https://www.prothomalony.com/
18490
north-america
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ০৮:২৭
যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম সার্কিট আপিল আদালত রায় দিয়েছেন, দেশটিতে বৈধভাবে প্রবেশের অনুমতি ছাড়া আসা নির্দিষ্ট শ্রেণির অভিবাসীদের বহিষ্কার প্রক্রিয়া চলাকালে বন্ড শুনানি ছাড়াই আটক রাখতে পারবে অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থা (আইস)। গত ২৩ অক্টোবর ১০-৭ ভোটে দেওয়া এ রায়ে আগের একটি সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়েছে, যেখানে ৯০ দিনের মধ্যে শুনানির নির্দেশ ছিল।
আদালতের রায় অনুযায়ী, বৈধভাবে প্রবেশের অনুমতি ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে আসা অভিবাসীদের আটক রাখার ক্ষেত্রে তারা পালিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করছেন কি না বা জননিরাপত্তার জন্য হুমকি কি না, তা যাচাই করতে ব্যক্তিগত শুনানি বাধ্যতামূলক নয়। এ সিদ্ধান্ত টেক্সাস, লুইজিয়ানা ও মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যে কার্যকর নজির হিসেবে প্রযোজ্য হবে।
মামলাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিন অভিবাসী দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের পর আইসের হাতে আটক হন। তাদের মধ্যে মেক্সিকোর নাগরিক ইগ্নাসিও সোসনাভা রদ্রিগেজ ২২ বছরের বেশি সময় দেশটিতে ছিলেন। আরেক মেক্সিকান নাগরিক আলেহান্দ্রো ভিলেগাস অ্যাঞ্জেলের যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া দুই সন্তান রয়েছে। হন্ডুরাসের নাগরিক মিগেল অ্যাঞ্জেল গোমেজ আলভারাদো ২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন এবং তার এক সন্তান মার্কিন নাগরিক।
এর আগে নিম্ন আদালত শুনানি ছাড়াই তাদের আটক রাখাকে সংবিধানের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার অধিকারের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেছিলেন। তবে আপিল আদালতের সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকরা অভিবাসন আইনের ১২২৫ ধারার অধীনে তাদের বাধ্যতামূলকভাবে আটক রাখার পক্ষে রায় দেন।
সাত বিচারক এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন। তাদের মতে, দীর্ঘ সময় আটক থাকা অভিবাসীদের আটকাদেশ চ্যালেঞ্জ করার সাংবিধানিক সুযোগ থাকা প্রয়োজন।
এদিকে, ১ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট একই ধরনের একটি মামলার শুনানিতে সম্মতি দিয়েছেন। ওই মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে আটক অভিবাসীদের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক আটকসংক্রান্ত ১২২৫ ধারা, নাকি বন্ড শুনানির সুযোগ থাকা ১২২৬ ধারা প্রযোজ্য হবে, তা নির্ধারণ করা হবে। সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত অভিবাসীদের আটকসংক্রান্ত নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন