https://www.prothomalony.com/
8924
north-america
প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২৪ ০৯:২৫
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর রাজনৈতিক দল লিবারেল পার্টির জনপ্রিয়তা কমছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোর বিভিন্ন জনমত জরিপ অনুযায়ী, কানাডিয়ানদের মধ্যে বর্তমান সরকার নিয়ে অসন্তুষ্টি ক্রমশ বাড়ছে। আবাসন সংকট, জীবনযাত্রার খরচ বৃদ্ধি নিয়ে ট্রুডোর সরকারের ওপর নাখোশ তারা।
এ পরিস্থিতিতে কি ক্ষমতা ছাড়ার কথা ভাবছেন তিনি? ফরাসি ভাষার প্রচারমাধ্যম রেডিও-কানাডাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ১৫ মার্চ শুক্রবার ট্রুডো বলেন, প্রতিদিনই তিনি তাঁর ‘পাগল করে দেওয়া কাজ’ ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবেন। তবে তিনি বলেন, দেশটির আগামী নির্বাচনের আগ পর্যন্ত তিনিই ক্ষমতায় থাকছেন।
২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে কানাডার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সমীক্ষায় দেখা গেছে, জনপ্রিয়তায় ডানপন্থী কনজারভেটিভদের তুলনায় ট্রুডোর লিবারেল পার্টি অনেক পিছিয়ে রয়েছে। সমীক্ষা অনুযায়ী, কানাডার ভোটারদের মধ্যে ট্রুডো ক্রমাগত জনপ্রিয়তা হারাচ্ছেন। ২০১৫ সালের নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতায় আসেন ট্রুডো। রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে ক্রমশ বেশি চাপের মুখে পড়ছেন ট্রুডো। বিভিন্ন জরিপে দেখা যাচ্ছে, কানাডিয়ানদের মধ্যে
সাক্ষাৎকারে ট্রুডো বলেন, ‘এ মুহূর্তে লড়াই ছেড়ে পালিয়ে যাব এমন মানুষ আমি নই।’ তিনি ক্ষমতা ছেড়ে দেবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে হাসতে হাসতে ট্রুডো বলেন, ‘প্রতিদিনই সরে যাওয়ার কথা ভাবি। আমি যা করি, তা পাগলের কাজ। অনেক ব্যক্তিগত বিষয়কে বিসর্জন দিতে হয়।’ ট্রুডো আরও বলেন, ‘অবশ্যই এটা অনেক কঠিন একটা কাজ। এটা একই সঙ্গে মহান আর দারুণ কাজ নয়। বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্র এমন আক্রমণের মুখে থাকায় আমরা যে পথে রয়েছি, তা অনিশ্চিত।’
এদিকে ট্রুডো সরকারের সমালোচনা করে কনজারভেটিভদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, লিবারেলরা যে কার্বন কর আরোপ করেছে, ক্ষমতায় এলে তা তারা বাতিল করবে। সরকারের বাজেট ঘাটতির বিষয় তুলে ধরে ট্রুডোবিরোধীরা বলছেন, তাঁরা বাসস্থান সমস্যার সমাধান করবেন এবং অপরাধ কমাবেন।
৫২ বছর বয়সি ট্রুডো বলেন, তিনি রাজনীতিতে এসেছেন 'জনপ্রিয় হওয়ার জন্য নয়, ব্যক্তিগত কারণে নয়'। বরং তিনি দেশের 'সেবা করতে চান এবং তিনি জানেন দেশকে দেওয়ার মতো তার কিছু আছে'। রেডিও-কানাডাকে ট্রুডো বলেন, তিনি রাজনীতির ময়দানেই থাকতে চান।
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন