https://www.prothomalony.com/

11059

new-york

নিউইয়র্ক

নিউইয়র্ক ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ফেয়ার এবং চেম্বার এক্সপো ২০২৪ অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১০:৩৭

নিউইয়র্ক ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ফেয়ার এবং চেম্বার এক্সপো ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে। ২৪ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার নিউইয়র্ক ম্যানহাটন ম্যারিয়ট মারকুইস হোটেলে তৃতীয় বারের মত এ এক্সপো অনুষ্ঠিত হয়। যৌথভাবে গ্রেটার নিউইয়র্ক চেম্বার অফ কমার্স এবং ইউএস বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স এ এক্সপোর আয়োজন করে।   অনুষ্ঠানের উদ্বোধন  করেন আহ্বায়ক ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ এবং নিউইয়র্ক চেম্বারের সভাপতি মার্ক জাফী।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ থেকে সম্মানিত অতিথি ও বক্তার মধ্যে ছিলেন পাবলিক পলিসির ড. দেবপ্রিয় ভট্টচার্য , বিকেএমই এর সভাপতি মুহাম্মদ হাতেম, পরিবেশ আন্দোলনের শরীফ জামিল, ডেফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান সবুর খান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেম্পি'র  ড. মুস্তাফিজুর রহমান, চেয়ারম্যান আইএফডিসির গ্রুপ ক্যাপ্টেন শফিকুর রহমান,  বিজেএমই এর ডিরেক্টর রাজীব চৌধুরী , সিমেড'এর খন্দকার আব্দুল্লাহ আল মান্নান, জামান জুট'এর  সৈয়দ আসাদুজ্জামান, কুষ্টিয়ার সেতু গ্রুপের আব্দুল কাদের, আমেরিকার অতিথিদের মধ্যে লং আইল্যান্ডের বিশিষ্ট  শিল্পপতি এবং জনহিতকর কর্মের অগ্রদূত ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ জাকি হোসাইন,  কোল  ফ্রি ওয়ার্ল্ডের রায়হানূল  ইসলাম চৌধুরী,  ফাসিল গ্রুপের আবুল হোসাইন,  বিএমএর প্রাক্তন সভাপতি ডা: জিয়াউর রহমান, কানাডা থেকে থেকে ডা আরিফুর রহমান, খলিল বিরিয়ানির খলিলুর রহমান, ক্যালটেক'এর সিইও  মোহম্মদ মালিক, বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্টাল নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠাতা ও জাতিসংঘের প্রাক্তন অর্থনীতিবিদ ডঃ নজরুল ইসলাম, ন্যানো টেকনোলজীর বিজ্ঞানী ডঃ আনিস রহমান , খলিল বিরিয়ানির  খলিলুর রহমান,  কাল্টেক এর সিইও  মুহাম্মদ মালিক, ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি সাইন্স এন্ড টেকনোলজির  চ্যান্সেলর আবুবকর হানিফ, অনুষ্ঠানের কোর্ডিনেটর  বিশ্বজিৎ সাহা এবং নিউ ইয়র্ক স্টেটের মাইনোরিটি ওমেন বিজনেস ফর এ মিশন  এর  সর্বোচ্চ অ্যাওয়ার্ড  ২০২৪ পাওয়া জনহিতকর কর্মের ব্যক্তিত্ত্ব রাহাত হোসাইন।

অনুষ্ঠানে দুটি বিশেষ দিক ছিল, একদিকে ১৪০ টি ষ্টল ছিল তারমধ্যে বাংলাদেশের ষ্টল ছিল ১৮টি। এতে  ব্যবসায়ী মানুষের ব্যাপক বিচরণসহ অনেক নতুন পণ্যের সাথে পরিচয় এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণ করার জন্য একটি সুযোগ ছিল। গত কয়েকবারের তুলনায়  এই এক্সপোতে বাংলাদেশের সংস্থা ও পণ্যগুলি ও দৃশ্যমান ছিল। আমেরিকাতে এই সুযোগ করার মাধ্যমে বাংলাদেশের অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট হবার অভিজ্ঞতা অর্জন  করেন। গত বছর বহু পণ্য নিউইয়র্ক চেম্বারের ৩৫ হাজার সদস্যের কাছে পাঠানো হয়েছিল।  এবারেও এই  উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানের আরেকটি দিক ছিল বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষ সেমিনার।  ছয়টি সেমিনারের মধ্যে  আমেরিকানদের পরিচালিত 'ফিউচার অফ হেলথ ইন্সুরেন্স' ।  কীভাবে নিউইয়র্কের ইন্সুরেন্স কোম্পানির দৌরাত্ব ঠেকিয়ে ২০ শতাংশ প্রিমিয়াম কমানো যায় তার পন্থা নির্ধারণ নিয়ে কথা বলেছেন চারজন বিশেষজ্ঞ। বাকি পাঁচটি ছিল বাংলাদেশের উন্নয়নের উপর। তাতে অংশগ্রহন করেন বাংলাদেশ থেকে আগত এবং যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার বিশেষজ্ঞ জন। সেমিনারগুলো ছিল অত্যন্ত  প্রাণবন্ত।  বিষয় বস্তুর মধ্যে ছিল ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ পরিচালিত ইন্টারন্যাটিনাল ট্রেড এন্ড ইনভেস্টমেন্ট অপর্চুনিটি। মোহাম্মদ মহিউজ্জামান পরিচালিত আইটি সেক্টরে কীভাবে উন্নয়ন করা যায় এ নিয়ে। নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র অফিসার ডিরেক্টর সৈয়দ ওমর  হাসান পরিচালিত বাংলাদেশে বিনিয়গের অপরিসীম সুযোগ ও সম্ভাবনা। রায়হানুল ইসলাম চৌধুরী পরিচালিত 'বাংলাদেশের রফতানি এবং আমদানির সুযোগ' বিষয়ে অবিহিত করা এবং এর বাঁধা সমূহ, ড: নজরুল ইসলাম পরিচলিত জাতিসংঘে বাংলাদেশের ৫০ বছরের অর্জন এবং অবদান।

প্রত্যেকটি সেমিনারের অত্যন্ত সুপরিকল্পিত এবং উচ্চমানের আলোচনা সবাইকে মুগ্ধ করেছে। এই আলোচনা থেকে  উঠে আসা  সকল মূল্যবান তথ্য সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সংগঠন, ব্যক্তি এবং মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলে জানানো হয়েছে। #
ছবি : নাজমুল করিম পাভেল 
 

নিউইয়র্ক থেকে আরো পড়ুন