https://www.prothomalony.com/

18410

north-america

উত্তর আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে ঠিকানা পরিবর্তনের ১০ দিনের সময়সীমা, দেরি হলে নাও মিলতে পারে অভিবাসন নথি

প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ০২:৫৯

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অভিবাসী ও ভিসাধারীদের ঠিকানা পরিবর্তনের পর ১০ দিনের মধ্যে ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেসের (ইউএসসিআইএস) কাছে নতুন ঠিকানা জানানোর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে সংস্থাটি। নির্ধারিত সময়ে ঠিকানা হালনাগাদ না করলে গুরুত্বপূর্ণ অভিবাসন নোটিশ, নথি ও আবেদনসংক্রান্ত চিঠিপত্র না পাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে ঠিকানা পরিবর্তন করা অধিকাংশ বিদেশি নাগরিকের জন্য এ নিয়ম প্রযোজ্য। তবে এ ক্যাটাগরি ও জি ক্যাটাগরির ভিসাধারী এবং ভিসা ওয়েভার কর্মসূচির আওতায় আসা দর্শনার্থীরা এ নিয়মের বাইরে রয়েছেন।

ইউএসসিআইএস জানিয়েছে, শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ডাক বিভাগের (ইউএসপিএস) কাছে ঠিকানা পরিবর্তনের তথ্য দিলেই হবে না। ডাক বিভাগের রেকর্ড হালনাগাদ হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইউএসসিআইএসের নথিতে যুক্ত হয় না। একইভাবে, ইউএসসিআইএস থেকে পাঠানো চিঠিও ডাক বিভাগ নতুন ঠিকানায় পাঠিয়ে দেবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।

এ কারণে সংস্থাটি অনলাইনে ঠিকানা পরিবর্তনের তথ্য জমা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। ইউএসসিআইএসের অনলাইন অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে নতুন ঠিকানা হালনাগাদ করা যায়। আগে ডাকযোগে আবেদন জমা দিয়ে থাকলেও এ সুবিধা ব্যবহার করা সম্ভব। যাদের একাধিক আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, তাদের প্রতিটি আবেদনের রসিদ নম্বর দিয়ে ঠিকানা হালনাগাদ করতে হবে। বিকল্প হিসেবে ডাকযোগে এআর-১১ ফরম জমা দিয়েও ঠিকানা পরিবর্তনের আইনি বাধ্যবাধকতা পূরণ করা যায়।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক, নাগরিকত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে কেউ যদি অন্য কারও আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতার হলফনামা জমা দিয়ে থাকেন, তাহলে ঠিকানা পরিবর্তনের ৩০ দিনের মধ্যে আই-৮৬৫ ফরম জমা দিতে হতে পারে।

ভিএডব্লিউএ, টি ও ইউ ভিসা-সংক্রান্ত আবেদন এবং নির্যাতনের কারণে আই-৭৫১ ফরমের ছাড় চাওয়া আবেদনকারীদের জন্য আলাদা পদ্ধতি রয়েছে। দত্তক গ্রহণ-সংক্রান্ত কিছু আবেদনেও ঠিকানা পরিবর্তনকে গুরুত্বপূর্ণ পারিবারিক পরিবর্তন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আবার কোনো আবেদন অনুমোদনের নোটিশে বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ন্যাশনাল ভিসা সেন্টারে পাঠানোর কথা উল্লেখ থাকলে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীকে ওই দপ্তরকেও জানাতে হতে পারে।

অভিবাসন-সংক্রান্ত আবেদন প্রক্রিয়াধীন থাকুক বা না থাকুক, নিজের পরিস্থিতির সঙ্গে প্রযোজ্য নিয়ম যাচাই করে দ্রুত ঠিকানা হালনাগাদ করা জরুরি। এতে গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ হারানো, আবেদনসংক্রান্ত জটিলতা এবং প্রয়োজনীয় নথি পেতে বিলম্বের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন