https://www.prothomalony.com/
18527
north-america
প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০২৬ ০১:৫৯
স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতিকাল আরও তিন বছর বাড়ানোর প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করেছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ। এর ফলে এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের নির্ধারিত সময়সীমা বেড়ে ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত পৌঁছাল।
বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। বর্তমান সরকারের জন্য একে একটি বড় কূটনৈতিক অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে অর্থনীতির সক্ষমতা বাড়ানো, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং এলডিসি-সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সুবিধা ও আন্তর্জাতিক সহায়তা হারানোর সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশ অতিরিক্ত প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ পাবে।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান এ বিষয়ে বলেন, “বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণ করছে শুধু আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়ার কারণে নয়, বরং উত্তরণ আমাদের জনগণের আকাঙ্ক্ষা। এটি একটি জাতীয় অপরিহার্যতা এবং আমাদের সরকার এ লক্ষ্য অর্জনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”
নতুন সরকার গঠনের পর গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর আবেদন করে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, জ্বালানি ও সরবরাহব্যবস্থার ঝুঁকি এবং অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় নিয়ে এই আবেদন করা হয়েছিল। এরপর জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতিবিষয়ক কমিটি (সিডিপি) সুপারিশ করলে গত ২১ জুলাই অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক) প্রস্তাবটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সাধারণ পরিষদে প্রেরণ করে।
আবেদনের পক্ষে কূটনৈতিক তৎপরতা চালাতে সরকার তিন বছরের একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। বর্ধিত এই সময়ে কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করা, রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনা এবং প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি প্রতিযোগিতামুখী ও টেকসই অর্থনীতি গড়ে তুলতে কাজ করবে বাংলাদেশ।
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন