https://www.prothomalony.com/

8469

decoration

সাজসজ্জা

শিল্পঘর

প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০৮:০৯

ভূমিকাঃ বিয়ে বা বিবাহ! শব্দটাই একটা মধুর অনুভূতি প্রদান করে। বিয়ে মানেই একটি সংসারের শুরু যেখানে থাকবে  প্রেম ভালোবাসা, বিশ্বাস, সম্মান ও অনেকগুলো দায়িত্ব-কর্তব্য। বিয়ে-একটি ভবিষ্যতের পরিকল্পনার সূচনা। বিয়ে যদিও কিছুটা সীমারেখার মধ্যে নিয়ে আসে মানুষকে, তবু বিয়ে মানেই দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন, নৈতিকতার পরিবর্তন। বিয়ে মানুষের জীবনে শৃঙ্খলাও নিয়ে আসে যেখানে সে নিজেকে সাজাতে পারে নতুন রূপে।

'শিল্পঘর' এর যাত্রা শুরু হল আজ আমাদের নতুন প্রজন্মের বিয়ে ভাবনা ও কিছু নতুন দম্পত্তির প্রাণবন্ত ছবি দিয়ে। 'শিল্পঘর' প্রতি মাসে এক পাতা নিয়ে তার যাত্রা অব্যাহত রাখবে। আশা করি আপনারা পাশে থাকবেন।-রোকেয়া দীপা। 

বিয়ে একটি সামাজিক বন্ধন। বিয়ে একটি বৈধ চুক্তি যার মাধ্যমে দু'জন মানুষ দাম্পত্য সম্পর্কে জড়িত হয়। বিভিন্ন দেশে ধর্ম ও সংস্কৃতিভেদে বিয়ের সংজ্ঞার তারতম্য রয়েছে। তবে সার্বিক অর্থে বিয়ে হল সে ব্যবস্থা যার মাধ্যমে দু'জন মানুষ ঘনিষ্ঠ ও শারীরিক সম্পর্ক গড়ে, সন্তান জন্ম ও পরিবার গঠনে সামাজিক স্বীকৃতি লাভ করে।

বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া মানে মানসিক সমর্থন, সাহচর্য এবং আত্মীয়তার অনুভূতি, প্রেমময় এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সম্পর্কে থাকা যা একজনের মনে সুখ আনে। বিয়ের প্রতিশ্রুতি আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তা প্রদান করে। বিয়ে, সন্তান লালন-পালনের একটি উপযুক্ত প্রেক্ষাপট যেখানে বাবা-মা সন্তানের দায়িত্ব ভাগ করে নেয় এবং শিশুদের বেড়ে ওঠার জন্য একটি স্থিতিশীল, প্রেমময় ও নিরাপদ পরিবেশ প্রদান করে। বিয়ে, শারীরিক এবং মানসিক ঘনিষ্ঠতার জন্য একটি সুযোগ প্রদান করে, যা একটি পরিপূর্ণ এবং সুস্থ সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ দিক হতে পারে। বিয়ে, পরিবার, আত্বীয় ও সমাজে একটি শক্তিশালী সমর্থন ব্যবস্থা গড়ে তোলে। বিয়েকে প্রায়শই প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের একটি সামাজিক এবং সাংস্কৃতিকভাবে গৃহীত এবং প্রত্যাশিত দিক হিসাবে দেখা হয় যা একজনের পরিচয় এবং নিজের অনুভূতি প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে। বিয়ে প্রায়ই আইনি অধিকার এবং সুবিধার সাথে আসে যেমন শেয়ার্ড সম্পত্তির অধিকার, উত্তরাধিকার অধিকার। বিয়ে ব্যক্তিগত বৃদ্ধি এবং বিকাশের একটি সুযোগ কারণ ব্যক্তিরা একত্রে বাস করে চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবেলা করতে শিখে, কার্যকরভাবে আপোস করতে এবং যোগাযোগ করতে শেখে। বিয়ে হল অন্য ব্যক্তির প্রতি প্রতিশ্রুতি এবং একজনের জীবনের দায়িত্ব ও উদ্দেশ্যের অনুভূতি প্রদান করা। গবেষণায় দেখা গেছে যে বিবাহিত ব্যক্তিদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং যারা অবিবাহিত তাদের তুলনায় দীর্ঘ আয়ু লাভ করে। বিয়ে হতে পারে পরিবার এবং বন্ধুদের একটি শক্তিশালী সম্প্রদায় গড়ে তোলার একটি সুযোগ। যাইহোক, এটা মনে রাখা জরুরি যে বিয়ে সমস্ত সমস্যার সমাধান নয় এবং এটি সবার জন্য সেরা পছন্দ নাও হতে পারে। বিয়ে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমাদের মূল্যবোধ, লক্ষ্য এবং ব্যক্তিগত পরিস্থিতি বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ।

 

একটা সময় ছিল যখন আমাদের  নিজস্ব কিছু বিশ্বাস নিয়েই আমরা বাস করতাম। এক শহরের লোকেরা অন্য শহরের কারো সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতো না। এক ধর্ম সংস্কৃতি বা জাত গোত্রের লোকেরা তাদের সীমানা বা বৃত্তের বাইরে অন্য কাউকে জীবনসঙ্গী হিসাবে বাছাই করতো না। তবে সময়ের সাথে আমাদের চিন্তা ভাবনার প্রসার বিস্তৃত হয়েছে, হচ্ছে। পশ্চিমা দেশে ও পরিবেশে বেড়ে ওঠা আমাদের নতুন প্রজন্মের বর্তমান জীবন ধারায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। তাদের চিন্তা, আদর্শ, জীবনধারণ ও সংস্কৃতি সহ আমুল পরিবর্তন আমরা দেখতে পাই। এই পরিবর্তনে জ্যানারেশন গ্যাপ খুব স্পষ্টতর হয়ে উঠছে। ইমাম কাজী কাইয়ুম যেমন বলেছেন, "প্রকৃত অর্থে জেনারেশন গ্যাপ হলো এক প্রজন্মের শিক্ষা, আদর্শ, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ আরেক প্রজন্মের মধ্যে প্রজম্মান্তর না হওয়া। জেনারেশন গ্যাপ সৃষ্টির সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হল ভাষার পরিবর্তন, যা আমাদের অনিচ্ছা ও অজান্তেই হয়ে যায়। হয়ে যাওয়াটা খুবই স্বাভাবিকও বটে। ভাষার মাধ্যমে ভাব ও মূল্যবোধ প্রবাহিত হয়। ভাষা পরিবর্তিত হলে পরবর্তী প্রজন্ম পূর্ববর্তী প্রজন্মের মূল্যবোধ গ্রহণ করতে পারে না। ফলে জেনারেশন গ্যাপ তৈরি হয়। পশ্চিমা সমাজে বেড়ে ওঠা মুসলমান প্রজন্মের কাছে মুসলিম সংস্কৃতি গত আরবি ফারসি ভাষার ব্যাপক প্রচলন না থাকায় ১১০০ বছরের সঞ্চিত মূল্যবোধ প্রজম্মান্তর হওয়ার ক্ষেত্রে তৈরি হয়ে প্রতিবন্ধকতা।" 

১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্মগ্রহণ করাদের বলা হয় Z জেনারেশন। তাই ২০২৩ সালের হিসাবে, জেনারেশন Z এর বয়সের পরিসীমা ১১ থেকে ২৬ পর্যন্ত। জেনারেশন Z-এর চিন্তা ভাবনা, আদর্শ অনেকটাই ভিন্ন। তারা আসলে কি চায়, জীবনকে কোন দৃষ্টিতে দেখে, তা বোঝা অনেক অভিভাবকের  জন্য অনেক সময় মুশকিল হয়ে পড়ে। বিয়ের ব্যাপারটা নিয়েও তাদের রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন মতামত। কেউ বিয়ে করতেই চায় না, কেউ পারিবারিক রীতিনীতিতে বিয়েকে অপ্রাসঙ্গিক মনে করে। কেউ জাত, ধর্ম, সংস্কৃতি, বিশ্বাসের বাইরে গিয়ে নিজ পছন্দকে বিয়ের ব্যাপারে উৎসাহিত করে। এ নিয়ে কেবল অভিভাবকরা নন, মনোবিজ্ঞানও মাথা ঘামান। হুইটিয়ার কলেজের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক চার্লস টি. হিল(পিএইচডি)  যেমন বলেছেন, "প্রতিটি প্রজন্মের যুবক-যুবতীকে অবশ্যই তাদের জীবনের লক্ষ্য আবিষ্কার করতে হবে। বিয়ে করা এবং একটি পরিবার শুরু করাকে প্রায়শই লোকেদের তাদের পিতামাতাকে সন্তুষ্ট করার, তাদের নিজস্ব চাহিদা পূরণ করার এবং তাদের প্রাপ্তবয়স্ক এবং যৌন পরিচয় যাচাই করার একটি উপায় হিসাবে দেখা হয়। প্রত্যেককে খুঁজে বের করতে হবে তারা কে এবং তারা কে হতে চায়।"

যাই হোক, জেনারেশন গ্যাপ মোকাবেলা করেই আমাদের আজ বাইরের দেশে বেড়ে উঠা প্রজন্মদের চিন্তা-ভাবনা নিয়ে ভাবতে হয়। তারা মুক্তমনা প্রজন্ম। তাদের তুলনায় আমরা একধাপ পিছিয়ে। যেমনটা আমাদের বাবা-মা আমাদের চিন্তাভাবনা, আদর্শ থেকে পিছিয়ে। তাই সমঝোতা, বিবেচনা, আলোচনা সর্বোপরি তাদের সাথে তাল মিলিয়েই অনেক সময় আমাদের সামনে পা বাড়াতে হয়। আজ আমরা দেখছি অনেকেই নিজ নির্দিষ্ট সংস্কৃতি ও ধর্মের বাইরে বাইরে গিয়ে ভিন্ন সংস্কৃতির ভিন্ন ধর্মের জীবনসঙ্গীকে বেছে নিচ্ছেন। দুই পক্ষ থেকেই নিয়মরীতি পালনের মাধ্যমে বিয়ের কাজটি সম্পন্ন করছে। অনেক অভিভাবকরা এটা মানতে পারেন না। আবার অনেক অভিভাবকরা বিষয়টিকে দেখছেন সন্তানের দৃষ্টিভঙ্গিতে। অনেক অভিভাবক মনে করেন, জীবনসঙ্গী বাছাই করা একদিনের যাত্রা নয়। যে যার সাথে সারাটা জীবন কাটাবে, তাকেই নিজের উপযুক্ত মন মননে মানানসই জীবনসঙ্গীটিকে বাছাই করে নেয়া দরকার। 

এই প্রজন্মও বিশ্বাস করে, মনের মিল, বোঝাপড়া, সম্মান ও বিশ্বাসই হল জীবনসঙ্গী বাছাই করার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তাই তারা আজ নির্দিস্ট সীমানার বাইরে বের হচ্ছে। বাইরের দেশেও মুসলমানদের বিয়ের নিয়মরীতি অনুযায়ী ঘটা করে সম্পন্ন হচ্ছে বিয়ের গুরুত্বপূর্ণ কাজটি। আমেরিকার বিভিন্ন স্টেটে ঘর বা মসজিদ, পার্টিহলে সম্পন্ন হচ্ছে বিয়ের কাজটি। ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতির লোকেরাও উপভোগ করছে আমাদের বিয়ে করার পদ্ধতি, নিয়মে থাকা আয়োজন। আমরা দেখছি, ভিন্ন সংস্কৃতির লেকেরাও আমাদের বিয়ের আয়োজনে কোট-টাই ছেড়ে শাড়ি গহনা, ছেলেদের সাজে দারুণ উপভোগ করছেন।

বিয়ে প্রতিটি মানুষের জীবনের বিশেষ একটি দিন। এই বিশেষ দিনের সাজ ও পোশাকে সকলেই চায় আভিজাত্য আর সৌন্দর্যের ছোঁয়া। বিয়ের শাড়িতে কিংবা পোশাক সম্ভারে লাল, সোনালি, কমলা, গোলাপি- এই ধাঁচের রঙগুলোর উপস্থিতি দেখা যায় বেশি। গত কয়েক দশকে বিয়ের সাজ ও পোশাকে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন এসেছে। বিয়েতে চিরায়ত শাড়ির রঙের ব্যবহার এখনো আগের মতই রয়ে গেলেও কনেরা এখন এই ধারণা ভেঙে সব ধরনের রঙেই শাড়ি বা অন্য পোশাকে অভিনত্ব আনছে বিয়ের সাজে। অনেকেই এখন পোশাকে গাউন কিংবা লেহেঙ্গা, ঘাগরা পরছে। সাদা থেকে শুরু করে সব রঙের ব্যবহার লক্ষণীয় এমন পোশাকে। শুধু পোশাকেই নয়, কনের বিয়ের পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে সাজসজ্জা, গয়না, হাতের পার্স, জুতা পর্যন্ত সবকিছুতেই রঙের পরিবর্তন। বরের বিয়ের পোশাক শেরওয়ানি হলেও এর সঙ্গে প্রিন্সকোট, ব্লেজার বা কটিসহ পাঞ্জাবি পরতে দেখা যাচ্ছে অনেক বরকে। অনেক বর কনের সঙ্গে মিলিয়ে পোশাকের রং নির্বাচন করছেন। 

সদ্য বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া রায়ানের মা সোহানা নাজনীন। তিনি বলেন, "আমেরিকায় থাকা বাঙালি প্রবাসীর সন্তানের সাথে ভিন্ন সংস্কৃতির সন্তানদের বিয়ে বর্তমান সময়ে খুব সাধারণ একটা ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। আজ থেকে পঁচিশ-ত্রিশ বছর আগে যে সমস্ত বাঙ্গালি আমেরিকায় এসেছিলেন তাদের সন্তানেরা বেশির ভাগই এদেশের জন্মগতভাবে নাগরিক। পড়াশোনা শেষ করে মূলধারার সাথে কাজ করছে। তাদের অনেকেই বাঙালি ছাড়াও ভিন্ন দেশ থেকে আসা অভিবাসীদের সন্তান বিয়ে করছে। জীবনসঙ্গী বাছাইয়ের ব্যাপারে এরা হাইস্কুলের সুইটহার্টকেই বেছে নেয়। আমি নিউইয়র্কে বসবাস করছি প্রায় পঁচিশ বছর যাবত। আমার জানা মতে বাঙ্গালি বাচ্চারা অনেকেই ভারতীয় কিংবা পাকিস্তানি বংশোদ্ভুত ছেলে বা মেয়েকে বিয়ে করছে। এই ব্যাপারে তাদের বাবা-মা'রা স্বতঃস্ফূর্ত ভাবেই রাজি হয়ে যাচ্ছে সেইসব প্রস্তাবে। অনেক্ষেত্রে ওরিয়েন্টাল, স্প্যানিশ, মিডল ইস্টার্ন মুসলিমদের প্রতিও তাদের পছন্দ লক্ষ্য করা যায়। দুই ভিন্ন সংস্কৃতির  বিয়ের অনুষ্ঠানগুলো ভীষণ জাঁকজমকপূর্ণ হয়ে থাকে। 

আমার বড় ছেলে রায়ানের বিয়ে হয়েছে মারিয়ামের সাথে, মারিয়ামের বাবা-মা প্রায় আটত্রিশ বছর আগে পাকিস্তান থেকে আমেরিকায় এসেছিলেন। রায়ান এবং মারিয়াম একসাথে ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময় পরিচিত হয়েছে।সেখান থেকে তারা বিয়েতে গড়িয়েছে গত বছরের ডিসেম্বরে। দুটি ভিন্ন দেশের ভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে বিবাহ সম্পন্ন হয়। বৌভাত অনুষ্ঠানের দিন মারিয়ামের পরিবারের সব মেয়েরা শাড়ি পরেছিল। বাঙ্গালি পরিবারের প্রতি সম্মান জানিয়েই তারা এমন সুন্দর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। মারিয়াম নিজেও লাল টুকটুকে বেনারসি পরেছিল। বৌভাতের খাবারের মেনুতে ছিল বিশেষ বাঙ্গালিয়ানার স্বাদের ছোঁয়া। বিয়ের পর মারিয়াম অল্পসল্প বাংলা শিখতে শুরু করেছে। দুই পরিবারের এই রীতি নীতি-ভাষা-পোশাক পরিচ্ছদ-খাবার ইত্যাদির আদান প্রদান বেশ আনন্দের সাথে আমরা উপভোগ করছি।" 

আমরা আজ দেখতে পাই যে, বাঙালি ছেলে মেয়েরা ভিন্ন ধর্ম বা সংস্কৃতির জীবনসঙ্গী বেঁছে নিলেও অনেকেই বিয়ের পর বাংলা ভাষা আয়ত্ত করতে আগ্রহী হচ্ছে। অনেকে ধর্ম বদল করছে। অনেকে বাংলা সংস্কৃতিকে ধারণ করার চেষ্টা করছে। আবার অনেকে দুই পক্ষের ধর্ম সংস্কৃতি বজায় রেখে একে অপরের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসায় গড়ছেন সুন্দর শৃঙ্খল একটি পরিবার। যে যেভাবেই পরিবার গঠন করুক, একটি আস্থার ও নিরাপদ পরিবার হতে পারে আমাদের শিশুদের জন্য সার্বিক দিক থেকে উপকারী যেখানে থাকবে নিজ ধর্মকর্ম, শিক্ষা, মূল্যবোধ, নৈতিকতা, আদর্শ, মানবিকতা ও সামাজীকিকরণের সকল ইতিবাচক উপকরণ। 

মূলত, সব ধর্মেই বিয়ের প্রধান চুক্তিগুলি হল-দুইজন(পুরুষ ও নারী) ব্যক্তির চুড়ান্ত জীবনব্যাপী সম্মিলন, যেখানে তারা একে অন্যের প্রতি সম্মান, শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও ভরসা রাখবে। নিজ ধর্ম, দায়িত্ব-কর্তব্য পালন করবে, অধিকার ও দাম্পত্য প্রেম, কাম বাসনা, বংশবৃদ্ধি সহ একটি সুন্দর সুশৃঙ্খল  পরিবার গঠন করবে। এভাবেই দুই ব্যক্তির মিলন, ঐক্য ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে স্বীকৃত হয়। 

আজ এমনই কিছু বর-কনের বিয়ের ছবি আমরা নিয়ে এসেছি আপনাদের সামনে। শুভ কামনা সকল বর কনেকে। 

সাজসজ্জা থেকে আরো পড়ুন