https://www.prothomalony.com/
17631
north-america
প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬ ০৮:৫১
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও ওষুধ প্রযুক্তি খাতের অন্যতম স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক সাময়িকী ফার্মা টেক আউটলুক তাদের ২০২৬ সালের বিশেষ সংখ্যার প্রচ্ছদে স্থান দিয়েছে পেটেন্ট-সুরক্ষিত প্রাকৃতিক স্বাস্থ্যপণ্য REVIVIFY®-কে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটিকে "২০২৬ সালের মানবস্বাস্থ্যে পেটেন্টভিত্তিক উদ্ভাবনী সাফল্যের জন্য শীর্ষ নিউট্রাসিউটিক্যাল কোম্পানি" হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবা, ওষুধ প্রযুক্তি, গবেষণা এবং পুষ্টিভিত্তিক স্বাস্থ্যপণ্য নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উদ্ভাবন তুলে ধরা এই আন্তর্জাতিক সাময়িকীর প্রচ্ছদে স্থান পাওয়াকে সংশ্লিষ্টরা একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন।
REVIVIFY® তৈরি করছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের লং আইল্যান্ডের হোল্টসভিলে অবস্থিত অ্যাডভান্স ফার্মাসিউটিক্যাল ইনকরপোরেটেড। ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে স্বাস্থ্যপণ্য ও ওষুধ গবেষণা, উন্নয়ন এবং উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত।
এই উদ্ভাবনের পেছনে রয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী সহ-সভাপতি এবং বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবক লিয়াকত হোসেন। তাঁর নেতৃত্বেই তৈরি হয়েছে সম্পূর্ণ যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত (মেড ইন ইউএসএ) এই স্বাস্থ্যপণ্য, যা দুটি মার্কিন পেটেন্টের মাধ্যমে সুরক্ষিত। এর মূল প্রযুক্তি গড়ে উঠেছে সুপারঅক্সাইড ডিসমিউটেজ (এসওডি) ও দ্রবণীয় খাদ্যআঁশভিত্তিক একটি স্বতন্ত্র বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবনের ওপর।

গত পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বের অসংখ্য গবেষক এমন একটি কার্যকর মুখে গ্রহণযোগ্য সুপারঅক্সাইড ডিসমিউটেজ (এসওডি) প্রযুক্তি উদ্ভাবনের চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন, যা মানবদেহে কার্যকরভাবে শোষিত হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে এটি বিজ্ঞানীদের জন্য অন্যতম বড় গবেষণা-চ্যালেঞ্জ ছিল।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, সেই দীর্ঘ গবেষণার পথ পেরিয়ে বিজ্ঞানী লিয়াকত হোসেন বিশ্বের প্রথম কার্যকর জৈব-উপলব্ধতাসম্পন্ন বাণিজ্যিক মুখে গ্রহণযোগ্য এসওডি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন। এই প্রযুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের পেটেন্ট আইনের মাধ্যমে সুরক্ষিত এবং এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গবেষণা, মৌখিক এসওডি প্রযুক্তি ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বর্তমানে REVIVIFY® দুটি পণ্যের মাধ্যমে বাজারে রয়েছে— প্রো-ভাইটালিটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট জেল এবং রিভিভিফাই মাল্টি হেলথ পাউডার।
ফার্মা টেক আউটলুকের প্রচ্ছদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, REVIVIFY কোনো নির্দিষ্ট রোগের ওষুধ হিসেবে তৈরি করা হয়নি। বরং শরীরের স্বাভাবিক কোষীয় কার্যক্রম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং অন্ত্রের উপকারী জীবাণুর ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সুস্থ জীবনধারা গড়ে তুলতে এটি ভূমিকা রাখতে পারে।
সাময়িকীতে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে উদ্ভাবক লিয়াকত হোসেন বলেন, "আমাদের লক্ষ্য কোনো রোগকে কেন্দ্র করে পণ্য তৈরি করা নয়। আমরা এমন একটি প্রাকৃতিক সমাধান তৈরি করতে চেয়েছি, যা শরীরের স্বাভাবিক জৈবিক কার্যক্রমকে সমর্থন করে মানুষকে দীর্ঘদিন সুস্থ, কর্মক্ষম ও প্রাণবন্ত থাকতে সহায়তা করবে।"
প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, REVIVIFY-তে রয়েছে সুপারঅক্সাইড ডিসমিউটেজ (এসওডি), প্রিবায়োটিক খাদ্যআঁশ, রেসভেরাট্রল, ডালিম, আকাই বেরি, গোজি বেরি, চেরি, গ্রিন টি নির্যাসসহ বিভিন্ন পলিফেনলসমৃদ্ধ প্রাকৃতিক উপাদান। পণ্যটি ক্যাফেইন, চিনি, কৃত্রিম রং ও স্বাদমুক্ত এবং গ্লুটেনমুক্ত বলে প্রতিষ্ঠানটির দাবি।
প্রচ্ছদ প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, REVIVIFY নিয়ে পরিচালিত একাধিক পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণায় বিপাকীয় স্বাস্থ্য, ক্লান্তি হ্রাস এবং ত্বকের সুস্থতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তবে এসব পর্যবেক্ষণকে আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করতে বৃহৎ পরিসরের নিয়ন্ত্রিত বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।
স্বাস্থ্যখাতের বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি শিল্পভিত্তিক সাময়িকীর প্রচ্ছদে স্থান পাওয়া কেবল একটি বাণিজ্যিক সাফল্য নয়; এটি গবেষণা, উদ্ভাবন, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ এবং মাননিয়ন্ত্রণেরও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
বিশেষ করে একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত উদ্ভাবকের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রে উদ্ভাবিত একটি স্বাস্থ্যপণ্য এমন মর্যাদা অর্জন করায় প্রবাসী বাংলাদেশি সমাজে এটি গর্বের বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। অনেকের মতে, এটি শুধু একজন উদ্ভাবকের সাফল্য নয়, বরং বৈশ্বিক বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্যপ্রযুক্তির অঙ্গনে বাংলাদেশি মেধার সক্ষমতারও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
অ্যাডভান্স ফার্মাসিউটিক্যাল ইনকরপোরেটেড জানিয়েছে, ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে REVIVIFY-এর উদ্ভাবনী স্বাস্থ্যধারণাকে বিশ্বের আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। REVIVIFY® সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুনঃ www.revivifyforlife.com
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও ওষুধ প্রযুক্তি খাতের অন্যতম স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক সাময়িকী ফার্মা টেক আউটলুক তাদের ২০২৬ সালের বিশেষ সংখ্যার প্রচ্ছদে স্থান দিয়েছে পেটেন্ট-সুরক্ষিত প্রাকৃতিক স্বাস্থ্যপণ্য REVIVIFY®-কে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটিকে "২০২৬ সালের মানবস্বাস্থ্যে পেটেন্টভিত্তিক উদ্ভাবনী সাফল্যের জন্য শীর্ষ নিউট্রাসিউটিক্যাল কোম্পানি" হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
স্বাস্থ্যসেবা, ওষুধ প্রযুক্তি, গবেষণা এবং পুষ্টিভিত্তিক স্বাস্থ্যপণ্য নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উদ্ভাবন তুলে ধরা এই আন্তর্জাতিক সাময়িকীর প্রচ্ছদে স্থান পাওয়াকে সংশ্লিষ্টরা একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন।
REVIVIFY® তৈরি করছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের লং আইল্যান্ডের হোল্টসভিলে অবস্থিত অ্যাডভান্স ফার্মাসিউটিক্যাল ইনকরপোরেটেড। ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে স্বাস্থ্যপণ্য ও ওষুধ গবেষণা, উন্নয়ন এবং উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত।
এই উদ্ভাবনের পেছনে রয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী সহ-সভাপতি এবং বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবক লিয়াকত হোসেন। তাঁর নেতৃত্বেই তৈরি হয়েছে সম্পূর্ণ যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত (মেড ইন ইউএসএ) এই স্বাস্থ্যপণ্য, যা দুটি মার্কিন পেটেন্টের মাধ্যমে সুরক্ষিত। এর মূল প্রযুক্তি গড়ে উঠেছে সুপারঅক্সাইড ডিসমিউটেজ (এসওডি) ও দ্রবণীয় খাদ্যআঁশভিত্তিক একটি স্বতন্ত্র বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবনের ওপর।
গত পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বের অসংখ্য গবেষক এমন একটি কার্যকর মুখে গ্রহণযোগ্য সুপারঅক্সাইড ডিসমিউটেজ (এসওডি) প্রযুক্তি উদ্ভাবনের চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন, যা মানবদেহে কার্যকরভাবে শোষিত হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে এটি বিজ্ঞানীদের জন্য অন্যতম বড় গবেষণা-চ্যালেঞ্জ ছিল।
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, সেই দীর্ঘ গবেষণার পথ পেরিয়ে বিজ্ঞানী লিয়াকত হোসেন বিশ্বের প্রথম কার্যকর জৈব-উপলব্ধতাসম্পন্ন বাণিজ্যিক মুখে গ্রহণযোগ্য এসওডি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন। এই প্রযুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের পেটেন্ট আইনের মাধ্যমে সুরক্ষিত এবং এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গবেষণা, মৌখিক এসওডি প্রযুক্তি ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বর্তমানে REVIVIFY® দুটি পণ্যের মাধ্যমে বাজারে রয়েছে— প্রো-ভাইটালিটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট জেল এবং রিভিভিফাই মাল্টি হেলথ পাউডার।
ফার্মা টেক আউটলুকের প্রচ্ছদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, REVIVIFY কোনো নির্দিষ্ট রোগের ওষুধ হিসেবে তৈরি করা হয়নি। বরং শরীরের স্বাভাবিক কোষীয় কার্যক্রম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং অন্ত্রের উপকারী জীবাণুর ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সুস্থ জীবনধারা গড়ে তুলতে এটি ভূমিকা রাখতে পারে।
সাময়িকীতে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে উদ্ভাবক লিয়াকত হোসেন বলেন, "আমাদের লক্ষ্য কোনো রোগকে কেন্দ্র করে পণ্য তৈরি করা নয়। আমরা এমন একটি প্রাকৃতিক সমাধান তৈরি করতে চেয়েছি, যা শরীরের স্বাভাবিক জৈবিক কার্যক্রমকে সমর্থন করে মানুষকে দীর্ঘদিন সুস্থ, কর্মক্ষম ও প্রাণবন্ত থাকতে সহায়তা করবে।"
প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, REVIVIFY-তে রয়েছে সুপারঅক্সাইড ডিসমিউটেজ (এসওডি), প্রিবায়োটিক খাদ্যআঁশ, রেসভেরাট্রল, ডালিম, আকাই বেরি, গোজি বেরি, চেরি, গ্রিন টি নির্যাসসহ বিভিন্ন পলিফেনলসমৃদ্ধ প্রাকৃতিক উপাদান। পণ্যটি ক্যাফেইন, চিনি, কৃত্রিম রং ও স্বাদমুক্ত এবং গ্লুটেনমুক্ত বলে প্রতিষ্ঠানটির দাবি।
প্রচ্ছদ প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, REVIVIFY নিয়ে পরিচালিত একাধিক পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণায় বিপাকীয় স্বাস্থ্য, ক্লান্তি হ্রাস এবং ত্বকের সুস্থতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তবে এসব পর্যবেক্ষণকে আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করতে বৃহৎ পরিসরের নিয়ন্ত্রিত বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।
স্বাস্থ্যখাতের বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি শিল্পভিত্তিক সাময়িকীর প্রচ্ছদে স্থান পাওয়া কেবল একটি বাণিজ্যিক সাফল্য নয়; এটি গবেষণা, উদ্ভাবন, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ এবং মাননিয়ন্ত্রণেরও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
বিশেষ করে একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত উদ্ভাবকের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রে উদ্ভাবিত একটি স্বাস্থ্যপণ্য এমন মর্যাদা অর্জন করায় প্রবাসী বাংলাদেশি সমাজে এটি গর্বের বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। অনেকের মতে, এটি শুধু একজন উদ্ভাবকের সাফল্য নয়, বরং বৈশ্বিক বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্যপ্রযুক্তির অঙ্গনে বাংলাদেশি মেধার সক্ষমতারও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
অ্যাডভান্স ফার্মাসিউটিক্যাল ইনকরপোরেটেড জানিয়েছে, ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে REVIVIFY-এর উদ্ভাবনী স্বাস্থ্যধারণাকে বিশ্বের আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। REVIVIFY® সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুনঃ www.revivifyforlife.com
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন