https://www.prothomalony.com/
8800
north-america
প্রকাশ: ০৭ মার্চ ২০২৪ ০১:৩৭
আগামী নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকানের হয়ে ট্রাম্প ও ডেমোক্র্যাটের হয়ে বাইডেনই প্রার্থীতা পেতে যাচ্ছেন। ‘সুপার টুইসডে’-তে ১৬টি অঙ্গরাজ্য ও একটি অঞ্চলে ভোটাভুটির পর দুই দলের প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জো বাইডেন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আবারও হতে পারে বাইডেন বনাম ট্রাম্পের লড়াই।
‘সুপার টুইসডে’-র লড়াইয়ে ট্রাম্প ভার্জিনিয়া, নর্থ ক্যারোলিনা, টেনেসি, ওকলাহোমা, কলোরাডো, আলাবামা, টেক্সাস, আরাকানসাস ও মেইনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী নিকি হ্যালির থেকে অনেকটাই এগিয়ে আছেন। এ থেকে ধারণা করা যায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকানের প্রার্থীতা পেতে পারেন ডোনাল ট্রাম্প।
‘সুপার টুইসডে’ আগে সোমবার নর্থ ডাকোটা ককাসে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী বাছাইয়ে জয়ী হয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প সহজেই প্রতিদ্বন্দ্বী নিকি হ্যালিকে হারিয়ে দিয়েছেন। হ্যালি এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র একটিতে জয়লাভ করেছেন। প্রথম আটটি প্রাইমারিতে জিতেছেন ট্রাম্প। এ অবস্থায় হোয়াইট হাউসে যাওয়ার পথে নিকি হ্যালির চ্যালেঞ্জ অনেক ছিল। একমাত্র সুপার টুইসডে—তে নাটকীয় কিছু হলে সেক্ষেত্রে তিনি ট্রাম্পের অগ্রযাত্রায় বাধা হতে পারতেন।
অন্যদিকে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার এই দৌড়ে বাইডেন ১৩টি অঙ্গরাজ্যে জিততে চলেছেন। কংগ্রেসম্যান ডিন ফিলিপস ও মারিয়েন উইলিয়ামসনের চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ডেমোক্র্যাটিক থেকে প্রেসিডেন্ট পদে জো বাইডেনের মনোনয়ন অনেকটা নিশ্চিত। এছাড়া সমীক্ষা বলছে আইওয়াতেও জিতবেন বাইডেন।
মার্কিন নির্বাচনী ব্যবস্থায় ভোটাররা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী নির্বাচন করার জন্য নিজেদের অঙ্গরাজ্যের ওপর নির্ভর করে প্রাথমিক নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যায়। সে হিসেব মতোই দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের (প্রাইমারি) সবচেয়ে বড় দিন মঙ্গলবার (সুপার টুইসডে) একসাথে ১৬টি অঙ্গরাজ্য ও একটি অঞ্চলে ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়।
সুপার টুইসডে কী?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়তে হলে প্রার্থীকে আগে নিজ দলে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রাথমিক বাছাইয়ে জিতে আসতে হয়। সেখানে রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধিত ভোটাররা নিজ দলের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেন। এরপরই বিজয়ী প্রার্থী দলের মনোনয়ন পান।
সুপার টুয়েসডে এমন একটি দিন, যখন যুক্তরাষ্ট্রের অনেক অঙ্গরাজ্যে একসঙ্গে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী বেছে নিতে প্রাথমিক বাছাই ও ককাস অনুষ্ঠিত হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য পর্যায়ে এই ভোটাভুটিতে সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের পক্ষে দলীয় প্রতিনিধি জড়ো করেন। এই প্রতিনিধিরা দলের জাতীয় সম্মেলনে নিজ নিজ অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করেন। সেখানে তারা প্রাথমিক ও ককাসের ভোটের ফলাফলের নিরিখে মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে ভোট দেন।
রিপাবলিকান দল থেকে মনোনয়ন পেতে প্রার্থীর কমপক্ষে ১ হাজার ২১৫ প্রতিনিধির সমর্থন প্রয়োজন হয়। আর ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর প্রয়োজন ১ হাজার ৯৬৮ জন প্রতিনিধির সমর্থন।
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন