https://www.prothomalony.com/

18496

north-america

উত্তর আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে ১ নভেম্বর শেষ হচ্ছে ডে-লাইট সেভিং টাইম, ঘড়ির কাঁটা পেছাবে এক ঘণ্টা

প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ০৩:৩৪

যুক্তরাষ্ট্রে আগামী রোববার, ১ নভেম্বর শেষ হচ্ছে ডে-লাইট সেভিং টাইম (ডিএসটি)। এদিন স্থানীয় সময় রাত ২টার সময় ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছনে নিয়ে রাত ১টা করতে হবে। এর ফলে ওই রাতে মানুষ অতিরিক্ত এক ঘণ্টা সময় পাবেন। নিউইয়র্কসহ ডে-লাইট সেভিং টাইম অনুসরণকারী যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ অঙ্গরাজ্যে এ নিয়ম কার্যকর হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেকনোলজির (এনআইএসটি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ৮ মার্চ ডে-লাইট সেভিং টাইম শুরু হয়েছিল। নভেম্বরের প্রথম রোববার এ ব্যবস্থার সমাপ্তির মধ্য দিয়ে আবার স্ট্যান্ডার্ড টাইম বা প্রচলিত সময়ব্যবস্থা চালু হবে। আগামী বছর ১৪ মার্চ আবার ডে-লাইট সেভিং টাইম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

ডে-লাইট সেভিং টাইমের মূল উদ্দেশ্য হলো বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে দিনের আলোকে মানুষের দৈনন্দিন কাজের সময়সূচির সঙ্গে আরও ভালোভাবে সমন্বয় করা। এ ব্যবস্থা চালু হলে বসন্তে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে নেওয়া হয়, যাতে বিকেল ও সন্ধ্যায় দিনের আলো বেশি সময় পাওয়া যায়। অন্যদিকে শরতে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছানো হয়। ফলে সময় পরিবর্তনের পর সকালে তুলনামূলক বেশি আলো পাওয়া গেলেও সন্ধ্যায় দ্রুত অন্ধকার নেমে আসে।

নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলে সময় পরিবর্তনের কারণে কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী, যাত্রী এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন সময়সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে। বিশেষ করে যাঁরা ভোরে কাজে যান কিংবা সন্ধ্যায় বাইরে থাকেন, তাঁদের নতুন সময়ের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হতে পারে। সময় পরিবর্তনের আগে ও পরে ঘুমের নিয়মিত রুটিন বজায় রাখা, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া এবং সকালে প্রাকৃতিক আলোতে কিছু সময় কাটানো শরীরের দৈনন্দিন ছন্দের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সহায়তা করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ অঙ্গরাজ্যে ডে-লাইট সেভিং টাইম অনুসরণ করা হলেও হাওয়াই এবং অ্যারিজোনার অধিকাংশ এলাকায় এ ব্যবস্থা চালু নেই। ফলে এসব অঞ্চলে ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তন করতে হবে না। যুক্তরাষ্ট্রে ডে-লাইট সেভিং টাইম স্থায়ীভাবে চালু রাখা হবে, নাকি বছরে দুবার সময় পরিবর্তনের বর্তমান ব্যবস্থা বহাল থাকবে, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে। তবে বর্তমানে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, নভেম্বরের প্রথম রোববার ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছানো এবং পরবর্তী বছরের মার্চে আবার এক ঘণ্টা এগিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে।

 ১ নভেম্বর রাতে ঘড়ির সময় পরিবর্তনের বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে। অধিকাংশ স্মার্টফোন, কম্পিউটার ও ইন্টারনেট-সংযুক্ত যন্ত্রে সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তিত হলেও দেয়ালঘড়ি, হাতঘড়ি ও অন্যান্য যন্ত্রে প্রয়োজনে সময় নিজ হাতে ঠিক করে নিতে হবে।
 

উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন