https://www.prothomalony.com/
15755
opinion
প্রকাশ: ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ০১:১৭
ধর্মের দোহাই ও খুনের উন্মাদনা: দীপু হত্যা ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি
একটি সভ্য দেশে আইনের শাসন থাকার কথা থাকলেও, সাম্প্রতিক সময়ে ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার’ স্লোগান দিয়ে কাউকে পিটিয়ে বা পুড়িয়ে মারার মতো ঘটনা কেবল একটি অপরাধে সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং তা রাষ্ট্র ও সমাজের সামগ্রিক ব্যর্থতার দালিলিক প্রমাণ হয়ে দাঁড়ায়। ধর্মের পবিত্র বাণীতে যেখানে শান্তির বার্তা থাকে, সেখানে একে কেন জিঘাংসার হাতিয়ার বানানো হচ্ছে, তা আজ এক বড় প্রশ্ন।
ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক কারখানার শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসকে (২৭) ধর্ম অবমাননার দায়ে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। আজকের দিন পর্যন্ত দীপু হত্যা ঘটনায় মোট ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরই মধ্যে ১২ জনের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। কিন্তু ঘটনা এখানেই শেষ হয়ে যায়নি।
‘নারায়ে তাকবির’ দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত ‘নারায়ে’ ও ‘তাকবির’। ‘নারায়ে’ শব্দটি ফারসি। উর্দুতেও ‘নারায়ে’ শব্দের ব্যবহার আছে। এর অর্থ ধ্বনি বা উচ্চ আওয়াজ। আর দ্বিতীয় অংশ ‘তাকবির’ আরবি শব্দ। এর অর্থ আল্লাহর বড়ত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করা ‘তাকবির’ ধ্বনি দেওয়া ও ‘আল্লাহু আকবার’ বলা। ফারসি/উর্দু ও আরবি শব্দের সংমিশ্রণে ‘নারায়ে তাকবির’ এর অর্থ হলো, ‘তোমরা উচ্চ আওয়াজে আল্লাহর বড়ত্বের ঘোষণা দাও।’
ধর্ম নিয়ে আমার বিশেষ কোনো জ্ঞান নেই। আমি অতি সাধারণ নগণ্য এক মানুষ। তবে বিভিন্ন তথ্যসূত্র ঘেঁটে যতটা জেনেছি, ওয়াজ-মাহফিল, ইসলামী জলসা, ইজতেমা ইত্যাদি ধর্মীয় সমাবেশে বক্তার কথা বা আবেগপূর্ণ অংশের পর উপস্থিত জনতাকে উদ্দীপিত করতে, ধর্মীয় বা ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলের মিছিল-মিটিং, বিক্ষোভ বা জনসমাবেশে আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা ও অংশগ্রহণকারীদের উদ্দীপনা বাড়াতে, বিশেষ আনন্দঘন ধর্মীয় মুহূর্তে বা আল্লাহর কোনো বড় নেয়ামত স্মরণে আবেগঘন স্লোগান হিসেবে এই শব্দের ব্যবহার করা হয়।
‘নারায়ে তাকবির’ এই স্লোগান সরাসরি কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত হয়নি। তবে ‘তাকবির’, অর্থাৎ আল্লাহু আকবার বলা শুদ্ধ ও প্রতিষ্ঠিত ইবাদত। আলেমদের অনেকেই বলেন, যেহেতু এতে আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণাই উদ্দেশ্য এবং বাক্যে কোনো শরিয়তবিরোধী অর্থ নেই, তাই সীমালঙ্ঘন, অশান্তি বা ফিতনা সৃষ্টি না করে এটি ব্যবহার করা বৈধ। তবে সালাতের ভেতরে বা এমন স্থানে, যেখানে অনর্থক উচ্চস্বরে চিৎকারে মানুষের ইবাদত, পড়াশোনা বা বিশ্রাম নষ্ট হয়, সেখানে এই স্লোগান না দেওয়া উত্তম।
সে অর্থে, কাউকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে পিটিয়ে বা পুড়িয়ে মারা তো দূরের কথা, এ ধরনের হত্যাকে সমর্থন করাও ইসলামের নীতির ঘোর বিরোধী এবং একটি আধুনিক রাষ্ট্রের আইনি কাঠামোর সঙ্গেও সম্পূর্ণ অসঙ্গত।
কোরআনে স্পষ্টভাবে ন্যায়বিচার ও প্রক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে; ব্যক্তিগত প্রতিশোধ বা দলীয় উন্মাদনা দিয়ে শাস্তি কার্যকর করার অনুমতি নেই। বিচারকার্য রাষ্ট্র ও যোগ্য কাজি/আদালতের বিষয়। বাংলাদেশের দণ্ডবিধি ও সংবিধান অনুসারে অভিযোগ যাই হোক, আইন নিজের হাতে নেওয়া ‘লিঞ্চিং’ অপরাধ; যে বা যারা এতে অংশ নেয়, তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে হত্যা মামলাই প্রযোজ্য। আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা করার যে স্লোগান, সেটিকে যদি মারধর, অগ্নিসংযোগ বা হত্যার মুহূর্তে যুদ্ধের চিৎকারে বদলে ফেলা হয়, তা ধর্মের পবিত্রতা কলুষিত করে এবং ঈমানি আবেগকে রাজনৈতিক/গণউন্মাদনার অস্ত্রে পরিণত করে। আলেমদের একটি অংশ স্পষ্ট করে বলেছেন, ফিতনা, ভয় সৃষ্টি, মারামারি, ভাঙচুর বা সহিংসতায় এই ধরনের স্লোগান ব্যবহার করা শরিয়তের উদ্দেশ্য ও ইসলামের ভাবমূর্তির বিরুদ্ধে; এতে আল্লাহর নামও অপমানিত হয়।
ধর্ম শান্তি ও সহনশীলতার কথা বললেও একশ্রেণির স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য সাধারণ মানুষের ধর্মীয় আবেগ ও অনুভূতিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে। গুজব ছড়িয়ে বা তথাকথিত ‘অবমাননার’ অভিযোগ তুলে কাউকে পুড়িয়ে মারা কোনো ধর্মই সমর্থন করে না। কিন্তু তারপরও দীপু চন্দ্র দাস এই নৃশংসতার শিকার। দীপু চন্দ্র দাসের হত্যাকাণ্ড কেবল একটি বিচ্ছিন্ন সহিংসতা নয়; বরং এটি দীর্ঘদিনের বিচারহীনতার সংস্কৃতির এক ভয়াবহ বহিঃপ্রকাশ। এই ধরনের ঘটনার পেছনে সরকারের কিছু সুনির্দিষ্ট দায়বদ্ধতা ও আইনি দুর্বলতা পরিলক্ষিত হয়।
অতীতে ধর্মীয় অবমাননার অজুহাতে বা সাম্প্রদায়িক উসকানিতে যেসব হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, সেগুলোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হতে আমরা দেখিনি। যখন অপরাধীরা দেখে যে ‘ধর্মের দোহাই’ দিলে পার পাওয়া সহজ অথবা বিচারপ্রক্রিয়া বছরের পর বছর ঝুলে থাকে, তখন তারা আইন নিজের হাতে তুলে নিতে দ্বিধাবোধ করে না।
বিচারের বাণী যখন নীরবে নিভৃতে কাঁদে, তখন রাজপথের উন্মত্ত জনতাই নিজেকে বিচারক ও জল্লাদ মনে করতে শুরু করে।
একটি জনপদ যখন উত্তপ্ত হয়, গুজব যখন ছড়িয়ে পড়ে, তখন স্থানীয় প্রশাসন বা পুলিশ কেন দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারে না, তা একটি বড় প্রশ্ন। আগাম গোয়েন্দা তথ্যের অভাব এবং উন্মত্ত জনতাকে সামলানোর ক্ষেত্রে প্রশাসনিক দুর্বলতা অনেক ক্ষেত্রে অপরাধীদের পথ প্রশস্ত করে দেয়।
বাংলাদেশের সংবিধান প্রতিটি নাগরিকের জীবনের নিরাপত্তা ও আইনি সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করেছে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে রাষ্ট্রের কাছে প্রতিটি জীবন সমান মূল্যবান। কিন্তু যখন একজন মানুষকে স্লোগান দিয়ে প্রকাশ্যে পুড়িয়ে মারা হয়, তখন সেই আগুনের শিখা কেবল একজন ব্যক্তিকে নয়, বরং রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ও মানবিক কাঠামোর ভিত্তিকে পুড়িয়ে ছাই করে দেয়। এই ‘মব জাস্টিস’ বা গণপিটুনি সভ্যতার পরিপন্থী এবং এক ধরনের মধ্যযুগীয় বর্বরতা।
এই ধরনের মধ্যযুগীয় বর্বরতার উৎস কেবল তাৎক্ষণিক ক্ষোভ নয়; বরং এর গভীরে রয়েছে দীর্ঘদিনের লালিত সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক বিকৃতি। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, যখন একটি জনগোষ্ঠীর বড় অংশ যৌক্তিক চিন্তার চেয়ে আবেগ ও অন্ধবিশ্বাসের ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, তখন তাদের মধ্যে ‘ডি-ইনডিভিজুয়েশন’ কাজ করে। অর্থাৎ, ভিড়ের মধ্যে একজন মানুষ তার নিজস্ব বিবেক হারিয়ে ফেলে এবং সমষ্টিগত উন্মাদনার অংশ হয়ে যায়। এই বর্বরতার মূল উৎস হলো ‘সুপিরিওরিটি কমপ্লেক্স’ বা ধর্মীয় শ্রেষ্ঠত্বের অপব্যাখ্যা, যা অন্যকে তুচ্ছজ্ঞান করতে এবং অবলীলায় প্রাণ নিতে শেখায়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে জন্ম নেওয়া এক ধরনের ‘ইমিউনিটি’ বা দায়মুক্তির ধারণা অপরাধীরা বিশ্বাস করতে শুরু করে যে, ধর্মের দোহাই দিলে বড় কোনো অপরাধও বৈধতা পেয়ে যাবে। এই মনস্তাত্ত্বিক অন্ধত্বই মানুষকে পশুর চেয়েও অধম করে তোলে।
দীপু চন্দ্র দাসের এই মর্মান্তিক পরিণতির পর তার পরিবারের ওপর দিয়ে যে ঝড় বয়ে যাচ্ছে, তার বর্ণনা দেওয়ার মতো ভাষা কোনো অভিধানে নেই। একটি পরিবারের স্বপ্ন, নির্ভরতা আর ভালোবাসার কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই তরুণ। যে মা-বাবা সন্তানকে তিল তিল করে বড় করেছেন, তাদের কাছে সন্তানের দগ্ধ দেহ দেখার চেয়ে বড় অভিশাপ আর কী হতে পারে? এই পরিবারের প্রতিটি সদস্য এখন কেবল শোক নয়, বরং এক আজীবন ট্রমা বা মানসিক ক্ষতের মধ্য দিয়ে যাবে। সমাজের মানুষের কাছে এটি হয়তো কদিন পর পুরোনো কোনো সংবাদ হবে, কিন্তু দীপুর পরিবারের জন্য প্রতিটি সকাল আসবে এক ভয়াবহ শূন্যতা নিয়ে।
দীপু চন্দ্র দাসের সন্তানের ওপর হওয়া এই পাশবিকতার স্মৃতি তাদের তাড়া করে ফিরবে আমৃত্যু। প্রতিটি উৎসবে, প্রতিটি প্রার্থনায় দীপুর অনুপস্থিতি হবে এক বিষাক্ত দহন। যে আগুন দীপুর শরীর পুড়িয়েছে, সেই একই আগুন আজীবন দগ্ধ করবে তার পরিবারের প্রতিটি সদস্যের আত্মা। সমাজে আইন আছে, আদালত আছে, হয়তো বিচারও হবে।কিন্তু এই নিরপরাধ পরিবারের চোখের জল মোছানোর মতো কোনো আইনি ব্যবস্থা কি আজ পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়েছে? মানুষের ভিড় দেখলে যে আতঙ্ক এখন তাদের মনে দানা বাঁধবে, সেই মানসিক পঙ্গুত্ব বয়ে নিয়ে বেড়াতে হবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে। রাষ্ট্র হয়তো একদিন এই ঘটনা ভুলে যাবে, কিন্তু সেই অভাগা মা-বাবা, স্ত্রী ও সন্তানেরা কোনো দিন ভুলতে পারবেন না যে, তাদের সন্তানকে, স্বামীকে, পিতাকে শেষবারের মতো ডাকার সুযোগটুকুও দেয়নি একদল স্লোগানধারী উন্মাদ। রাষ্ট্রের দেওয়া কোনো ক্ষতিপূরণ বা বিচারের আশ্বাসই কি পারবে সেই মায়ের, সেই স্ত্রীর, সেই সন্তানদের ভেতর পূর্ণ করতে কিংবা পরিবারের এই আজীবন হাহাকার মুছতে?
এই অন্ধকারের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে হলে দীপু চন্দ্র দাস হত্যায় কেবল ১৮ জনকে গ্রেপ্তার বা কয়েকজনের রিমান্ডই যথেষ্ট নয়। এর জন্য প্রয়োজন গভীর ও টেকসই পদক্ষেপ। দীপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডের বিচার হতে হবে নজিরবিহীনভাবে দ্রুত এবং কঠোর, যাতে ভবিষ্যতে কেউ পবিত্র স্লোগান দিয়ে অপবিত্র রক্তপাতে লিপ্ত হওয়ার সাহস না পায়।
মব জাস্টিসের মতো বর্বরতা বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায় কোনোভাবেই এড়ানো যায় না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, যখন উন্মত্ত জনতা আইন হাতে তুলে নেয়, তখন পুলিশ বা স্থানীয় প্রশাসন হয় নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে, নয়তো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চরম অদক্ষতা প্রদর্শন করে। কেবল ঘটনার পর গ্রেপ্তার বা রিমান্ডই শেষ কথা নয়; বরং কোনো এলাকায় উত্তেজনা ছড়ালে তা অঙ্কুরেই বিনষ্ট করার সক্ষমতা থাকতে হবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে গুজব ছড়ানোর উৎসগুলো তাৎক্ষণিক বন্ধ করা এবং হামলার শিকার ব্যক্তিকে সুরক্ষা দেওয়া পুলিশের পেশাদারিত্বের বড় পরীক্ষা। মব জাস্টিস বা ‘ভিড়ের বিচার’ আসলে বিচার নয়; এটি একটি রাষ্ট্রের বিচারব্যবস্থার ওপর চরম অনাস্থা। তাই সরকারকে কেবল কঠোর আইন প্রণয়ন করলেই হবে না, বরং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিরপেক্ষ ও সাহসী হতে হবে, যাতে স্লোগানধারী কোনো উন্মাদ গোষ্ঠী নিজেদের আইনের ঊর্ধ্বে মনে করার সুযোগ না পায়। সেই সঙ্গে আলেম-ওলামাদের দায়িত্ব নিতে হবে এটা স্পষ্ট করার যে ইসলাম বা কোনো ধর্মই ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটাতে বিচারবহির্ভূত হত্যা সমর্থন করে না। জুমার খুতবা বা ধর্মীয় সভায় শান্তির এই বাণী প্রচার করা এখন সময়ের দাবি। রাষ্ট্র, সমাজ এবং প্রশাসন যদি সম্মিলিতভাবে এই ‘লিঞ্চিং’ সংস্কৃতির বিরুদ্ধে রুখে না দাঁড়ায়, তবে কোনো নাগরিকই নিরাপদ থাকবে না।
পরিশেষে, আল্লাহু আকবার ধ্বনি শান্তি ও আত্মিক শক্তির প্রতীক, কোনো খুনের লাইসেন্স নয়। রাষ্ট্র যদি তার নাগরিকদের জীবনের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয় এবং স্লোগানের আড়ালে অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হয়, তবে সেই সমাজ দীর্ঘস্থায়ী বিশৃঙ্খলার দিকে ধাবিত হবে। দীপু চন্দ্র দাসের এই করুণ মৃত্যু যেন আমাদের শেষবারের মতো সতর্ক করে দেয়। আর কত প্রাণ গেলে আমরা মানুষ হিসেবে জাগ্রত হব? ধর্মকে ব্যবহার করে রক্তপাতের এই মহোৎসব বন্ধ করা এখন কেবল সরকারের নয়, প্রতিটি বিবেকবান মানুষের নৈতিক দায়িত্ব।
অভিমত থেকে আরো পড়ুন