https://www.prothomalony.com/

5816

north-america

উত্তর আমেরিকা

জাতিসংঘে মার্কিন দূতকে ১৪ কংগ্রেস সদস্যের চিঠিঃ মোমেন বলেছেন শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশকে বাঁধাগ্রস্থ করার চেষ্টা চলছে

প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৩ ০২:৩৪

জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানিয়েছেন মার্কিন কংগ্রেসের ১৪ সদস্য। একই সঙ্গে তাঁরা জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে বাংলাদেশের সদস্যপদ স্থগিত রাখার আহ্বান জানান। এসব বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে তাঁরা ২৭ জুলাই বৃহস্পতিবার জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত লিন্ডা টমাস-গ্রিনফিল্ডকে চিঠি দিয়েছেন।



বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবুল মোমেন বলেছেন, কিছু লোক সরকারের ক্ষতি করতে দেশ ধ্বংসের তালে মেতে ওঠেছে। বাংলাদেশ থেকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে না নিতে টাকা খরচ করছে। ২৮ জুলাই শুক্রবার সিলেটের এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য বব গুড এক টুইট বার্তায় (বর্তমান এক্স) বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অধিকার রয়েছে। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর বাংলাদেশ সরকারের সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে আমি ও আমার ১৩ সহকর্মী জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছি।’

লিন্ডা টমাস-গ্রিনফিল্ডকে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের সন্ত্রাস, নির্যাতন, এমনকি বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যার অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ জানাতে তাঁরা এ চিঠি লিখেছেন। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, ফ্রিডম হাউস, রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারসসহ অনেক মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য নথিভুক্ত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ভয়ভীতি, হামলা, মিথ্যা মামলায় কারাদণ্ড, নির্যাতন, গুম, এমনকি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড।

এ ছাড়া জাতিসংঘের মানবাধিকার-বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করেছেন, বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ ‘সাংবাদিক ও মানবাধিকার রক্ষাকারীদের বিলম্বিত বিচারের জন্য’ দায়ী। বিশেষ করে দেশটির আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে আছে নির্যাতন, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, যা নিন্দাযোগ্য।

এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন সিলেটে দেয়া বক্তৃতায় আরও বলেছেন, কোন লোক সরকারকে পছন্দ নাও করতে পারে। কিন্তু এর মানে এই না যে, সে দেশের ক্ষতি করবে। অথচ তারা সরকারের ক্ষতি করতে গিয়ে দেশের ক্ষতি করছে। তারা টাকা খরচ করছে আর বলছে শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশ থেকে সেনা নেয়া বন্ধ না হলে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে। তাই দেশের স্বার্থে সকল অপতৎপরতা রুখতে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।

উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন