https://www.prothomalony.com/

12530

north-america

উত্তর আমেরিকা

বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘু নিধন ও চিম্ময় প্রভুর মুক্তির দাবিতে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের বিক্ষোভ

প্রকাশ: ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১১:৫০

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের সামনে প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন করেছে ‘সেক্যুলার বাংলাদেশ মুভমেন্ট ইউক। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের পক্ষে সোচ্চার বাংলাদেশ প্রেমী প্রবাসীরা অংশ নেন।

প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধনের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর চলমান নির্যাতন, বাড়িঘরে হামলা, পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ, সম্পত্তি দখল, ধর্ষণ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো। বিশেষ করে, হিন্দু ধর্মীয় সন্ন্যাসী চিন্ময় দাশকে মিথ্যা মামলায় বিনা বিচারে দীর্ঘ দিন ধরে কারাগারে আটক রাখা এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমনের প্রতিবাদে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এই র‍্যালি থেকে যুক্তরাজ্য পার্লামেন্টের যথাযথ কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানানো হয় যে, কমনওয়েলথের দায়িত্বের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সরকারকে চাপ প্রয়োগ করা হোক, যাতে সব সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানবাধিকার সুরক্ষিত হয়।

র‍্যালি পরিচালনা করেন সেক্যুলার বাংলাদেশ ইউকের চেয়ারম্যান পুষ্পিতা গুপ্ত। কর্মসূচিতে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটির সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

র‌্যালিতে প্রধান বক্তা ছিলেন কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট সৈয়দ এনাম ইসলাম, শাহ নেওয়াজ, স্বরূপ শাম চৌধুরী, জ্ঞান গুপ্ত, অতীশ সাহা, রাম সাহা, নিশিত সরকার, মিনা চক্রবর্তী, সুরঞ্জিত গুপ্ত, আব্দুল আহাদ চৌধুরী, সুজিত চৌধুরী ও জামাল খান ।

বাংলাদেশ হিন্দু অ্যাসোসিয়েশন ইউকের পক্ষ থেকে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট সুজিত চৌধুরী। এছাড়াও বক্তব্য দেন লেবার পার্টির নেতা স্বরূপ চৌধুরী শিবু।
 

বক্তারা বলেন, ‘চিন্ময় দাশের দ্রুত মুক্তি দিতে হবে। ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর পরিকল্পিত হামলা, হত্যা, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ, সম্পত্তি দখল, চাকরি থেকে জোরপূর্বক অপসারণ ও রাজনৈতিক নিপীড়ন অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশ সরকারকে সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির বিষয়ে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।’

এই কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশে মানবাধিকার ও ধর্মীয় সহিষ্ণুতার পক্ষে আন্তর্জাতিক সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে এক হয়ে সাম্প্রদায়িক নির্যাতন ও দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

সিএন/আলী

উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন