https://www.prothomalony.com/

5659

north-america

উত্তর আমেরিকা

ইসলাম প্রচার এবং মানবকল্যাণই ছিল আল্লামা তৈয়্যব শাহ (রহ:) এর একমাত্র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৩ ০১:৫০

৩ জুলাই সোমবার সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ নিউইয়র্ক শাখার উদ্যোগে গাউসে জমান, রাহনুমায়ে শরীয়ত ও তরিকত, হাদীয়ে দ্বীন ও মিল্লাত মুর্শিদে বরহক আওলাদে রাসূল (দ:) ও গাউসিয়া কমিটির প্রতিষ্ঠাতা হযরতুলহাজ আল্লামা হাফেজ ক্বারী-সৈয়দ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (রহ:) এর পবিত্র ৩১তম ওরশ শরীফ ও খতমে গাউসিয়া শরীফ চট্টগ্রাম সমিতি ভবনে যথাযোগ্য মর্যাদায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সিঃ সহ সভাপতি আলহাজ্ব মাহাবুবর রহমান। পরিচালনা করেন মহাসচিব মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ মঈনুল হক। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন সহকারী দাওয়াতে খায়র সম্পাদক হাফেজ ইফতেখার হুসাইন, নাতে রাসূল (দ:) পরিবেশন করেন মুহাম্মদ ইশতিয়াক, মাওলানা শফিউল আজম কুরাইশী ও মুহাম্মদ খায়রুল বশর।

হুজুরের জীবন ও কর্মের উপর আলোচনা করেন সহঃ দাওয়াত খায়র সম্পাদক মাওলানা নুরুন্নবী ফারুকী, দাওয়াতে খায়র সম্পাদক মাওলানা শফিউল আজম কুরাইশী, সাধারণ সম্পাক মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ মুঈনুল হক, উপদেষ্ঠা কবির আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মনিরুল হক চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক,  মুহাম্মদ ইউসুফ আলী, অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ আকতার হুসাইন, সহ সাংগঠনিক আকতারুল আজম ও জাফর সাদেক, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসাইন, সহ তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পদক মুহাম্মদ রাসেল সহ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, হযরত তৈয়্যব শাহ (র:) বহুমুখী প্রতিষ্ঠার অধিকারী একাধারে আলেমে দ্বীন, ইসলামী চিন্তাবিদ, সত্যের প্রচারক, দ্বীনের সেবক, দার্শনিক, আদর্শ সংগঠক, সফল সংস্কারক এবং আধ্যাতিক জ্ঞানের প্রজ্বলিত আলোক বর্তিকা এলমে লদুনীর অধিকারী মাদারজাত ওলী এবং সাচ্চা আশেকে রাসূল (দ:) চর্তুদশ শতাব্দীর মুজাদ্দীদ আলা হযরত ইমাম আহমদ রেযাখান বেরলভী (রহ:) এর চিন্তাধারার সার্থক রূপকার। ইসলামের মুলস্রোত ধারা কুরআন, হাদীস, ইজমা, কিয়ামের সমষ্ঠি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের মতাদর্শ ভিত্তিক ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠার একজন  স্বপ্নদ্রষ্টা। পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, জাতীয় আর্ন্তজাতিক পর্যায়ে সুন্নী মতাদর্শের যথার্থ বাস্তবায়ন, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য সাধন মুসলিম মিল্লাতের ঈমান-আকিদা সংরক্ষনই ছিল তার স্বপ্ন। 

এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে তার প্রণীত কর্মসূচী ও গৃহীত পদক্ষেপ সমূহ সুন্নীয়তভিত্তিক র্কাক্রমকে করেছে বেগবান সুন্নীয়তের জমীনকে করেছে উর্বর।তিনি সারা বাংলাদেশে প্রায় দুইশত মাদ্রাসা এবং অসংখ্যা খানকাহ ও এতিম খানা প্রতিষ্ঠা করেছেন। ১৯৭৪ সালে প্রথম তিনি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ:) উপলক্ষে চট্টগ্রাম জশনে জুলুছের প্রবর্তন করেন, যা বাংলােেদশর তথা ইসলামী সংস্কৃতির অংশ হয়ে জাতীয় এবং আর্ন্তজাতিক পরিমন্ডলে বিশ্বের সর্ববৃহৎ জশনে জুলুছ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। ১৯৮৬ সালে মানবতার কল্যাণের জন্য গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেন। যে সংগঠনের মাধ্যমে মুসলিম, হিন্দু, বৈদ্য, খ্রিষ্টান ও অন্যান্য ধর্মের অনুসারীরাও উপকৃত হচ্ছে। বর্তমানে গাউসিয়া কমিটিকে মানবতার ফেরিওয়ালা, বিপদের বন্ধু,অসহায়ের সাথী ও অন্যান্য গুণে গুণানিত্ব হয়ে, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে, যার ফলশ্রুতিতে এই সংগঠন পেয়েছে স্থানীয়, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও পুরস্কার।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত ইউ এস এ এর সম্মানিত মহাসচিব ও গাউসিয়া কিমিটর উপদেষ্ঠা আলহাজ্ব মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন উপদেষ্ঠা ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ হান্নান, দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ নবী, সহ: অর্থ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন টিপু, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, সেয়দ মুসলেহ উদ্দিন আহমদ, সৈয়দ মুহাম্মদ হানিফ, আবুল কালাম।যমুনা টিভির সাংবাদিক আজীম উদ্দীন অভী, মুহাম্মদ সাইফুদ্দীন মজুমদার, কলিম উদ্দিন মুকতার, মুহাম্মদ ইফতেখার সহ অনেকে।

শেষে সভাপতির ভাষণ, মিলাদ-কিয়াম মুনাজাত ও তাবারুক বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন