https://www.prothomalony.com/

12519

north-america

উত্তর আমেরিকা

গুরুচক্র পরিবারে উদ্যোগে রাম ঠাকুরের ১৬৫তম আবির্ভাব মহোৎসব উদযাপিত

প্রকাশ: ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ০৬:০৯

শ্রী রাম ঠাকুর যিনি যুগাবতার, কৈবল্যনাথ, সত্যনারায়ন, কলিযুগের ত্রাতা। যিনি জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে এনেছেন সত্য, শান্তি, সমৃদ্ধি ও সম্প্রীতির মিছিলে। তিনি বৈষম্যহীন কুসংস্কার মুক্ত সমাজ বিনির্মানকারী, তিনি আলোকবর্তিকা যুগ যুগ ধরে আলোকিত করেছেন লক্ষ লক্ষ মানব জীবন।

শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের এলাহাস্টে বাংলাদেশ হিন্দু মন্দিরে প্রতি বারের ন্যায় এবারও শ্রী শ্রী ঠাকুর রামচন্দ্র দেবের ১৬৫তম আর্বিভাব মহোৎসসব করেছে গুরুচক্র পরিবার ইউএসএ ইন্ক। বিকাল ৩টায় হরিনাম সংকীর্তন ও বেদবানী পাঠের মাধ্যমে ঠাকুরের চিত্রপট স্থাপন করা হয়। বেদবানী পাঠ করেন গুরুচক্র পরিবারের সহ-সভাপতি কুমার বণিক মহোদয়। এরপর সমেবেত হরিনাম সংকীর্তন, গুরুচক্র পরিবারের শিশু-কিশোরদের ভক্তিমুলক গান, ঠাকুর প্রসঙ্গে আলোচনা, গীতাপাঠ, বেদবানী পাঠ, প্রদোষে শ্রী শ্রী সত্যনারায়নের সেবা পূজা, গুরুবন্দনা, নাম সংকীর্ত্তন, সন্ধ্যারতি, পাঁচালী পাঠ অতপরঃ গানে গানে ঠাকুর লীলা বর্ণনাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয় এবারের ১৬৫তম আর্বিভাব মহোৎসব। অগণিত ভক্তদের উপস্থিতি যেন বাংলাদেশ হিন্দু মন্দির রূপ নেয় চট্টগ্রামের কৈবল্যধামে।

শিশু-কিশোরদের ঠাকুর প্রসঙ্গে আলোচনা, ভক্তিমূলক গানে অংশগ্রহনে ঋষব বণিক, সৃজা শীল, জয়ীতা নন্দী, অদ্বৈতা নন্দী, কৃতিকা নন্দী, রোমিও দাশ, সংগীতা চক্রবর্ত্তী, স্মরণীকা চক্রবর্ত্তী, জুলি খাস্তগীর, সুপ্তা শীল, শুভ্রা নন্দী। শ্রী শ্রী ঠাকুর প্রসঙ্গে আলোচনা করেন অপর্ণা কর। শ্রীমদ্ভগবত গীতার অষ্টম অধ্যায় থেকে পাঠ করে শুনালেন সুপ্তা রানী শীল। সংগীতানুষ্ঠানের উপস্থাপনায় ছিলেন শ্রীমতি শুভ্রা নন্দী এবং অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন গুরুচক্র পরিবারের সাংস্কৃতিক সম্পাদক রতন দাশ।

প্রদোষে শুরু হয় শ্রী শ্রী সত্যনারায়নের সেবা পূজা যাহা পৌরহিত্য করেন অসিত চক্রবর্ত্তি। পুজান্তে মধুর সুরে সন্ধ্যারতি কীর্তন পরিচালনা করেন রামপ্রসাদ দত্ত স্বপন ও পাঁচালী পাঠ পরিচালনা করেন অনুপ দাশ। ঠাকুর রামচন্দ্র দেবের ১৬৫তম আবির্ভাব মহোৎসবে পূজা ও মহাপ্রসাদ স্পন্সর করেন প্রলয় পাল ও সুপর্ণা পালা, প্রাণ গৌবিন্দ কুন্ডু ও সোমা কুন্ডু, মৃদুল দে ও মৌসুমী নন্দী।

দ্বিতীয় পর্বে অতিথি রতন ধরের সুরেলা কণ্ঠে শুরু হয় ভজন সংগীত ও কীর্তন। তার সুরের মুর্চ্ছনায় আবেগে আপ্লুত হয়ে উঠে উপস্থিত ভক্তবৃন্দ।

উৎসবের সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন স্বপন দত্ত, জয়ন্ত নারায়ন রায় চৌধুরী, অরুন বিকাশ পাল, অশোকানন্দ দাশ, প্রাণ গোবিন্দ কুন্ডু, হেমন্ত পাল, রনজিৎ দে রায়, তপন বনিক, প্রবীর নন্দী, রূপক নন্দী, সুজন শীল, বিশু চৌধুরী, বিশ্বজিৎ বিশ্বাস, নির্মল দাশ, অনুপ দাশ, রতন দাশ, গৌতম মজুমদার, কুমার বনিক, অনুপম হালদার, স্বজন বণিক, দেবাশীষ পাল, সঞ্জয় দাশ, বিপ্লব চক্রবর্তী, শ্রীমতি রত্না রায়, সোমা কুন্ডু, নিরুপমা বালা, সাথী দাশগুপ্তা, অপর্ণা কর, শুভ্রা নন্দী, মৌসুমী দাশ ও শান্তু দত্ত।

প্রণামী সংগ্রহে ছিলেন  গুরুচক্র পরিবারের কোষাধক্ষ্য প্রবীর নন্দী ও সহ কোষাধক্ষ্য সুজন শীল।




 

উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন