https://www.prothomalony.com/
5536
north-america
প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৩ ০৮:০৮
বাংলাদেশ নিয়ে ১২ মার্কিন কংগ্রেসম্যানের চিঠি প্রত্যাখ্যান করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিকরা। ৬০৭ জন মার্কিন বাংলাদেশির দাবি, ছয় মার্কিন কংগ্রেসম্যানের চিঠিতে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলের সংখ্যালঘু নির্যাতন, জঙ্গিবাদ ও অপরাধমূলক কোনো তথ্য না থাকায় তা পক্ষপাতদুষ্ট এবং গ্রহণযোগ্য নয়।
গত মে ও জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ১২ কংগ্রেসম্যান সংখ্যালঘু সংখ্যা কমে যাওয়া ও মানবাধিকার লঙ্ঘন , সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ইস্যুতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দেশটির প্রেসিডেন্টের কাছে চিঠি দেন। এর পরই এ নিয়ে শুরু হয় চুলচেরা বিশ্লেষণ। হঠাৎ করে ১২ জন কংগ্রেসম্যানের বাংলাদেশ নিয়ে আগ্রহের কারণ অনেকটা রহস্যময় এবং অগ্রহনযোগ্য বলে তাঁরা চিঠিতে উল্লেখ করেছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাধারণত কোনো বিষয়ে যদি মার্কিন কংগ্রেসম্যানরা নিজেরাই অত্যন্ত উদ্বিগ্ন হন বা তাদের ভোটাররা কোনো বিষয় জানাতে চান, তখন তারা প্রেসিডেন্টকে চিঠি লেখেন। এছাড়া অন্যদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে, যেমন - লবিস্ট ফার্ম বা অন্য কোন বেনিফিটের কারনে চিঠি লেখার বিষয়টি প্রচলিত আছে। সেক্ষেত্রে তা হয়ে থাকে তথ্যবহুল ও যুক্তিসংগত ঘটনার রেফারেন্স সম্বলিত।
এ চিঠিতে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুর সংখ্যা কমে আসার তথ্যকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, অতিরঞ্জন ও একপেশে উল্লেখ করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন দেশটিতে বসবাসকারী মার্কিন বাংলাদেশিরা। তারা বলেছেন, বিভিন্ন মাধ্যম দ্বারা প্রভাবিত হয়ে পরিসংখ্যানবিহীন বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছেন ওই কংগ্রেসম্যানরা।
বাংলাদেশী ইয়ুথ আমেরিকান পক্ষ থেকে এই পিটিশনের উদ্যোগ নিয়েছেন মুল ধারার রাজনিতির সাথে জড়িত সাখাওয়াত আলী এবং তথ্য প্রযুক্তিবিদ জেড এ জয়। কেন এরকম উদ্যোগ নিয়েছেন? প্রশ্নের উত্তরে তারা বলেন আমাদের ভোটে নির্বাচিত সম্মানিত কংগ্রেসম্যানদের কাছে সঠিক ও গুরত্বপুর্ন তথ্য প্রেরনে সাহায্যের জন্যই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তাঁরা বলেছেন, প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্থনি ব্লিঙ্কেনের কাছে কংগ্রেসম্যানদের প্রেরিত বিভ্রান্তিকর চিঠি প্রত্যাহারে সাহায্য করতে পারে।
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন