https://www.prothomalony.com/

5276

new-york

নিউইয়র্ক

ব্রঙ্কস ইসলামিক সেন্টার অ্যান্ড জামে মসজিদে শাহজালাল (রাঃ) ওফাত দিবস পালিত

প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৩ ০৬:৩৮

নিউইয়র্কের নর্থ ব্রঙ্কস ইসলামিক সেন্টার অ্যান্ড জামে মসজিদে বিখ্যাত সুফি ও দরবেশ হযরত শেখ শাহজালাল মুজার্রাদ ইয়ামনী (রাহ:) এর ৭০৪তম ওফাত দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে  ১১ জুন রোববার নর্থ ব্রঙ্কস ইসলামিক সেন্টার অ্যান্ড জামে মসজিদ এবং আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত ব্রঙ্কস শাখার উদ্যোগে আলোচনা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত ইউএসএর সভাপতি আল্লমা সৈয়দ জুবায়ের আহমদ। নর্থ ব্রঙ্কস ইসলামিক সেন্টারের সেক্রেটারী আলহাজ্ব মুহাম্মদ ইকবাল হুসাইনের পরিচালনায় এবং সভাপতি আলহাজ্ব সৈয়দ জামিন আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহমান, মাওলানা শাহান শাহ এহিয়া এবং নর্থ ব্রঙ্কস ইসলামিক সেন্টার অ্যান্ড জামে মসজিদের ইমাম হাফিজ মোসাদ্দিক আহমেদ।

সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন নর্থ ব্রঙ্কস ইসলামিক সেন্টারের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি শাহ জাকারিয়া, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ মাহবুব হোসাইন, সহ কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ রাহুল ইসলাম, কার্যকরী সদস্য সৈয়দ ইসাক আলী, মো. আব্দুল হক হেলাল, নজমুল খান, মো. আব্দুল ছালেক, মো. মহি উদ্দিন, লুৎফুর শাহজাহান, মো. আতাউর রহমান প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, হযরত শাহ জালাল (রাহ:) এর জন্মভূমি ছিল প্রাচীন আরবে আযমের হেজাজ ভূমির তৎকালীন প্রদেশ ইয়ামেন দেশের কুনিয়া নামক শহরে। তিনি ৭০৩ হিজরী মোতাবেক ১৩০৩ খ্রিষ্টীয় সালে ৩২ বছর বয়সে ইসলাম ধর্ম প্রচারের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে এসেছিলেন। সিলেটে তাঁর মাধ্যমেই ইসলামের বহুল প্রচার ঘটে। সিলেট বিজয়ের পরে শাহ জালাল (রাহ:) এর সঙ্গী-অনুসারীদের মধ্য হতে অনেক পীর-দরবেশ এবং তাদের পরে তাদের বংশধরগণ সিলেটসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে গিয়ে বসবাস ও ইসলাম প্রচার করেন। হযরত শাহ জালাল (রাহ:) এর সফরসঙ্গী ৩৬০ জন আউলিয়ার সিলেট আগমন ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।

আল্লামা জুবায়ের আহমদ প্রধান অতিথির বক্তব্যে হযরত শাহ জালাল (রাহ:) এর জীবনের নানা দিক উল্লেখ করে বলেন, রাছুলে আকরাম (দ:) আমাদের জন্য দু’টি জিনিস রেখে গেছেন। আল কোরআন এবং আল ছুন্নাহ ও তাঁর আহলে বায়াত। হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর পর আর কোনো নবী আসবে না। হযরত শাহ জালাল (রাহ:) স্বনামখ্যাত আহলে বায়াত। তিনি বলেন, কুরআন-হাদিসের নির্দেশিত পথে চলার মাধ্যমেই ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তি লাভ সম্ভব।

পরে সালাম, ক্বিয়াম, বিশেষ মুনাজাত ও তবারক বিতরণের মাধ্যমে শেষ হয় পবিত্র মাহফিল। দেশ, জাতির কল্যাণ ও বিশ্ব শান্তির জন্য দোয়া করা হয়। বিপুল সংখ্যক মুসল্লী এ মাহফিলে যোগ দেন।

নিউইয়র্ক থেকে আরো পড়ুন