https://www.prothomalony.com/

18491

new-york

নিউইয়র্ক

নিউইয়র্কের গভর্নর পদে লড়াইয়ে ক্যাথি হোকুল ও ব্রুস ব্লেকম্যান

প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ০৮:২৯

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের গভর্নর পদে ২০২৬ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান ডেমোক্র্যাট গভর্নর ক্যাথি হোকুল ও রিপাবলিকান প্রার্থী ব্রুস ব্লেকম্যান। দ্বিতীয় পূর্ণ মেয়াদে নির্বাচিত হতে চান হোকুল। অন্যদিকে, নাসাউ কাউন্টির নির্বাহী কর্মকর্তা ব্লেকম্যান কর কমানো, জননিরাপত্তা জোরদার ও অভিবাসন নিয়ন্ত্রণকে গুরুত্ব দিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন।

নিউইয়র্কের প্রথম নারী গভর্নর ক্যাথি হোকুল ২০২২ সালের নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী লি জেলডিনকে পরাজিত করে নির্বাচিত হন। তার প্রশাসনের উল্লেখযোগ্য উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে শিশু পরিচর্যা, শিক্ষা, মধ্যবিত্তের জন্য করছাড় এবং আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন জোরদার করা। গর্ভপাতের অধিকার সুরক্ষায়ও উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।

তবে পরিবেশনীতি নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন হোকুল। কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সময়সীমা ২০৩০ থেকে বাড়িয়ে ২০৪০ সাল নির্ধারণ করায় প্রগতিশীলদের একাংশ অসন্তোষ জানিয়েছে। অন্যদিকে, রিপাবলিকানদের অভিযোগ, অঙ্গরাজ্যে জীবনযাত্রার ব্যয়, করের বোঝা ও সরকারি বিধিনিষেধ ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।

রিপাবলিকান প্রার্থী ব্রুস ব্লেকম্যান ২০২১ সালে নাসাউ কাউন্টির নির্বাহী কর্মকর্তা নির্বাচিত হন। ২০২৫ সালে পুনর্নির্বাচিত হয়ে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। এর আগে হেম্পস্টেড টাউন কাউন্সিলে দায়িত্ব পালন এবং নিউইয়র্ক ও নিউ জার্সির বন্দর কর্তৃপক্ষের কমিশনার হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।

ব্লেকম্যানের নির্বাচনী অঙ্গীকারের মধ্যে রয়েছে সম্পত্তি কর ও বিক্রয় কর না বাড়ানো, জননিরাপত্তা জোরদার এবং অভিবাসন আইন প্রয়োগে কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতা। তবে অভিবাসন প্রয়োগে তার প্রশাসনের কিছু উদ্যোগ নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে সমর্থন জানান।

নির্বাচনের আগে প্রকাশিত জনমত জরিপেও দুই প্রার্থীর সমর্থনের ব্যবধান নিয়ে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। কুইনিপিয়াক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেপ্টেম্বরের জরিপে হোকুল ১৯ শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন। অন্যদিকে, সিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জরিপে তিনি ব্লেকম্যানের চেয়ে ৯ শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন। তবে জরিপের ফলাফল নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল নিশ্চিত করে না।

জীবনযাত্রার ব্যয়, করনীতি, জননিরাপত্তা, অভিবাসন এবং পরিবেশনীতি এবারের নির্বাচনে দুই প্রার্থীর প্রচারের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। ভোটারদের সিদ্ধান্তেই নির্ধারিত হবে নিউইয়র্কের পরবর্তী গভর্নর।

নিউইয়র্ক থেকে আরো পড়ুন