https://www.prothomalony.com/

14111

new-york

নিউইয়র্ক

মামদানির আসনে প্রার্থী হতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মেরি জোবায়দা

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৫ ০৫:৩৯

নিউইয়র্ক সিটির মেয়র পদে ডেমোক্র্যাটিক দলের প্রধান প্রার্থী জোহরান মামদানির আসনটি আগামী বছর শূন্য হতে পারে। ওই আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রাজনীতিবিদ মেরি জোবায়দা।

গত ১৪ জুলাই নিউইয়র্ক রাজ্যের নির্বাচন বোর্ডে মেরি জোবায়দা ৩৬ নম্বর অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্টে প্রার্থী হিসেবে নথিপত্র জমা দিয়েছেন। এই আসনটি বর্তমানে মামদানির অধীনে রয়েছে। মেরি জোবায়দা ২০২০ সালে কুইন্সের পার্শ্ববর্তী আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

মেরি জোবায়দা ২০২০ সালে কুইন্সের পার্শ্ববর্তী একটি অ্যাসেম্বলি আসনে প্রার্থী হয়েছিলেন এবং ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে জনপ্রিয় প্রার্থী ক্যাথি নোলানের কাছ থেকে মাত্র ১,৫০০ ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন। পরবর্তী নির্বাচনী চক্রেও তিনি কিছু সময়ের জন্য প্রার্থীতা ঘোষণা করেছিলেন। মেরি জোবায়দা নিউইয়র্কের বাংলাদেশি অভিবাসী সম্প্রদায়ের একজন পরিচিত ও প্রভাবশালী নেত্রী। নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটি প্রাইমারিতে জোহরান মামদানির প্রতি ব্যাপক সমর্থন দিয়েছিল। যা প্রগ্রেসিভ রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গণ্য হয়।

মেরি জোবায়দার প্রচারণার মূল বিষয়গুলো হলো সার্বজনীন শিশুসেবা, সিটি ও স্টেট ইউনিভার্সিটিগুলোতে বিনামূল্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা। তার প্রগতিশীল এজেন্ডা নিউইয়র্কের বামপন্থী ও প্রগতিশীল ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

যদি মামদানির আসন শূন্য হয়, তাহলে কুইন্স কাউন্টি ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ওই আসনের জন্য বিশেষ নির্বাচন আয়োজন করবে। বিশেষ নির্বাচনের মাধ্যমে পার্টি নতুন প্রার্থী মনোনয়ন দেবে। যা আগামী ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত নিয়মিত প্রাইমারি ও সাধারণ নির্বাচনের পূর্বাভাস হিসেবে কাজ করবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বিশেষ নির্বাচন কুইন্সের মধ্যপন্থী নেতৃত্বকে বামপন্থী এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের সুযোগ দিতে পারে।

মেয়র নির্বাচনে জোহরান মামদানির বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন সাবেক গভর্নর এন্ড্রু কুমো, মেয়র এরিক অ্যাডামস এবং রিপাবলিকান কার্টিস স্লিওয়া। যদিও তারা সক্রিয়। তবে তাদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব এবং বিরোধী ভোট বিভক্তির কারণে মামদানির প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জটিলতা তৈরি হয়েছে।

মেরি জোবায়দা এখন পর্যন্ত সংবাদ মাধ্যমে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নিউইয়র্কে অভিবাসী ও প্রগতিশীল ভোটারদের বৃদ্ধি তার নির্বাচনী প্রচারণায় সহায়ক হবে। বিশেষ করে বাংলাদেশি ও দক্ষিণ এশিয়ার কমিউনিটির ভোট শক্তি তাকে একটি শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে গড়ে তুলবে।

নিউইয়র্ক থেকে আরো পড়ুন