https://www.prothomalony.com/
6104
north-america
বাংলাদেশ থেকে গত ২ বছরে প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন লেখাপড়া করতে। পড়তে আসা শিক্ষার্থীদের মাঝে ডিপোর্টেশন আতংক বিরাজ করছে। গত ২ বছরে বাংলাদেশি ১৭ জন শিক্ষার্থীকে ডিপোর্ট করেছে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কেন তারা ডিপোর্ট হচ্ছেন সে ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য কেউ দিতে পারছেন না। শুধু বলা হচ্ছে আই-২০ জটিলতা।
অনেকে দেশে গিয়ে আর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারেন নি। জেএফকে থেকে তাদের ফেরত পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। আর ফেরত পাঠানো অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীদের প্রধান সমস্যা আই-২০ জটিলতা।
বাাংলাদেশ থেকে যেসব শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে আসেন তাদের অধিকাংশই এসেছেন আই-২০ পাবার পরই। যুক্তরাষ্ট্রের সরকার অনুমোদিত কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যখন কোন বিদেশী শিক্ষার্থীদের এই বলে সার্টিফিকেট দেয় যে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ফুলটাইম শিক্ষার্থী হিসেবে ভর্তি হয়েছে এবং তার আর্থিক সামর্থ রয়েছে। এটাকে বলা হয় সার্টিফিকেট অব এলিজিবিলিটি ফর ননইমিগ্রান্ট স্টুডেন্ট স্ট্যাটাস। এই আই-২০ ফরম ডেজিগনেটেড স্কুল অফিসিয়াল (ডিএসও) থেকে শিক্ষার্থীরা পেয়ে থাকেন। আর এটা পাবার পরই তারা সংশ্লিষ্ঠ দেশের আমেরিকান দূতাবাসে ভিসার জন্য ইন্টারভিউ দেবার জন্য আবেদন করেন। স্টুডেন্ট ভিসায় নিজ দেশে যাতায়াতেও কোন সমস্যা নেই। কিন্তু রয়েছে কিছু বিধি নিষেধ। তা সর্তকতার সাথে না জেনে দেশে বা ভিন্ন দেশে গিয়ে অনেকেই ঝামেলায় পড়ছ্নে।
অনেকেই যেমন একটি নিদিষ্ট একটি কলেজের ডিএসও থেকে আই-২০ পাবার পর ভিসা পেয়েছেন। কিন্তু আমেরিকায় এসে কলেজ চেঞ্জ করেছেন, এরমধ্যে ৫ মাসের বেশি সময় ব্রেক অব স্টাডি হয়েছে। যাকে বলা হয়, ‘ ফাইভ মান্থস রুলস’। তখন স্টুডেন্ট ভিসার মেয়াদ থাকলেও আই-২০ বাতিল হয়ে যায়। এমতাবস্থায় অনেকই দেশে গিয়ে আর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারেন নি। আবার নতুন আই-২০ নিয়ে দেশে গিয়ে নতুন করে ভিসার আবেদন করে প্রত্যাখাত হয়েছেন।
সম্প্রতি নিউইয়র্ক ও ফ্লোরিডার আশা কলেজের শিক্ষার্থীরা সমস্যায় পড়েছেন কলেজ দুটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায়। এ দুটি কলেজে প্রায় ৪ হাজার বাংলাদেশি ছাত্রছাত্রী লেখাপড়া করতেন।
বাংলাদেশি স্টুডেন্ট কমিউনিটি গ্রুপে প্রতিদিনই ডিপোর্টের তথ্য দেয়া হচ্ছে। এতে বাংলাদেশি ননইমিগ্রান্ট ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে এক ধরনের আতংক বিরাজ করছে। অনেকেই আতংকগ্রস্থ থাকায় কাগজপত্র বা স্ট্যাটাস থাকলেও বাংলাদেশে সামার ভ্যাকেশন বা পারিবারিক প্রয়োজনে দেশে যেতে চাচ্ছেন না।
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন