https://www.prothomalony.com/
18098
bangladesh
বাংলাদেশের অর্থনীতিকে গতিশীল অর্থনীতিতে রূপ দেওয়ার ইতিহাসে যে মানুষের নাম আলাদা করে উচ্চারণ করতে হয়, তিনি এম সাইফুর রহমান। আজ বাংলাদেশের অর্থনীতি যে মুক্তবাজার, বেসরকারি উদ্যোগ, কর ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, ব্যাংকিং সংস্কার ও বৈদেশিক বাণিজ্যের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত; তার পেছনে যে রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও অর্থনৈতিক চিন্তার ভূমিকা ছিল, এম সাইফুর রহমান ছিলেন তার অন্যতম প্রধান কারিগর। বর্তমান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার একটি লেখায় বলেছিলেন, "বাংলাদেশের গতিশীল অর্থনীতির ভিত্তি স্থাপনে এম সাইফুর রহমানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় তার পদক্ষেপগুলো দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।"
৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬। এম সাইফুর রহমানের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০৯ সালের এই দিনে ঢাকায় ফেরার পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় তার জীবনাবসান ঘটে। তখন তার বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ার পর গুরুতর অবস্থায় তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিক, অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অর্থমন্ত্রীকে এমন আকস্মিকভাবে হারানোর শোক আজও তার স্বজন, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের মনে গভীরভাবে রয়ে গেছে।
কিন্তু এম সাইফুর রহমানকে শুধু একজন রাজনীতিক হিসেবে স্মরণ করলে তার প্রতি সুবিচার হবে না। চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে পেশাজীবন শুরু করা এই মানুষটি মূলত ছিলেন অর্থনীতি নিয়ে গভীরভাবে ভাবা একজন নীতিনির্ধারক। স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয় বেতন কমিশনের সদস্য হন। কাজ শেষ করে তিনি আবার নিজের পেশাগত জগতে ফিরে যেতে চেয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাকে রাজনীতিতে আসার অনুরোধ করেছিলেন, কিন্তু তিনি তখন রাজনীতিতে আসতে আগ্রহী ছিলেন না। পরে সাইফুর রহমান ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমানের সামরিক সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা নিযুক্ত হন। ১৯৭৭ সালে তিনি জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দলে যোগ দেন। এ দলটিই প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭৮ সালে জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) রূপান্তরিত হয়। তিনি ১৯৭৯ সালে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মৌলভীবাজার-৩ সংসদীয় এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৭৯ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় বাণিজ্য ও অর্থমন্ত্রী এবং ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গঠিত সরকারের টেকনোক্র্যাট অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৯৬ সালে এবং পুনরায় ২০০১ সালে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বেগম খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।
সাইফুর রহমানের রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় পরিচয় হয়ে ওঠে অর্থনীতি। তিনি বাণিজ্য, অর্থ ও পরিকল্পনার মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে নির্বাচিত হয়ে তিনি জিয়াউর রহমানের সরকারের মন্ত্রিসভায় বাণিজ্য ও অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। পরে খালেদা জিয়ার সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী হিসেবেও তিনি দেশের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
সংসদে বাজেট উপস্থাপনের ক্ষেত্রেও তাঁর একটি অনন্য রেকর্ড রয়েছে। তিনি মোট ১২টি জাতীয় বাজেট সংসদে পেশ করেছেন; ১৯৮০-৮১ ও ১৯৮১-৮২ অর্থবছরে দুটি, ১৯৯১-৯২ থেকে ১৯৯৫-৯৬ পর্যন্ত পাঁচটি এবং ২০০২-০৩ থেকে ২০০৬-০৭ পর্যন্ত আরও পাঁচটি। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এককভাবে সবচেয়ে বেশি, ১২টি বাজেট পেশ করার রেকর্ডে তিনি এ এম এ মুহিতের সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছেন।
তবে বাজেটের সংখ্যাই সাইফুর রহমানের সবচেয়ে বড় পরিচয় নয়; তার বড় পরিচয় ছিল অর্থনৈতিক সংস্কারের সাহস। ১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট চালুর উদ্যোগ নেন। সে সময় সাধারণ মানুষের কাছে ভ্যাট ছিল প্রায় অপরিচিত একটি বিষয়। ব্যবসায়ী মহল ও রাজনৈতিক অঙ্গনে এর বিরোধিতাও কম হয়নি। কিন্তু তিনি মনে করতেন, আধুনিক রাষ্ট্রের জন্য একটি বিস্তৃত ও কার্যকর রাজস্বব্যবস্থা অপরিহার্য। ১৯৯১ সালের বাজেটে ভ্যাট চালুর ঘোষণা দেওয়া হয় এবং ১ জুলাই থেকে এর কার্যকর প্রয়োগ শুরু হয়।
সময়ের বিচারে সাইফুর রহমানের সেই সিদ্ধান্তের গুরুত্ব আজ আরও স্পষ্ট। ভ্যাট এখন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় রাজস্ব ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কারের ইতিহাসে ১৯৯১ সালের ভ্যাট প্রবর্তন এবং পরবর্তী সময়ে নমনীয় বিনিময় হার চালুর উদ্যোগকে সাইফুর রহমানের নেতৃত্বে নেওয়া দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার ভাষায়, সে সময় এসব সংস্কার নিয়ে সংশয় থাকলেও ফিরে তাকালে মনে হয় সাইফুর রহমান সঠিক পথেই ছিলেন।
ব্যাংকিং খাতেও তিনি সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। ঋণ ব্যবস্থাপনা, ব্যাংকের পরিচালন কাঠামো ও আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফেরানোর বিষয়ে তিনি গুরুত্ব দেন। ব্যাংকিং সংস্কার কমিটি গঠন এবং বেসরকারি ব্যাংকে করপোরেট গভর্ন্যান্স উন্নয়নের সুপারিশ বাস্তবায়নের উদ্যোগ ছিল তার সংস্কারচিন্তার অংশ।
দ্বিতীয় দফায় অর্থমন্ত্রী হয়ে তিনি আরও বড় কিছু পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে যান। মুক্তবাজার অর্থনীতির প্রসার, বাণিজ্য উদারীকরণ, নমনীয় বিনিময় হার, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের সংস্কার—এসব বিষয়ে তার অবস্থান ছিল তুলনামূলকভাবে দৃঢ়। ২০০১ সালের পর তার সময়ে বাংলাদেশে ভাসমান বা নমনীয় বিনিময় হার চালু হয়। লোকসানে থাকা বড় রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান আদমজী জুট মিল বন্ধ করার মতো কঠিন সিদ্ধান্তও তাঁর সময়েই নেওয়া হয়।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সাইফুর রহমানের ভূমিকা ছিল মর্যাদাপূর্ণ। একটি বিষয় এখানে পরিষ্কার করে বলা দরকার; তিনি বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ছিলেন না। তিনি ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের গভর্নর এবং ১৯৯৪ সালে দুই প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান। সেই বছর মাদ্রিদে অনুষ্ঠিত আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ৫০তম বার্ষিক সভায় তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে উদ্বোধনী ও সমাপনী বক্তব্য দেন। অর্থাৎ বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দুই প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন বাংলাদেশের একজন অর্থমন্ত্রী; এটি নিঃসন্দেহে দেশের জন্য গৌরবের বিষয়।
এম সাইফুর রহমানের অর্থনৈতিক দর্শনের সঙ্গে তার জনজীবনের একটি মানবিক দিকও পাশাপাশি ছিল। তিনি আমার এলাকার মানুষ ছিলেন। সংবাদ সংগ্রহের প্রয়োজনে নানা সময়ে তার কাছে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে। দূর থেকে তাকে অনেকের কাছেই রাগী, কঠোর কিংবা গম্ভীর মানুষ মনে হতো। কিন্তু কাছে গেলে দেখা যেত অন্য এক সাইফুর রহমানকে—মিশুক, প্রাণবন্ত এবং আপন করে নেওয়ার মতো একজন মানুষ। কারও সঙ্গে ভাব হয়ে গেলে তিনি প্রাণ খুলে কথা বলতেন।
একদিন তিনি আমাকে বলেছিলেন রাজনগরের পাঁচগাঁওয়ের হাওরের ভেতর দিয়ে তৈরি করা একটি রাস্তার কথা। তার ভাষায়, ছোটবেলায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়ে তিনি ওই অঞ্চলের মানুষের দুর্দশা দেখেছিলেন। সেই স্মৃতি তার মনে গেঁথে ছিল। তাই কেউ এসে তাকে রাস্তার কথা বলে দিতে হয়নি। মানুষের যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত করার প্রয়োজন তিনি নিজেই অনুভব করেছিলেন এবং উদ্যোগ নিয়ে রাস্তা করেছিলেন। তার বিশ্বাস ছিল, ওই এলাকার মানুষ একদিন তার জন্য দোয়া করবে।
এই কথাটিই হয়তো সাইফুর রহমানের উন্নয়নচিন্তার একটি বড় দিক তুলে ধরে। তিনি শুধু বড় বড় অর্থনৈতিক সূচক নিয়ে ভাবতেন না; তার কাছে উন্নয়নের অর্থ ছিল মানুষের জীবনযাত্রার পরিবর্তন। রাস্তা, যোগাযোগ, বাজার, শিক্ষা, কর্মসংস্থান—এসবের সঙ্গে অর্থনীতির সম্পর্ক তিনি বুঝতেন। জাতীয় বাজেটের অঙ্ক তার কাছে শেষ কথা ছিল না; সেই অর্থ মানুষের জীবনে কী পরিবর্তন আনছে, সেটিই ছিল আসল প্রশ্ন।
আরেকদিন তার কাছে নিজের এলাকার নেতাকর্মীদের আবদার নিয়ে আক্ষেপের কথা শুনেছিলাম। তিনি বলেছিলেন, নেতারা তার কাছে এসে নিজেদের বাড়ির রাস্তা, নিজের বাড়িতে যাওয়ার কালভার্ট কিংবা ব্যক্তিগত সুবিধার কথা বলেন; কিন্তু বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর জীবনমান কীভাবে উন্নত হবে, সেই কথা খুব কমই বলেন। এই কারণেই তিনি মাঝেমধ্যে তাদের ধমক দিতেন। তাঁর সেই কঠোরতার পেছনে ছিল একটি বড় দায়িত্ববোধ; তাকে শুধু একটি এলাকার নয়, পুরো দেশের কথা ভাবতে হতো।
মৌলভীবাজার-৩ ও সিলেট সদর আসনের মানুষের কাছেও সাইফুর রহমানের পরিচয় তাই শুধু একজন সাবেক অর্থমন্ত্রী হিসেবে নয়। তিনি ছিলেন তাদের এলাকার উন্নয়ন, যোগাযোগ ও সম্ভাবনার কথা জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরা একজন প্রভাবশালী প্রতিনিধি। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের বড় সময়জুড়ে এই অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে তার একটি নিবিড় সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল।
আজ তার ছেলে এম নাসের রহমান মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য। ২০২৬ সালের নির্বাচনে তিনি এই আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন এবং বর্তমানে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বাবার মতো তিনিও উন্নয়নকে শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের জীবন ও স্থানীয় অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করার কথা বলছেন। শিল্পে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী করার ওপর তাঁর সাম্প্রতিক বক্তব্যে যে গুরুত্ব দেখা যায়, তাতে বাবার অর্থনৈতিক চিন্তার একটি উত্তরাধিকার যেন নতুন প্রজন্মের কাছে ধরা পড়ে।
সাইফুর রহমানের সব সিদ্ধান্ত নিয়ে হয়তো সব মহল একমত ছিল না, তার রাজনৈতিক জীবন নিয়েও বিতর্ক থাকতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশের অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তনে তার অবদান অস্বীকার করার সুযোগ নেই। রাষ্ট্রনির্ভর অর্থনীতি থেকে বাজারমুখী অর্থনীতির দিকে বাংলাদেশের যাত্রায় তিনি ছিলেন অন্যতম পথপ্রদর্শক। ভ্যাট, ব্যাংকিং সংস্কার, বাণিজ্য উদারীকরণ, নমনীয় বিনিময় হার এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আনার নানা উদ্যোগ তাঁর অর্থনৈতিক উত্তরাধিকারের অংশ হয়ে আছে।
১৭ বছর পেরিয়ে গেছে তার চলে যাওয়ার পর। সময় অনেক কিছু বদলে দিয়েছে, বাংলাদেশের অর্থনীতিও অনেক দূর এগিয়েছে। কিন্তু অর্থনীতির প্রতিটি নতুন বাঁকে ফিরে তাকালে দেখা যায়, আগের কোনো এক প্রজন্মের কিছু মানুষ সেই পথের ভিত্তি তৈরি করে দিয়ে গেছেন। এম সাইফুর রহমান তাদেরই একজন। তার কণ্ঠের কঠোরতা, সিদ্ধান্তের দৃঢ়তা, উন্নয়নের স্বপ্ন এবং মানুষের জন্য কিছু করার তাগিদ—সব মিলিয়ে তিনি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসে একটি আলাদা অধ্যায়।
৫ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যুদিনে তাই তাকে শুধু একজন সাবেক অর্থমন্ত্রী হিসেবে নয়, বাংলাদেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করার অন্যতম স্থপতি হিসেবে স্মরণ করি। স্মরণ করি সেই মানুষটিকেও, যিনি বড় অর্থনীতির হিসাবের পাশাপাশি হাওরের মানুষের রাস্তার কথাও মনে রেখেছিলেন। তার কর্ম, চিন্তা ও অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা। এম সাইফুর রহমানের স্মৃতি অম্লান হোক।
লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক ও শিশুসাহিত্যিক।
বাংলাদেশ থেকে আরো পড়ুন