https://www.prothomalony.com/
18184
north-america
প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৪:৪৮
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ (পিএ) এবং প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) সদস্যদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের সঙ্গে করা বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি পূরণে পিএ এবং পিএলও আবারও ব্যর্থ হয়েছে—এমন অভিযোগের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, ১৯৮৯ সালের পিএলও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন আইন এবং ২০০২ সালের মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রতিশ্রুতি আইনের আওতায় পিএলও ও পিএর প্রতিশ্রুতি পালনের বিষয়টি পর্যালোচনা করে কংগ্রেসকে অবহিত করা হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অভিযোগ, পিএলও ও পিএ এমন কিছু আন্তর্জাতিক উদ্যোগ নিয়েছে, যা ওয়াশিংটনের ভাষ্য অনুযায়ী জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২৪২ ও ৩৩৮ নম্বর প্রস্তাবের প্রতি তাদের আগের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
এ ছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ও আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেওয়ার চেষ্টা এবং আলোচনার বাইরে গিয়ে একতরফাভাবে ফিলিস্তিনের স্বীকৃতি আদায়ের উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর আরও অভিযোগ করেছে, পিএলও ও পিএ অব্যাহতভাবে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের ভাতা দেওয়া এবং প্রকাশ্য বক্তব্য ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যবইয়ে সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসীদের প্রশংসা করে আসছে। এগুলো মার্কিন সরকারের অভিযোগ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে এবং নিষেধাজ্ঞা বাড়ানোর ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রতিশ্রুতি আইনের ৬০৪(ক)(১) ধারার আওতায় পিএলও সদস্য এবং পিএ কর্মকর্তাদের ভিসা না দেওয়ার নিষেধাজ্ঞা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন।
তবে জাতিসংঘে পিএলওর পর্যবেক্ষক মিশনে দায়িত্ব পালনের জন্য যাদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে আগের মতোই একটি স্থায়ী ছাড় বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের আগে এই ঘোষণা এলো। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগের নিষেধাজ্ঞার ধারাবাহিকতায় ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যানের ব্যবস্থাও বহাল রয়েছে। এর ফলে তিনি সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সরাসরি উপস্থিত হতে পারবেন না।
ফিলিস্তিন জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র নয়; বর্তমানে তাদের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা রয়েছে। গাজা যুদ্ধ, ফিলিস্তিনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের রাজনৈতিক সমাধান নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা চলার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত দুই পক্ষের সম্পর্কের উত্তেজনাকে নতুন করে
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন