https://www.prothomalony.com/

17265

north-america

উত্তর আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড নীতি ঘিরে ইউ-টার্ন, বেশিরভাগ আবেদনকারীকে দেশ ছাড়তে হবে না

প্রকাশ: ৩১ মে ২০২৬ ০৭:২০

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছে দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস)। সাম্প্রতিক ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, অধিকাংশ অভিবাসীকে গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়ার সময় যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে না।

ডিএইচএস জানিয়েছে, স্থায়ী বসবাসের অনুমতির (পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি) আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে কোনো বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তন হয়নি। বরং আগের মতোই অভিবাসন কর্মকর্তারা প্রতিটি আবেদন পৃথকভাবে বিবেচনা করবেন এবং প্রয়োজন হলে সিদ্ধান্ত নেবেন আবেদনকারীকে দেশে থেকেই প্রক্রিয়া চালাতে দেওয়া হবে কি না।

এর আগে ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস’র (ইউএসসিআইএস) একটি ঘোষণায় ধারণা তৈরি হয়েছিল, অধিকাংশ আবেদনকারীকে নিজ দেশে ফিরে গিয়ে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষা করতে হতে পারে। এতে অভিবাসী মহলে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।

তবে নতুন ব্যাখ্যায় ডিএইচএস বলেছে, এটি কোনো সার্বিক নীতি পরিবর্তন নয়, বরং কর্মকর্তাদের বিদ্যমান ক্ষমতা সম্পর্কে একটি স্মারক বা ব্যাখ্যা মাত্র।

ডিএইচএসের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে—যেমন ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়া বা অন্যান্য অভিবাসন সংক্রান্ত বিষয় আবেদনকারীর বিষয়ে ভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। তবে বেশিরভাগ আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে থেকেই তাদের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

এদিকে অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন ব্যাখ্যা পরিস্থিতি কিছুটা স্পষ্ট করলেও এখনো অনেক প্রশ্ন অমীমাংসিত রয়ে গেছে। বিশেষ করে কোন পরিস্থিতিতে আবেদনকারীকে দেশ ছাড়তে হতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা না থাকায় অনিশ্চয়তা থেকে যাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের দ্বিধাদ্বন্দ্বপূর্ণ নীতি ব্যাখ্যা অভিবাসী ও নিয়োগদাতাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থার ওপর আস্থাও প্রভাবিত করতে পারে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বছরে প্রায় ১৪ লাখ গ্রিন কার্ড প্রদান করা হয়। যার বড় অংশ দেশটির ভেতর থেকেই আবেদন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
 

উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন