https://www.prothomalony.com/

18185

north-america

উত্তর আমেরিকা

বিশ্বজুড়ে ৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ অনুমোদন ডিএফসির

প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৪:৫৫

যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অর্থায়ন করপোরেশনের (ডিএফসি) পরিচালনা পর্ষদ বিশ্বজুড়ে ৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি নতুন বিনিয়োগ অনুমোদন করেছে। এসব বিনিয়োগের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি বাড়ানো, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে মার্কিন প্রযুক্তি ও ব্যবসার সম্প্রসারণে সহায়তা করা।

ডিএফসি জানিয়েছে, নতুন বিনিয়োগের আওতায় ইউক্রেন, জর্ডান, সাব-সাহারান আফ্রিকা ও বিভিন্ন উদীয়মান বাজারে প্রকল্প নেওয়া হবে। পশ্চিম আফ্রিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ প্রকল্পেও সংস্থাটি সহায়তা দিচ্ছে। ডিএফসির ভাষ্য অনুযায়ী, এসব উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও জাতীয় নিরাপত্তা স্বার্থ এগিয়ে নেওয়ার অংশ।

উদীয়মান বাজারে মার্কিন রপ্তানি বাড়াতে ডিএফসি আন্তর্জাতিক অর্থায়ন করপোরেশনের (আইএফসি) গ্লোবাল ট্রেড ফাইন্যান্স প্রোগ্রামে পাল্টা-গ্যারান্টি দেবে। এর মাধ্যমে বিদেশি ব্যাংকগুলোর বাণিজ্য অর্থায়নের সক্ষমতা বাড়ানো এবং বিভিন্ন দেশে মার্কিন পণ্য কেনার সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। ইউক্রেনে ভোডাফোন ইউক্রেনকে অর্থায়নের মাধ্যমে দেশটির টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো শক্তিশালী ও আধুনিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য ৫জি অবকাঠামো সম্প্রসারণে সহায়তা করা হবে।

এ ছাড়া ইউক্রেনের ছয়টি স্থানে মোট ২০০ মেগাওয়াট/৪০০ মেগাওয়াট-ঘণ্টা ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে অর্থায়ন করবে ডিএফসি। ডিটিইকের উদ্যোগে এবং যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ফ্লুয়েন্সের প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা রয়েছে। ডিএফসি জানিয়েছে, এই ব্যবস্থা প্রায় ৬ লাখ বাড়িতে দুই ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহের সমপরিমাণ শক্তি দিতে পারবে। জর্ডানে সমুদ্রের পানি লবণমুক্ত করে ব্যবহারযোগ্য করার একটি বড় প্রকল্পেও অর্থায়ন করবে ডিএফসি। সংস্থাটি ন্যাশনাল ক্যারিয়ার প্রজেক্ট কোম্পানিকে ঋণ দেবে। প্রকল্পের আওতায় একটি সমুদ্রের পানি বিশুদ্ধকরণ প্ল্যান্ট এবং পানি সরবরাহ ব্যবস্থা নির্মাণ, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে।

সাব-সাহারান আফ্রিকায় ডিজিটাল অবকাঠামো সম্প্রসারণে ডিএফসি ডব্লিউআইওসিসি গ্রুপে মালিকানা বিনিয়োগ করবে। প্রতিষ্ঠানটির সাবমেরিন কেবল, ফাইবার নেটওয়ার্ক ও তথ্যকেন্দ্রসহ বিভিন্ন অবকাঠামো আফ্রিকার ৩০টি দেশে বিস্তৃত বলে জানিয়েছে ডিএফসি।

পশ্চিম আফ্রিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ প্রকল্পেও সহায়তা করছে সংস্থাটি। তবে বাণিজ্যিক সংবেদনশীলতার কারণে আরও কয়েকটি বিনিয়োগের তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এসব লেনদেন চূড়ান্ত করার আগে মার্কিন কংগ্রেসকে অবহিত করাসহ আরও কিছু প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হতে পারে বলে জানিয়েছে ডিএফসি।

উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন