https://www.prothomalony.com/

18532

new-york

নিউইয়র্ক

নিউইয়র্কে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের ফান্ডরাইজিং ডিনার, সংগ্রহ প্রায় ১০ লাখ ডলার

প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০২৬ ০৫:৫৩

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের (জেএমসি) সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়নে আয়োজিত ফান্ডরাইজিং ডিনার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। গত ২৪ অক্টোবর (শনিবার) লাগার্ডিয়া এয়ারপোর্ট ম্যারিয়ট হোটেলে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের বোর্ড অব ট্রাস্টিজ ও কার্যনির্বাহী কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রায় ১০ লাখ মার্কিন ডলার তহবিল সংগ্রহ করা হয়েছে। এতে ৫০ ডলার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১ লাখ পর্যন্ত অনুদান দেন মুসল্লিরা। এতে নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন এলাকার মুসলিম কমিউনিটির সদস্য, প্রবাসী বাংলাদেশি, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, ব্যবসায়ী ও শুভানুধ্যায়ীরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও ধর্মীয় বক্তা শেখ উসমান বিন ফারুক। অতিথি বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামি গবেষক শেখ ড. জাকির আহমেদ, জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের প্রধান ইমাম আবু জাফর বেগ এবং প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ইমাম শামসি আলী।

অনুষ্ঠানে বক্তারা জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে নিউইয়র্কে ক্রমবর্ধমান মুসলিম জনগোষ্ঠীর চাহিদা বিবেচনায় প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামো সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। তাঁরা বলেন, নতুন প্রজন্মের মধ্যে ধর্মীয় শিক্ষা ও মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়া এবং কমিউনিটির সদস্যদের জন্য একটি কার্যকর সামাজিক ও শিক্ষামূলক পরিবেশ গড়ে তুলতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের অনুদান ও সহযোগিতায় প্রায় ১০ লাখ মার্কিন ডলার সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে। সংগৃহীত অর্থ জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় করা হবে।

তহবিল সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনায় গঠিত কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আফতাব মান্নান। এ উদ্যোগে সম্পৃক্ত ছিলেন জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ডা. মোহাম্মদ এম রহমান তুহিন, সভাপতি ডা. নাজমুল এইচ খান এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার।

উল্লেখ্য, জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার নিউইয়র্কের অন্যতম প্রাচীন ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি ধর্মীয় শিক্ষা, ইবাদত, সামাজিক সম্পৃক্ততা ও কমিউনিটির কল্যাণে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এসব কার্যক্রমের পরিধি আরও বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

নিউইয়র্ক থেকে আরো পড়ুন