https://www.prothomalony.com/
18494
new-york
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ০৮:৩৩
নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল পদে ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান ডেমোক্র্যাট অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া ‘টিশ’ জেমস ও রিপাবলিকান প্রার্থী সারিথা কোমাতিরেড্ডি। ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে দুই প্রার্থীই নিজ নিজ দলের প্রাথমিক নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মনোনয়ন পেয়েছেন।
জানা গেছে, ২০১৯ সালে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া লেটিশিয়া জেমস পুনর্নির্বাচিত হলে কর্মজীবী পরিবারের ব্যয় কমানো, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা, শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা এবং ভোক্তাদের স্বার্থে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
ব্রুকলিনে জন্ম নেওয়া জেমস নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের প্রথম নির্বাচিত নারী অ্যাটর্নি জেনারেল এবং রাজ্যব্যাপী কোনো পদে দায়িত্ব পালনকারী প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী। তার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দায়িত্ব পালনকালে ভোক্তাদের ক্ষতিপূরণ ও স্বার্থ রক্ষায় ৯০০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ আদায় করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েও ৫০টির বেশি মামলা করেছেন তিনি।
অন্যদিকে রিপাবলিকান প্রার্থী সারিথা কোমাতিরেড্ডি একজন আইনজীবী এবং কলাম্বিয়া ল স্কুলের শিক্ষক। তিনি হল্টজম্যান ভোগেল আইন প্রতিষ্ঠানের অংশীদার। ২০২০ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে নিউইয়র্কের ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টের ফেডারেল জেলা আদালতের বিচারক পদে মনোনয়ন দিয়েছিলেন।
নির্বাচিত হলে জননিরাপত্তা জোরদার, মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সমস্যা মোকাবিলা এবং নিউইয়র্কবাসীর অধিকার সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সারিথা। তার প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে জামিন ছাড়া কাউকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য বিপজ্জনক আচরণ বিবেচনা করা এবং গৃহহীনদের আশ্রয়কেন্দ্রের নিরাপত্তা পরিস্থিতি তদন্ত করা।
এর আগে সরকারি কর্মকর্তা, কৌঁসুলি ও জাতীয় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেছেন সারিথা। আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ, সাইবার অপরাধ, মাদক পাচার, অর্থপাচার ও জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অপরাধসংক্রান্ত মামলায় কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।
নিউইয়র্কের আইন প্রয়োগ, জননিরাপত্তা, ভোক্তা অধিকার ও সরকারি জবাবদিহি নিয়ে দুই প্রার্থীর ভিন্ন অবস্থান এবারের নির্বাচনে ভোটারদের আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে।
নিউইয়র্ক থেকে আরো পড়ুন