https://www.prothomalony.com/
5968
north-america
এই সম্মাননা শুধু আমার একার নয়, এটি লংআইল্যান্ডে বসবাসরত সব বাংলাদেশীদের, সম্মাননা পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় গোলাম ফারুক শাহীন এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন এই সম্মাননা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।
লং আইল্যান্ডের ডিয়ার পার্ক আরভিং এভিনিউতে এক অনুষ্ঠানে তার হাতে ব্যাবিলন টাউন সুপারভাইজার রিচ শেফার্ড এই সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় গোলাম ফারুক শাহীনকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
.jpg)
এর আগে আরভিং এভিনিউতে গোলাম ফারুক শাহীনের তত্ত্বাবধানে স্ট্রিট মেলার আয়োজন করা হয়। মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাবিলন টাউন সুপারভাইজার রিচ শেফার্ড। আর বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন কাউন্সিলম্যান ডুরান গ্রেগরী, কাউন্সিলম্যান টেরেন্টসি ম্যাকসুইনীসহ অন্যরা।
.jpg)
এই নিয়ে দ্বিতীয়বার এই মেলার আয়োজন করেন গোলাম ফারুক শাহীন। উৎসবমুখর পরিবেশে অনেকে অংশ নেন এই মেলায়। লং আইল্যান্ডে দীর্ঘদিন যাবৎ নানা সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে জড়িত রয়েছেন শাহীন। তিনি কোভিড ১৯-এর সময় মানুষের মাঝে মাস্ক, স্যানিটাইজার ও খাবার বিতরন করেন। মৃত মানুষের দাফন-কাফন থেকে শুরু করে অন্যান্য কর্মকান্ডেও জড়িত ছিলেন তিনি। এসব মানবিক ও সামাজিক কাজে তিনি মানুষের প্রশংসা কুড়ান।
এছাড়া লংআইল্যান্ড মসজিদে বাংলাদেশীদের পক্ষথেকে সবচেয়ে বড় ইফতারের আয়োজন করে মূলধারার রাজনীতিবিদদের সম্পৃক্ত করেছিলেন তিনি। এইসব সামাজিক ও মানবিক কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্যাবিলন টাউন কতৃপক্ষ বোর্ড রেজুলেশনের মাধ্যমে সম্মাননা তুলে দেন গোলাম ফারুক শাহীনের হাতে।
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন