https://www.prothomalony.com/

5492

new-york

নিউইয়র্ক

আওয়ামী লীগ নেত্রী আইরিন পারভিনকে অবাঞ্ছিত ঘোষনা

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৩ ০০:০০

২৫ জুন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক আইরিন পারভিনকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়েছে,  দলটির বাফেলো আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এ ঘোষনা দেয়া হয়েছে। বাফেলো আওয়ামী লীগ নিউইয়র্কের সভাপতি আব্দুল এম খান ফাহিম ও সাধারন সম্পাদক কবির হোসেন হাওলাদার পোদ্দার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে পারভিনকে অবাঞ্চিত ঘোষনা ও তার কর্মকান্ডের নিন্দা করা হয়েছে।

বাফেলো আওয়ামী লীগের প্যাডে স্বাক্ষরিত ঘোষণায় বলা হয়, গত ২৩ জুন দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর নামে দলের যুক্তরাষ্ট্র ও নিউইয়র্ক স্টেট আওযামীলীগের নেতৃত্বের বিরোধিতাকারীদের নিয়ে তিনি এক সভা করেন। বাফেলোতে গনতান্ত্রিকভাবে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত কমিটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের বিরুদ্ধে তিনি ও তার অনুসারিরা বক্তব্য রাখেন। এতে দলের অনেক ক্ষতি হয়েছে। শুধু তাই নয়, আইরিন পারভিন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান ও সাধারন সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদের বিরুদ্ধে মানহানিকর বক্তব্য দেন। তিনি জননেত্রী শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ এর নাম ব্যবহার করে নিজেকে শক্তিশারী বলে জাহির করেছেন। আইরিন পারভিন জননেত্রী শেখ হাসিনার মিশন ও ভিশন বাস্তবায়নে বাধার সৃষ্টি করছেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। একই সাথে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের কাছে দাবি আইরিন পারভিনের বিরুদ্ধে অবিলম্বে শাাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হোক

এদিকে নিউইয়র্কের কুইন্সে আইরিন পারভিন দলের বিপথগামীদের নিয়ে সভা সমাবেশ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের কাছে এ ব্যাপারে দৃষ্টি আর্কষন করলে তিনি প্রতিবেদককে বলেন, বাফেলোর কমিটি গনতান্ত্রিকভাবে ভোটের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। এ কমিটির ব্যবপারে কারও বিন্দুমাত্র আপত্তি থাকবার কথা নয়। আইরিন পারভিনের ব্যাপারে আমার কোন প্রতিক্রিয়া নেই। তবে দলে যে যেমন কাজ করবেন তেমনই প্রতিদান পাবেন।

এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক আইরিন পারভিন প্রতিবেদককে বলেন, একটি ইউনিয়ন কমিটি কি বললো, কি করলো তাতে আমার কিছু আসে যায় না। আমার ব্যাপারে তাদের কিছু করার রাইটও নেই। একমাত্র নেত্রী শেখ হাসিনাই আমার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তার আগ্রহেই আমি যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হয়েছি

আইরিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্র কমিটি হয়েছে। নতুন কমিটি গঠনের খবর নেই। কিন্তু সিদ্দিকুর রহমানরা বিভিন্ন শহরে গিয়ে কমিটি করে বেড়ান। এ সবের হেতু কি? তিনি বলেন, দলের ভাপপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবাষির্কী উপলক্ষ্যে গুলশান ট্যারেসে অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিলাম। তা ব্যর্থ করতে ড. সিদ্দিকুর রহমান ও ইবাদ চৌধুরীরা সবরকম চেষ্টা করেছে। আমি এতে ভীষন ক্ষুব্ধ হয়েছি। এটি আমার কোন ব্যক্তিগত অনুষ্ঠান ছিল না। ছিল দলের অনুষ্ঠান। এতে কেন তারা বিরোধিতা করবেন।
 

নিউইয়র্ক থেকে আরো পড়ুন