https://www.prothomalony.com/

5777

new-york

নিউইয়র্ক

একতাই বাংলাদেশি আমেরিকানদের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য : ড. আবু জাফর মাহমুদ

প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৩ ০৯:৫৮

গ্লোবাল পিস অ্যাম্বাসেডর ড. আবু জাফর মাহমুদ বাংলাদেশিদের একে অপরের মধ্যে ভালোবাসা ও সৌহার্দ্য বাড়ানোর উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমাদের মধ্যে কোনো বিভেদ নেই। একতাই আমাদের শক্তি। এটি বাংলাদেশি আমেরিকানদের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

২৩ জুলাই রোববার ব্রংকস এর ফেরি পয়েন্ট পার্কে সিলেটের 'বালাগঞ্জ ও ওসমানীনগর প্রবাসী কল্যাণ সোসাইটি আয়োজিত বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটির কৃতি ব্যক্তিত্ব, বাংলা সিডিপ্যাপ সার্ভিসেস ও অ্যালেগ্রা হোম কেয়ার ইনক্ এর প্রেসিডেন্ট এ- সিইও ড. আবু জাফর মাহমুদ ওই বনভোজন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল ওসমানীর পরিবারের সঙ্গে একাত্ম হতে পারায় আল্লাহ তায়ালার কাছে শুকরিয়া আদায় করেন। একই সঙ্গে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি তিনি মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানীর নামে উৎসর্গ করেন।

'বালাগঞ্জ ও ওসমানীনগর প্রবাসী কল্যান সোসাইটির সভাপতি মিজানুর রহমান মিজানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এনওয়াইপিডি'র কর্মকর্তা খন্দকার আব্দুল্লাহ, সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা ডা. জুননুন চৌধুরী, উপদেষ্টা নাজমুল চৌধুরী, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট ফয়জুর নূর চৌধুরী ও নিউ ইয়র্ক সিটি মেয়র এরিখ এডামস্ এর অফিস প্রতিনিধি।

জুয়ায়েব চৌধুরী ও কাউছার আহমেদের উপস্থাপনায় পিকনিকের সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন সৈয়দ এনাম আহমেদ। অনেকের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডা. আসাদ মিয়া, বিশ্বনাথ সমিতির উপদেষ্টা আলমাস আলী, প্রেসিডেন্ট সেবুল খান মাহবুব, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সহ সভাপতি শাহীন কামালী, মিজানুর রহমান মিজান, সাইফুর  খান হারুন, ফয়েজ চৌধুরী, তানিম চৌধুরী, তোফায়েল আহমেদ, আলম খান, তৌফিকুল আলম, মোহন মিয়া, সারওয়ার চৌধুরী, সেরুজ্জামান শিরু প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আবু জাফর মাহমুদ বাংলাদেশি আমেরিকানদের মানবিক ও জাতিগত বৈশিষ্ট্যের কথা তুলে ধরে বলেন, আমরা আমাদের বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নিয়েই এই সমাজের সঙ্গে যুক্ত। এখানকার বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠির যে বৈশিষ্ট্য, আচার ও স্বভাব আমরা তার থেকে ব্যতিক্রম। আমরা আমাদের ধর্মবোধ ও বাঙালি সংস্কৃতির যে নিজস্বতা তা গভীরভাবে লালন করি। অন্যদের মাঝে তা এক শিক্ষা হিসেবে উপস্থাপন করি। এটি অনেক বড় সামাজিক কাজ। বাংলাদেশি পরিবারের পারিবারিক শৃংখলা, ভালোবাসাবোধ ও নিজস্ব সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে সিলেটের বালাগঞ্জ এক অনন্য ক্ষেত্র। এখানকার মানুষ জন্মের সময় থেকে পরিবারের একান্ত আপন আত্মীয় স্বজনের অসাধারণ ভালোবাসা ও মমতা পেয়ে থাকে। এই ভালোবাসাই প্রতিটি নারী পুরুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হয়ে ওঠে। তিনি বলেন, বনভোজনের আয়োজন শুধু খাওয়া দাওয়া ও বিনোদন নয়, এটি একে অন্যের মাঝে ভাব বিনিময়ের এক অসাধারণ উদ্যোগ। এটি এক সামাজিক পদক্ষেপ।

নিউইয়র্ক থেকে আরো পড়ুন