https://www.prothomalony.com/
8335
north-america
আধুনিকতা, স্মার্ট প্রযুক্তির কাছে কি হারিয়ে যাবে নৈতিকতা, মূল্যবোধ?
তথ্য-প্রযুক্তি ও ইন্টারনেটের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার জীবনযাপনে নিয়ে এসেছে নতুন গতি। জীবন বদলে দেওয়ার এই জাদুর কাঠির সঙ্গে হারিয়ে গেছে জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকা অনেক জিনিসপত্রও। আশি বা নব্বই দশকে যে যন্ত্রগুলো অত্যন্ত প্রয়োজনীয়া ছিল, একবিংশ শতাব্দীতে সবই কালের গর্ভে বিলীন। এখন আর সন্ধ্যে হতেই গ্রামে গ্রামে হারিকেন জ্বলে না, ঢেঁকির শব্দে মুখরিত হয় না হেমন্তের ধান ভানার উৎসব, লাঙ্গল নিয়ে পরিবারের কেউ মাঠে যায় না আর। মানবসভ্যতার ইতিহাস যুগে যুগে ক্রমেই পরিবর্তিত হয়েছে।
তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লবের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থার রয়েছে দীর্ঘ যোগ সূত্রতা। সেই হিসেবে তথ্যপ্রযুক্তি বিপ্লব এর ভারে আমরা ক্রমেই নুজ্য হয়ে যাচ্ছি বিবেকের কাছে কিন্তু টের পাচ্ছি না। আজ আর কেউ অস্বীকার করতে পারবে না যে,গত কয়েক বছরে তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব পরিবর্তন ঘটেছে। কেউ কেউ একে যোগাযোগ ক্ষেত্রে বিপ্লব বলেও থাকেন। এ বিপ্লব একদিকে আমাদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে ঠিক, আবার অন্যদিকে ভয়াবহ অভিশাপ হয়ে দেখা দিয়েছে। বর্তমান সময়ে তথ্য প্রযুক্তি, যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন 'অনুষঙ্গ' হয়ে এসেছে ইন্টারনেট।
পরিবর্তনশীল সমাজ ব্যবস্থায় আধুনিকতার আড়ালে হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের নীতি-নৈতিকতা, সামাজিক মূল্যবোধ? হচ্ছে কি শিষ্টাচার, ভদ্রতার প্রকাশ? সভ্য জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও হচ্ছে না সঠিক আচরণের প্রকাশ। হরহামেশা এই তথাকথিত আধুনিক আচরণের ফলে ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে সমাজ।
শিষ্টাচার, নৈতিকতা, মূল্যবোধ এই শব্দগুলো সঠিক ও সর্বজন কর্তৃক গৃহীত আচরণের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। যে আচরণ ব্যবহার সব ব্যক্তি বর্গের কাছে গ্রহণযোগ্য। যেমন সামাজিক মূল্যবোধের মধ্যে সামাজিক বিধি, আচার-আচরণ, নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধা, বড়দের সম্মান, ছোটদের স্নেহ করা, যা আমাদের সবার জানা। কিন্তু বাস্তবতায় প্রয়োগ হয় কি? না শব্দ গুলো শুধু শব্দকোষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ?
হয়তো অনেকে মনে করবেন, এসব তো জানা কথা, কেন নিছক বাগবিতণ্ডা! কেন অযথা সময় নষ্ট! কিন্তু একটু পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, আমাদের বর্তমান প্রজন্ম কেমন আচরণ করছে, এটা কি সত্যই গ্রহণীয় কোনো আচরণ? সামাজিক মূল্যবোধের অন্তর্গত কি এসব উদ্ভট আচরণ?
একটি শিশু কখনোই নিজে থেকে সব কিছু শেখে না। আশপাশের মানুষজন ও পরিবেশ থেকে সে সব কিছু গ্রহণ করে, বিশেষ করি পরিবার এবং মা থেকে।
আবার আমাদের তরুণ প্রজš§ বা যুবক সমাজের যদি কথা বলি, তাহলে এদের অনেকেই বিকারগ্রস্ত অসুস্থ মস্তিষ্কের প্রকাশ ঘটাচ্ছে। নতুন প্রজš§ ভাবছে কাউকে হেয় করে কথা বলার মাধ্যমে, কাউকে ছোট দেখানোর মাধ্যেমে সে নিজে অনেক সম্মানের সঙ্গে উচ্চ আসনের মর্যাদা লাভ করছে, যা মোটেও সত্য নয়, কাউকে ছোট করলে তার সঙ্গে সঙ্গে সে ব্যক্তির হীন মানসিকতারও প্রকাশ ঘটে। কিন্তু এটা তো অনেকের কাছে আধুনিকতা, স্মার্টনেস! সত্যিই কি তাই?
আধুনিকতা, স্মার্টনেস কাউকে ছোট দেখানোর মধ্যে নেই, আছে বিনয়ের সঙ্গে কথা বলার মাধ্যমে। আবার লক্ষ্য করলে দেখা যায়, এখন কিন্তু সমাজের বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষকদেরকে সবাই আর আগের মতো শ্রদ্ধা ভক্তি সম্মান প্রদর্শন করে না। অনেকে তাদের সঙ্গে রূঢ় আচরণ, নিয়মশৃঙ্খলা অমান্য করার মাধ্যমে নিজেদের আধিপত্য ও স্মার্টনেসের পরিচয় দেয়। তারা তাদের এ ঔদ্ধতপূর্ণ আচরণের মাধ্যমে নিজেদের বুদ্ধিমান ভাবে।
আমাদের এই খারাপ আচরণগুলো শুধু যে বাইরে প্রকাশ পাচ্ছে এমনটি নয়, পরিবারের মধ্যে প্রকাশিত হচ্ছে। পিতামাতার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার, সম্মান না করা, তাদের কথাকে গুরুত্ব না দেয়াÑএসব কিছুই আচরণগত অবক্ষয়ের ফলে ঘটছে। অনেক সময় দেখা যায়, পারিবারিক কলহ, সন্তান পিতাকে খুন করছে, অথবা পিতা সন্তানকে এ সবকিছুই বিকৃত মস্তিষ্কের পরিচয় দিচ্ছে। প্রায় কিছু ঘটনা আমাদের চোখে পড়ছে যেমন সম্পত্তির যেরে পুত্র পিতাকে হত্যা করছে, গুম খুন হচ্ছে, সমাজের পৈশাচিক ব্যক্তির কার্য প্রকাশিত হচ্ছে। নীতিবোধ হারিয়ে যাচ্ছে বলেই আমরা অসৎ পথ অবলম্বন করতে দ্বিধা বোধ করছি না। অসৎ পথকে সত্য মেনে এগিয়ে যাচ্ছি দৃঢ় মনোবল নিয়ে। সত্য মিথ্যার পার্থক্য করতেও যাচ্ছি ভুলে। শিষ্টাচার ও নৈতিকতা-বহির্ভূত জীবনযাপন করছি বলেই রাস্তায় কারওর ক্ষতিসাধনের আগে ভাবছি না। অন্যকে বুলিং করতেও অপরাধবোধ কাজ করছে না। এসব ছোটো ছোটো আচরণের মাধ্যমে বৃহৎ অবক্ষয়ের সৃষ্টি হচ্ছে, যার ফলটাও ভয়াবহ।
আমরা আধুনিকতার বিরোধিতা করছি না, নিষেধ করছি না কাউকে আধুনিক হতে। অবশ্যই বর্তমান সমাজের প্রেক্ষাপটের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের সমানভাবে এগিয়ে যেতে হবে সমাজ দেশ ও জাতির উন্নয়নের জন্য। আমি নিষেধ করছি সেসব আধুনিকতার নামে নীতি-নৈতিকতার অপব্যবহারকে। যে আচরণ অন্যের কাছে পীড়াদায়ক, তা নিশ্চয় কোনো সভ্য জাতির পরিচয় বহন করে না। আমি নিষেধ করছি সেসব বিবেকবর্জিত ক্রিয়াকলাপকে, যা দেশ জাতির ধ্বংসে একটু একটু করে আগুনে ঘি ঢেলে দেয়ার মতো কাজ করছে। আধুনিক অবশ্যই হবে কিন্তু গুরুদের প্রতি ভক্তি সম্মান প্রদর্শন করে তাদের অপদস্ত করে নয়।
তথ্যপ্রযুক্তি এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কারণে মানুষের যোগাযোগ অবারিত হয়েছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। এই মাধ্যম দূরকে এনে দিয়েছে কাছে, নিকটকে এনেছে আরও নিকটে। প্রতিটি মানুষ এখন বিশ্বগ্রামের বাসিন্দা। সবাই যেন সবাইকে চেনে, জানে। প্রযুক্তির এই অবাধ প্রবাহ, এই কাছে আসা এবং কাছে থাকার অবারিত সুযোগ, মানবসম্পর্কে কী প্রভাব ফেলেছে সেটি এখন মূল্যায়নের সময় এসেছে। বিশেষ করে যে সম্পর্ক হৃদয়গত, সেটির ওপর এর প্রভাব এখন বিচার্য। বিশ্বের বড় বড় গবেষণা প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে এ নিয়ে কাজ শুরু করেছে। গবেষণায় বেরিয়ে আসছে উদ্বেগজনক চিত্র।
গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মানুষ করে তুলেছে অসামাজিক। বস্তুত ভার্চুয়াল যোগাযোগের সুযোগ যত বাড়ছে, মানবসম্পর্ক তত ভঙ্গুর হয়ে যাচ্ছে। কাছে আসার ছলে মানুষ চলে যাচ্ছে দূরে। সম্পর্কজাল যত বিস্তৃত হচ্ছে, সম্পর্কের মূল্য সম্পর্কে মানুষ তত বেশি বেখেয়াল হয়ে যাচ্ছে। এখন সম্পর্ক আলগা, হৃদয়াবেগরহিত।
স্মার্টফোন, ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়া মানুষের বন্ধুর সংখ্যা বৃদ্ধি করলেও প্রকৃতপক্ষে তাকে বন্ধুহীন করে ফেলেছে। শিল্পবিপ্লবের পর মানুষ নিঃসঙ্গ শুরু করে, তথ্যপ্রযুক্তির যুগে এসে সে হয়ে পড়েছে চরম নিঃসঙ্গ। অসংখ্য মানুষের ভিড়ে সে একা। মনোসমীক্ষকদের মতে একজন মানুষের সর্বোচ্চ ১৫ জন ভালো বন্ধু এবং পাঁচ থেকে দশজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু রাখা সম্ভব। কিন্তু এখন সামাজিক যোগাযোগ প্লাটফর্মে মানুষের বন্ধুর সংখ্যা শত। কিন্তু তারা যে কেউ প্রকৃত বন্ধু নয় সেটি কেউ বুঝতে পারছে না। অসংখ্য ভার্চুয়াল বন্ধু রাখতে গিয়ে মানুষ নিকটাত্মীয় এবং খাঁটি বন্ধুদের প্রতি মনোযোগ দিতে পারছে না। ফেক বন্ধুর মোহে হারিয়ে ফেলছে আসল বন্ধুদের। দূরের মানুষকে কাছে টানতে গিয়ে কাছের মানুষদের ঠেলে দিচ্ছে দূরে। তাই স্বভূমেই সে বন্ধু ও স্বজনহীন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ফেরে পড়ে মানুষ সামাজিক যোগাযোগের দক্ষতা পর্যন্ত হারিয়ে ফেলছে।
গবেষণায় দেখা গেছে যে, একজন মানুষ প্রতি আড়াই মিনিটে অন্তত একবার হাতের কাছে থাকা স্মার্টফোন নেড়েচেড়ে দেখে, স্ক্রিন অন করে কোনো কারণ বা প্রয়োজন ছাড়াই।
সময়ের সাথে সাথে জীবন যাত্রার মান,প্রযুক্তিরও উন্নয়ন ঘটছে। আমাদের প্রতিদিনের জীবন যাত্রাকে সহজ থেকে সহজতর কারার জন্য নানান উপাদান চলে আসছে। প্রযুক্তির উন্নয়ন আমাদের জন্যই কিন্তু তার আড়ালে হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের ঐতিহ্য, মানবিকতা, মূল্যবোধ, সম্পর্কের গভীরতা।
আধুনিক প্রযুক্তি পণ্যের ব্যবহারে মানুষের মূল্যবোধেও পরিবর্তন আসছে। মানুষ মানুষের ওপর আস্থা হারাচ্ছে; সততা ও আদর্শের অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। আমরা দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, চরমপন্থা, সহিংসতা এবং অনৈতিকতায় জড়িয়ে পড়ছি। নীতি, নৈতিকতা, মানবতা, সহানুভূতি, সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও দয়ার মতো মানবিক গুণাবলি দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে, যাকে সমাজবিজ্ঞানীরা সামাজিক পুঁজির সংকট বলে বর্ণনা করেছেন। এ সংকট কতদিন চলবে তা এখনই বলা মুশকিল।
স্মার্ট প্রযুক্তির যুগে এসে আমাদের পূর্বেকার সংস্কৃতি বিলুপ্ত হতে বসেছে। এজন্য এখন আর কেউ সিনেমা হলে গিয়ে সিনেমা দেখতে আগ্রহী হয় না। বাঙালির আবহমান সংস্কৃতি যেমন-গান, নাটক ও সিনেমার ফিউশন তৈরি করা হলেও তা আর আগের মতো আবেদন রাখতে পারছে না। আগে যেসব নাটক, গান, যাত্রাপালা ও সিনেমা আমাদের আকৃষ্ট করত, আমাদের মানবিক হওয়ার শিক্ষা দিত, আত্মিক উন্নতি ঘটাত, সেরকম এখন আর আবেদন সৃষ্টি করতে পারছে না। ফলে তরুণ প্রজন্মের অনেকের মধ্যে এক ধরনের আত্মিক ও নৈতিক শূন্যতা বিরাজ করছে। বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর অবস্থাও একই রকম। আর এ আত্মিক ও নৈতিক শূন্যতার জায়গায় স্থান নিচ্ছে ধমীয় গোঁড়ামি ও কুসংস্কার। এ সুযোগে ধর্ম ব্যবসায়ী গোষ্ঠী আমাদের মনোজগতে ঢুকে পড়ছে। উপরন্তু অনুকূল পরিবেশে বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ধর্মীয় গোঁড়ামি ও কুসংস্কার দ্বারা বৃহৎ জনগোষ্ঠীর একটি অংশও যে আচ্ছন্ন হয়, তারও প্রমাণ ইতিহাসে রয়েছে। এভাবেই আমাদের উদার সমাজব্যবস্থা পরিণত হচ্ছে একটি অনুদার ও রক্ষণশীল সমাজে। এ এক ক্রান্তিকাল। কতদিন এ অবস্থা চলবে, সেটা নির্ভর করবে নতুন সংস্কৃতিতে ব্যাপক জনগোষ্ঠীর সম্পৃক্ততার ওপর।
এযুগে গোপনীয়তা রক্ষা করা খুব কঠিন হয়ে পড়ছে। নতুন এ কঠিন পরিস্থিতিতে গোপনীয়তার সংজ্ঞাও বদলে যাবে। আগের মতো অনেক কিছুকে আর গোপনীয় বলে রক্ষা করতে পারব না আমরা। সবকিছুই খোলামেলা হয়ে গেলে মূল্যবোধকেও নতুন করে সংজ্ঞায়িত করার প্রয়োজন পড়বে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কোনো নৈতিকতা দিয়ে চলবে না, চলবে গাণিতিক নিয়মে। মূল্যবোধহীন যান্ত্রিক মেধার অবারিত বিকাশ সামাজিক দায়বদ্ধতার যেটুকু অবশিষ্ট আছে, তার বিলোপ ঘটাতে পারে। ফলে মূল্যবোধের চর্চার পরিবর্তে গুরুত্ব পাবে বাণিজ্য। বাণিজ্যমনস্কতা আগামীতে আরও প্রকট হতে পারে। যন্ত্রের ওপর নির্ভরশীলতার কারণে মূল্যবোধ ও অবক্ষয়ের ব্যবধান কমে যেতে পারে। এমনকি মানবমনের বিবিধ চাহিদাই হয়ে উঠতে পারে মূল্যবোধের নতুন ভিত্তি।
আমাদের দেশেও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারকারী বিশাল এক জনগোষ্ঠীর মানস জগতে ঘটে গেছে ব্যাপক পরিবর্তন। ফলে সমাজে প্রচলিত মূল্যবোধ ও নীতি, নৈতিকতার সঙ্গে এক ধরনের সংঘাত তৈরি হয়েছে। অন্য কথায় বলতে গেলে, বস্তুগত সংস্কৃতি ও অবস্তুগত সংস্কৃতির পার্থক্য থেকে সাংস্কৃতিক ব্যবধান তৈরি হচ্ছে। প্রযুক্তি যেহেতু বস্তুগত সংস্কৃতি, সেই প্রযুক্তির যথার্থ ব্যবহার এখনো আমরা নিশ্চিত করতে পারিনি। কতদিনে এ দুই সংস্কৃতির ব্যবধান দূর হবে তা নির্ভর করছে আমাদের মানস জগতের ইতিবাচক ও প্রগতিমুখী পরিবর্তনের ওপরে। মোট কথা, আমরা একটি ট্রানজিশনাল সময় অতিক্রম করছি। তবে এ কথা সত্য, স্মার্ট প্রযুক্তি আমাদের বৃহত্তর সমাজে প্রচলিত নৈতিকতার মানদণ্ডে ব্যাপক পরিবর্তন নিয়ে আসবে। তবে এ পরিবর্তন কতদিনে সম্পন্ন হবে তা সময়ই বলে দেবে।
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন