https://www.prothomalony.com/
5747
new-york
১৬ জুলাই রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশনের বনভোজন ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য়্যরে নীলভূমি ওয়ান্টাগা পার্কে অনুষ্ঠিত এই বনভোজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় তিনশত সাবেক শিক্ষার্থীর পদচারনায় বনভোজনস্থল হয়ে উঠে এক টুকরো মিনি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। বৃষ্টিভেজা আবহাওয়া উপেক্ষা করে সকাল ১০টা থেকেই এলামনাইরা বনভোজন এলাকায় উপস্থিত হতে থাকেন।

সংগঠনের সভাপতি সাঈদা আকতার লিলির উদ্বোধনী বক্তৃতার পর পরই সাধারন সম্পাদক গাজী সামসউদ্দীনের নেতৃত্বে শুরু হয় সকালের নাস্তা পরিবেশন। তাকে সহযোগিতা করেন বনভোজন উপকমিটির আহ্বায়ক রুহুল আমীন সরকার, যগ্ম আহবায়ক মো: ইউসুফ আলী ও সদস্য সচিব লিয়াকত আলী। সকালের নাস্তার পর শুরু হয় খেলাধুলা। বিপুলসংখ্যক এলামনাই ও তাদের পরিবারের সদস্য ও ছেলে-মেয়েদের অংশগ্রহনে বনভোজনের খেলার মাঠ হয়ে উঠে যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় স্টেডিয়াম।
খেলাধুলার অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন গোলাম মোস্তফা, তাজুল ইসলাম ও এম. এস. আলম। তাদেরকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন রুহুল সরকার, মো: ইউসুফ ও লিয়াকত আলী। সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন সাইদা আকতার লিলি ও গাজী সামসউদ্দীন।
খেলাধুলার পরপরই পরিবেশন কারা হয় মধ্যাহ্নভোজ। জ্যামাইকার সাগর রেস্টুরেন্টের মুখরোচক খাবারের মাধ্যমে প্রায় তিনশত এলামনাই, তাদের পবিারের সদস্যবৃন্দ ও সম্মানিত অতিথিবৃন্দ চরম তৃপ্তির সাথে ভোজে অংশ নেন।
শুরু হয় স্মৃতিচারণ ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দের শুভেচ্ছা বক্তৃতা। সভাপতি সাঈদা আকতার লিলির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক গাজী সামসউদ্দীনের পরিচালনায় স্মৃতিচারণ ও আলোচনাসভা প্রানবন্ত হয়ে উঠে। অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এটর্নি মঈন চৌধুরী, ডা: চৌধুরী সারওয়ারুল হাসান।
আলোচনা ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান শেষে সাংস্কৃতিক সম্পাদক নূপুর চৌধুরী ও গোলাম মোস্তফার পরিচালনায় শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গান পরিবেশন করেন রওশন আরা কাজল, ফখরুল আলম ও অন্যান্য শিল্পীরা। পুরুষ্কার বিতরণী ও র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠান অনুষ্ঠানপরিচালনা করেন রুহুল আমীন সরকার, ইউসুফ আলী ও লিয়াকত আলী। বিজয়ীদের হাতে পুরুষ্কার তুলে দেন কার্যকরী সম্পাদক গাজী সামসউদ্দীন, মোল্লা মুনিরুজ্জামান, তাজুল ইসলাম,স্বপন বড়ুয়া, হানিফ মজুমদার, আজাহার আলী খান, এম.এস আলম, সাইফুল ইসলাম, হারুন অর রশীদ, ডা: চৌধুরী সারওয়ারুল হাসান, ফকরুল আলম, একে আজাদ তালুকদার ও প্রবাস বন্ধু এটর্নি মঈন চৌধুরী। পুরস্কার বিতরনের পরপরই শুরু হয় র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠান। ১৩টি র্যাফেল ড্র’র পুরস্কারের মধ্যে আকর্ষণী পরস্কার ছিল এটর্নি মঈন চৌধুরীর দেওয়া নিউইয়র্ক-ঢাকা-নিউয়র্ক এয়ার টিকেট। প্রথম পুরস্কার বিজয়ী হলেন জাহাঙ্গীর আলী।
গোলাম মোস্তফার উপস্থাপনায় ধীরে ধীরে র্যাফেল ড্র'র ১৩জন বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কার যারা স্পন্সর করেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন এটর্নি মঈন চৌধুরী, ডা: চৌধুরী সারওয়ারুল হাসান, গিয়াস আহমেদ, তৈয়বুর রহমান হারুন, আজাহারুল আলী খান, হানিফ মজুমদার, খলিলুর রহমান, পরিধান, একে আজাদ তালুকদার, মোহাম্মদ আলম জঙ্গী, সৈয়দ মিজান রহমান, তিতাস সুপার মার্কেট। সন্ধায় সভাপতি সাঈদা আকতার লিলি উপস্থিত সকল এলামনাই, তাদের পরিবারবর্গ ও আমন্ত্রিত অতিথিদের ধন্যবাদ জানিয়ে বনভোজনের সমাপ্তি ঘোষনা করেন।
নিউইয়র্ক থেকে আরো পড়ুন