https://www.prothomalony.com/

12288

north-america

উত্তর আমেরিকা

আবারও মামলার কবলে ৯ ব্যক্তি ও দুই প্রতিষ্ঠান

চট্টগ্রাম সমিতি

প্রকাশ: ২৯ জানুয়ারী ২০২৫ ০০:২১

যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম সংগঠন চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা ইনক (চট্টগ্রাম সমিতি) আবারও ভুগছে মামলা জটিলতায়। দুইভাগে চলা চট্টগ্রাম সমিতির মাকসুদ-মাসুদ প্যানেলের পক্ষ থেকে হত বছরের ২৩ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট অব দ্য স্টেট অব নিউইয়র্ক কাউন্টি অব কিংসে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার ইনডেস্ক নম্বর হচ্ছে ৫৩৫১৪৬/২০২৪। মামলায় পেনসিলভানিয়ায় পুনরায় নির্বাচনের দাবি ও তাহের-আরিফ নেতৃত্বাধীন কমিটিকে অবৈধ উল্লেখ করে ৯ জন কর্মকর্তাসহ দুটি প্রতিষ্ঠানকে বিবাদী করা হয়। আসামি পক্ষকে এক মাসের মধ্যে মামলার জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এদিকে মামলাটি দায়ের করার এক মাস পার হলেও সভাপতি আবু তাহের এবং নির্বাচন কমিশনের সদস্য সাংবাদিক সাহাব উদ্দীন সাগর জানিয়েছেন, তারা এখনো মামলার কোনো কাগজ পাননি। কাগজ পেলে তারা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। অপরদিকে মাকসুদুল হক চৌধুরী জানান, আমাদের আইনজীবী জানিয়েছেন, তারা মামলার কাগজ সার্ভ করেছেন।

এই মামলার বাদীরা হলেন-মাকসুদুল হক চৌধুরী, মোহাম্মদ মাসুদ এইচ সিরাজি, মোহাম্মদ সুমন উদ্দীন, তমাল কান্তি চৌধুরী, শিমুল বড়ুয়া, মোহাম্মদ জে. আবেদীন, সুশান্ত দত্ত, এডি এ ওয়াদুদ, মোহাম্মদ জাহিদুল আলম, মোহাম্মদ এ হাবিব এবং মোহাম্মদ এম চৌধুরী।

বিবাদীরা হলেন- ইলেকশন কমিশন অব চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা ইনক, ইনটার্ম এক্সিজিকিউটিভ অব চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা, এক্সিকিউটিভ কমিটি অব চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা, মোহাম্মদ এন আনোয়ার, মনির আহমেদ, ইলেকশন সার্ভিস ইউনাইটেড করপোরেশন, সান্দরা টোভিন, মোহাম্মদ আবু তাহের, শেখ এম খালেদ, সাহাব উদ্দীন সাগর, মোহাম্মদ এ হান্নান চৌধুরী, মোহাম্মদ সেলিম ও রুহুল আমিন।

এই সংগঠনে দীর্ঘদিন থেকেই অচলাবস্থা চলছে। কয়েক বছর আগে মামলা মোকদ্দমায় জর্জরিত এ সংগঠনকে উদ্ধারে একটি অন্তর্বর্তীকালীন কমিটি করা হয়। অবেশেষে সেই কমিটি প্রচেষ্টায় ভোটার তালিকা এবং নির্বাচন কমিশন করে একটি নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হয়। সেই নির্বাচন দুটি প্যানেল অংশগ্রহণ করে। একটি প্যানেলে ছিলেন আবু তাহের এবং আরিফ। অন্য প্যানেলের নেতৃত্বে ছিলেন মাকুসুদুল হক চৌধুরী এবং মাসুদ সিরাজী। অনেকটা উৎসবমুখর পরিবেশে সেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় গত ২০ অক্টোবর। নিউইয়র্ক, ফিলাডেলফিয়া এবং কানেকটিকাটের ৪ কেন্দ্রে দিনব্যাপী ভোটগ্রহণ করা হয়। ছয়টি চ্যালেঞ্জ ভোটের কারণে ভোট গণণা শেষেও নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করতে পারেননি। তবে তারা অন্তর্বর্তী ফলাফল ঘোষণা করেছেন। কয়েকদিন অপেক্ষার পর নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির দেওয়া ফলাফলে সভাপতি হিসাবে আবু তাহেরকে ঘোষণা করা হয়। আরো কয়েকটি পদে ফলাফলের পরিবর্তন হয়। শেষ পর্যন্ত মাকসুদ-মাসুদ প্যানেলের পক্ষ থেকে নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করা হয়।

অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন গত ৩ নভেম্বর তাহের-আরিফ প্যানেলের প্রার্থীদের শপথ বাক্য পাঠ করান। এ নিয়ে উত্তেজনাও ছিলো। ছিলো পুলিশি উপস্থিতি। তাদেরকে চট্টগ্রাম সমিতির ভবনের বাইরে শপথ পাঠ করানো হয়। অন্যদিকে মাকসুদ-মাসুদ প্যানেলের প্রার্থীরা ৫ নভেম্বর শপথ বাক্য পাঠ করেন।

উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন