https://www.prothomalony.com/
11314
north-america
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৪ ০৬:৩৪
আগামী ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘বাংলাদেশ সোসাইটি’র নির্বাচনে পূর্ণাঙ্গ প্যানেলে বিজয়ী হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এবং রুহুল-জাহিদ প্যানেলের সভাপতি প্রার্থী রুহুল আমিন সিদ্দিকী। ২৩ অক্টোবর বুধবার একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রুহুল আমিন সিদ্দিকী বলেন, ভোটার সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। গতবারের নির্বাচনেও ভোটারদের নিয়ে অনেক কথা হয়েছিলো, আমরা সেসবে কোনো গুরুত্ব দেইনি। আমরা জানি আমাদের ভোটার সংখ্যা কতটুকু। আমি আশা করি যারা সচেতন ভোটার, তারা এ সমস্ত বিভ্রান্তিতে পড়বেন না।
নির্বাচনের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী জাহিদ মিন্টুর মানবিক কার্যক্রমগুলো তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই সোসাইটিতে সেবা দিয়ে আসছি। আমাদের কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করেছি আমরা কতোটা দায়বদ্ধ। নিউইয়র্কসহ আমেরিকার মানুষজন জানেন প্রবাসীদের চিকিৎসা, বিভিন্ন সাহায্য সহযোগীতা এবং কমিউনিটির কল্যাণে আমরা কতটুকু দায়বদ্ধ।
কার্যক্রম ও সেবার গুনে ভোটাররা রুহুল-জাহিদ প্যানেলকে বিজয়ী করবে বলে মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, আমরা কখনও নিজেদের স্বার্থে কিছু করি না। বরং, প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সব সময় পাশে থাকি। আমরা বিশ্বাস করি জনগণ আমাদের সাথে রয়েছে এবং আমরা তাদের আস্থার মর্যাদা দিতে প্রস্তুত।
নির্বাচিত হলে সামনে ফের নির্বাচন করবেন কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে রুহুল আমিন বলেন, আমার এ বছরও নির্বাচন করার কোন ইচ্ছে ছিলো না। কিন্তু আমার সহযোগী শুভাকাঙ্ক্ষীদের চাওয়া আমি ফেলতে পারিনি। আমাদের কিছু পরিকল্পনা রয়েছে এবার নির্বাচিত হলে একসাথে তা বাস্তবায়ন করতে চাই। এ সময় ভবিষ্যতে নির্বাচনে অংশগ্রহণে নিজের কোন ইচ্ছে নেই বলেও জানান তিনি।
সেই সাথে সব সময় বাংলাদেশ কমিউনিটির পাশে থেকে অতীতের ন্যায় কাজ করে যাওয়ার কথাও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, সামগ্রিক কল্যাণের অঙ্গিকারে ১৯৭৫ সালে ‘বাংলাদেশ সোসাইটি’ প্রতিষ্ঠিত হয়। এবারের নির্বাচনে ১৮ হাজার ৬১৩ ভোটার এবং সরাসরি দুইটি প্যানেল মাঠে রয়েছেন। একটির নেতৃত্বে রুহুল আমিন সিদ্দিকী এবং জাহিদ মিন্টু (রুহুল-জাহিদ প্যানেল) এবং আরেকটির নেতৃত্বে আতাউর রহমান সেলিম ও মোহাম্মদ আলী (সেলিম-আলী প্যানেল)।
নির্বাচন উপলক্ষে গত ৮ সপ্তাহ ধরে প্যানেলভিত্তিক প্রার্থীরা চষে বেড়াচ্ছেন বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা। পোস্টারে ছেয়ে গেছে নিউইয়র্ক সিটির বাংলাদেশি বাণিজ্যিক পাড়াসমূহে। টেলিফোনেও চলছে ভোট প্রার্থনা। রেস্টুরেন্টসমূহে এ উপলক্ষে বেচাকেনা বেড়েছে। পার্টি হলসমূহ প্রতিদিনই লোকে লোকারণ্যে পরিণত হচ্ছে নির্বাচনী সমাবেশ উপলক্ষে। ব্যয়বহুল এই নির্বাচনে সার্বক্ষণিক স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছেন দুই শতাধিক প্রবাসী।
এ উপলক্ষে ৪ শতাধিক ভোটারের ওপর টেলিফোনে পরিচালিত এক জরিপে দুই প্যানেলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে। তবে নির্বাচনের ফলাফল জানতে অপেক্ষা করতে হবে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত।
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন