয় রাজনীতিতে সহনশীলতা ও ঐক্যের চর্চা লক্ষ করা যেত।
১৯৮৪ সাল থেকে পরপর তিনবার তিনি মৌলভীবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পৌরসভা পরিচালনায় দক্ষতা অর্জনের জন্য তিনি থাইল্যান্ড ও ফিলিপাইনে পরিবার পরিকল্পনা, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এর স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৯২ সালে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় থেকে শ্রেষ্ঠ পৌরসভা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং পরবর্তীতে ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৩ আসন থেকে পুনরায় নির্বাচিত হন। ১২ জানুয়ারি ২০১৪ তিনি সমাজকল্যাণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন।
মুক্তিযুদ্ধে অবদান

বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মহসিন আলী ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে এক উজ্জ্বল, গৌরবোজ্জ্বল নাম—যাঁর জীবন ছিল সংগ্রাম, ত্যাগ ও আদর্শে দীপ্ত। ছাত্রাবস্থায় রাজনীতির পথচলায় পা রাখা এই মহান মানুষটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন জীবনবাজি রেখে। চিফ-ইন-কমান্ড (সি-ইন-সি) স্পেশাল ব্যাচের কমান্ডার হিসেবে সিলেট অঞ্চলে তাঁর সাহসী নেতৃত্ব মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল দৃঢ় করেছিল। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি তাঁর অবিচল আস্থা আজীবন তাঁকে আলোকিত করেছে—সিলেট বিভাগীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের কমান্ডার হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন তারই প্রমাণ। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল ও সেক্টর কমান্ডার ফোরামে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা, আর ১৯৯৭ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বে থেকে মানুষের জন্য নিরলস কাজ—সব মিলিয়ে সৈয়দ মহসিন আলী ছিলেন আদর্শনিষ্ঠ এক জননেতা। তাঁর এই অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৭ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার (মরণোত্তর) প্রাপ্তি জাতির পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধারই প্রকাশ। তিনি নেই, কিন্তু তাঁর ত্যাগ, নেতৃত্ব ও দেশপ্রেম চিরকাল বাংলাদেশের হৃদয়ে জ্বলজ্বল করবে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে সৈয়দ মহসিন আলী ছিলেন এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত। তিনি কাগুজে নীতির চেয়ে বাস্তব মানবিক সহায়তায় বিশ্বাস করতেন। নিজ বাপ-দাদার পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে মানুষের চিকিৎসা ও কল্যাণে ব্যয় করেছেন—এমন নজির বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিরল।

তাঁর বাড়িতে কোনো সীমানা প্রাচীর ছিল না, কোনো ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর ছিল না, তবুও যে কেউ যেকোনো সময় তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারত। ভিক্ষুক থেকে শুরু করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ—সবাই বিনা বাধায় তাঁর ঘরে প্রবেশ করতে পারত। তিনি বিশ্বাস করতেন, জনপ্রতিনিধির ঘর মানুষের জন্য খোলা থাকতে হবে।
ঢাকার মিল্টন রোডে তিনি ৬০ লাখ টাকা ধার করে দরিদ্র রোগীদের জন্য একটি আশ্রয় ও চিকিৎসা সহায়তা কেন্দ্র গড়ে তুলেছিলেন। ক্যান্সার, কিডনি, লিভার, হৃদরোগসহ জটিল রোগে আক্রান্ত অসংখ্য মানুষকে তিনি নিজ খরচে দেশে ও বিদেশে চিকিৎসা করিয়েছেন। শুধু ক্যান্সারে আক্রান্ত অন্তত ২১ জনকে বিদেশে পাঠিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছিলেন। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রতি তাঁর স্নেহ ছিল পিতৃসুলভ; অসুস্থ শিক্ষার্থীদের জন্য তিনি নিজের সাধ্যের সবটুকু উজাড় করে দিতেন।
সংস্কৃতিমনা ও সংগীতপ্রেমী মানুষ

সৈয়দ মহসিন আলী ছিলেন একজন প্রকৃত সংস্কৃতিমনা মানুষ। সংগীত ছিল তাঁর জীবনের আনন্দ ও প্রতিবাদের ভাষা। তিনি নিজেই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান গাইতেন। ২০১৪ সালে কলকাতায় ‘নেহেরু সাম্য সম্মাননা’ গ্রহণের পর হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও মান্না দে’র গান গেয়ে তিনি কলকাতাবাসীকে মুগ্ধ করেন। একই দিনে তিনি ‘আচার্য দীনেশ চন্দ্র সেন স্মৃতি স্বর্ণপদক’ লাভ করেন—যা তাঁর সমাজসেবামূলক কাজের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। তিনি মজা করে বলতেন, “নাশকতাকারীদের দেখা মাত্রই গান শুনিয়ে দেবো”—এই উক্তির মধ্যেই ফুটে ওঠে তাঁর সৃজনশীল প্রতিবাদী মন।

মানুষ হিসেবে সৈয়দ মহসিন আলী সমালোচনার ঊর্ধ্বে ছিলেন না। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে ধূমপান এবং কিছু সময়ে তার বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে তিনি সমালোচিত হয়েছেন। তবু তিনি কখনো আত্মরক্ষার জন্য বা অহঙ্কারে পালিয়ে যাননি; বরং নিজের ভুল স্বীকার করতে ও ক্ষমা প্রার্থনা করতে তিনি দ্বিধা করেননি। এই ক্ষমাশীল মনোভাব এবং অন্তরঙ্গ মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি তাকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য ও প্রিয় করে তুলেছে। সমালোচনার মধ্যেও তিনি নিজের নীতি ও মানবিক মূল্যবোধে অটল ছিলেন, যা তার চরিত্রের এক অনন্য দিক।

২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সৈয়দ মহসিন আলী আমাদের মধ্য থেকে চিরতরে বিদায় নেন। নিউমোনিয়া, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগে আক্রান্ত তিনি মৃত্যুর আগমুহূর্তেও তাঁর সহকারীদের স্মরণ করিয়ে দেন—তার রোগীদের যেন কোনো কষ্ট না হয়। এটাই প্রমাণ করে যে জীবদ্দশায় তিনি মানুষকে সর্বাগ্রে ভাবতেন।

তাঁর প্রয়াণের পর হাজার হাজার মানুষ অশ্রুসিক্ত চোখে তাঁর বাড়িতে ছুটে এসেছিল, যেন একজন প্রিয় অভিভাবক, এক স্বপ্নদর্শী নেতা, আমাদের হাতছাড়া হয়ে গেছেন। ২০১৭ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে, যা শুধু তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক অবদানের স্বীকৃতি নয়, বরং এক মহান মানবিক জীবনযাপনের যথার্থ মূল্যায়ন। সৈয়দ মহসিন আলীর জীবন ও কর্ম চিরকালই নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

সৈয়দ মহসিন আলী ছিলেন এমন একজন মানুষ, যাঁকে আমরা হয়তো তাঁর জীবদ্দশায় সম্পূর্ণভাবে উপলব্ধি করতে পারিনি। তিনি নীরবে, প্রচারের আড়ালে মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন, নিজেকে বড় করে তুলে ধরার চেয়ে মানুষের কষ্ট লাঘবকেই গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর প্রয়াণ আমাদের গভীরভাবে উপলব্ধি করিয়ে দিয়েছে—রাজনীতি যদি মানবতা, নৈতিকতা ও ভালোবাসার সঙ্গে যুক্ত হয়, তবে তা কেবল ক্ষমতার চর্চা নয়, বরং সমাজ পরিবর্তনের এক মহৎ হাতিয়ারে পরিণত হতে পারে।
তিনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই গণমানুষের নেতা—যিনি ক্ষমতার দূরত্ব তৈরি করেননি, বরং মানুষের খুব কাছে থেকেছেন। ছিলেন মানবতার এক নিরলস সৈনিক, যিনি নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আবার সংস্কৃতির সাধক হিসেবেও তিনি বিশ্বাস করতেন, গান, শিল্প ও সৌন্দর্যবোধ মানুষের মনকে উদার ও আলোকিত করে। তাই ইতিহাসে সৈয়দ মহসিন আলীর নাম শুধু একজন মন্ত্রী বা রাজনীতিবিদ হিসেবে নয়, বরং একজন মহৎপ্রাণ, মানবিক ও হৃদয়বান মানুষের প্রতিচ্ছবি হিসেবেই স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
হে বীর মুক্তিযোদ্ধা, গণমানুষের প্রিয় অভিভাবক সৈয়দ মহসিন আলী—আপনি ভালো থাকুন অনন্তকালে। আপনার স্মৃতি ও কর্ম আমাদের প্রেরণা হয়ে বেঁচে থাকুক চিরদিন।

লেখক: অনুবাদক ও নির্বাহী প্রধান, টেগোর সেন্টার সিলেট

বাংলাদেশ থেকে আরো পড়ুন