https://www.prothomalony.com/
12203
north-america
প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারী ২০২৫ ২৩:৫৩
বৃটেনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত রোববার (১৯ জানুয়ারি) রাত ৯ টায় বৃটেনের ওয়েলসের রাজধানী কার্ডিফ শহরে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে একটি ডিনারপার্টিরও আয়োজন করা হয়।
যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য মোহাম্মদ মকিস মনসুরের সভাপতিত্বে ও ওয়েলস আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এম. এ. মালিকের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ওয়েলস আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম নজরুল, সহ-সভাপতি এস এ রহমান মধু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মর্তুজা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব লিয়াকত আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মল্লিক মোসাদ্দেক আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ আনোয়ার, ওয়েলস যুবলীগের সাবেক সভাপতি জয়নাল আহমদ শিবুল।
আরও বক্তব্য রাখেন, সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুল ওয়াহিদ বাবুল, ওয়েলস যুবলীগের সভাপতি ভিপি সেলিম আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মফিকুল ইসলাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কালাম মুমিন, সহ সভাপতি রকিবুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ বি রুনেল, ওয়েলস ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাম্মদ বদরুল হক মনসুর, সাবেক যুবনেতা সাজেল আহমেদসহ ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দ।
সভাপতির বক্তব্যে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য, ওয়েলস আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ মকিস মনসুর বলেন, বঙ্গবন্ধুর এ স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ঘটনা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৭২ সালের এই দিনে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি পাকিস্তানের কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠ থেকে মুক্তি লাভ করে তাঁর স্বপ্নের স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন। স্বয়ং জাতির পিতা তাঁর এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে আখ্যায়িত করেছিলেন ‘অন্ধকার হতে আলোর পথে যাত্রা’। তাই বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দিনটি অবিস্মরণীয় ও ঐতিহাসিক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। অথচ আজকের অবৈধ দখলদার ফ্যাসিস্ট ইউনূস সরকার বাংলাদেশ থেকে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধূলিসাৎ করার এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অপ্রাসঙ্গিক করে তোলার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রাচার থেকে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ দিবস, সংবিধান দিবস, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বরণের দিবস বা জাতীয় শোক দিবসসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দিবস বাতিল করা হয়েছে। এই অপচেষ্টার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণ তাদের প্রতিবাদ করে চলেছে।
ওয়েলস আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক, প্রাক্তণ ছাত্রনেতা এম. এ. মালিক বলেন, ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর লন্ডন-দিল্লি হয়ে তিনি ঢাকায় পৌঁছান ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি। সেদিন বাংলাদেশে ছিল এক উৎসবের আমেজ। পুরো দেশের মানুষই যেন জড়ো হয়েছিল তেজগাঁওস্থ ঢাকা বিমানবন্দর এলাকায়। বঙ্গবন্ধু বিজয়ের বেশে নামেন বিমান থেকে। পা রাখেন লাখো শহীদের রক্তস্নাত স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে। গোটা জাতি সেদিন হর্ষধ্বনি দিয়ে তেজোদীপ্ত ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে তাদের প্রিয় নেতাকে স্বাগত জানায়।
সভা থেকে বক্তারা আজকের অবৈধ দখলদার ফ্যাসিস্ট ইউনূস সরকার আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের মর্যাদাহানি করার জন্য যেসব ষড়যন্ত্র করছে, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন