https://www.prothomalony.com/
18343
north-america
প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ০২:১১
যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসাগুলোকে আরও কার্যকরভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারে সহায়তা করতে একটি নতুন গবেষণা উদ্যোগের প্রস্তাব দিয়েছেন বাংলাদেশি গবেষক মো. আলী আজম। ব্যবসার পরিচালনাগত মান বৃদ্ধি, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং পরিমাপযোগ্য অর্থনৈতিক সুবিধা পৌঁছে দেওয়াই তার এই গবেষণার প্রধান লক্ষ্য।
মো. আলী আজম বর্তমানে আমেরিকার 'ইউনিভার্সিটি অব দ্য কাম্বারল্যান্ডস'-এ বিজনেস অ্যানালিটিক্স বিষয়ে পিএইচডি (ডক্টরাল) করছেন। তার প্রস্তাবিত এই গবেষণায় বিশেষ করে খুচরা বিক্রয় (রিটেইল) এবং খাদ্য-সেবা (ফুড-সার্ভিস) খাতের ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সাশ্রয়ী প্রেডিক্টিভ অ্যানালিটিক্স টুল, ইনভেন্টরি পরিকল্পনা এবং চাহিদার পূর্বাভাস সংক্রান্ত প্রযুক্তি তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

গবেষক আজমের প্রকাশিত প্রবন্ধগুলোর মধ্যে রয়েছে বিজনেস অ্যানালিটিক্স, ডিজিটাল রূপান্তর, আইটি গভর্নেন্স এবং ব্যাখ্যাযোগ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি একটি বিশেষ ড্যাশবোর্ড তৈরির পরিকল্পনা করছেন, যা ব্যবসার মালিকদের প্রযুক্তিগত সুপারিশগুলো পর্যালোচনা করে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানে ইনভেন্টরির অপচয় কমার পাশাপাশি পরিবর্তনশীল বাজার পরিস্থিতির সাথে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়া সহজ হবে।
উদ্যোগটির অংশ হিসেবে ডেটার মান নিশ্চিতকরণ, মানুষের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান এবং এআই-এর কর্মক্ষমতা পর্যবেক্ষণের জন্য সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা থাকবে। পাশাপাশি এআই পদ্ধতির সুফল ও এর বাস্তবায়ন খরচ সাধারণ পদ্ধতির চেয়ে কতটা সাশ্রয়ী, তাও পরীক্ষা করে দেখা হবে।
এই গবেষণার মূল অবদান কেবল একক কোনো ব্যবসায়ে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং গবেষণাপত্র প্রকাশ, পুনঃব্যবহারযোগ্য ড্যাশবোর্ড টেমপ্লেট এবং সহজে ব্যবহারযোগ্য প্রশিক্ষণ সামগ্রীর মাধ্যমে সামগ্রিক খাতে এটি ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
আগামী পাঁচ থেকে দশ বছরে এমন এক বাস্তবমুখী কৌশল গড়ে তুলতে চান মো. আলী আজম, যা যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষুদ্র উদ্যোগগুলোকে প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহারে উৎসাহিত করবে এবং দেশটির সার্বিক ব্যবসায়িক উৎপাদনশীলতা ও স্থায়িত্ব বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন