https://www.prothomalony.com/
16910
north-america
প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:৪৮
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন, অগ্রাধিকার, সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক একটি গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) আলেকজান্দ্রিয়ার ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ডব্লিউইউএসটি) ক্যাম্পাসে ইউএস-বাংলাদেশ অ্যাডভোকেসি কাউন্সিল (ইউবিএসি) এই সেমিনারের আয়োজন করে।
সংগঠনের চেয়ারম্যান কবি ও লেখক সামছুদ্দীন মাহমুদের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আমীর মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিশাল দক্ষ জনশক্তি এবং বর্তমানে একটি নির্বাচিত স্থিতিশীল সরকার রয়েছে। কিছু অবকাঠামোগত ও নীতিগত চ্যালেঞ্জ থাকলেও বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ এখন একটি আদর্শ গন্তব্য।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সমস্যার আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছিল। প্রকৃত উন্নয়ন বলতে কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়ন ছাড়া খুব কমই উন্নয়নই হয়েছে। এ অবস্থায় কেবল সরকার নয়, একটি সুশীল সমাজ, দক্ষ জনগোষ্ঠী সহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষ একযোগে কাজ করতে হবে।
সেমিনারে ভার্জিনিয়া স্টেট সিনেটর সাদ্দাম আজলান সেলিম বাংলাদেশের বিপুল সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন। এ সময় তিনি আগামী আগস্টে অনুষ্ঠিতব্য প্রাইমারি নির্বাচনে প্রথম বাংলাদেশি প্রার্থী হিসেবে ইউএস কংগ্রেসে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দেন।
টেক্সাস থেকে আগত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই ফেডারেশন অব ইউএসএর সভাপতি রায়হানুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে বিনিয়োগে আগ্রহী। তবে তাদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে হবে এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন করতে হবে।
কপিন স্টেট ইউনিভার্সিটির ন্যানোটেকনোলজি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দীন বাংলাদেশে ন্যানো টেকনোলজির অপার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ড. আহমাদ নেওয়াজ খান সেলাল চিকিৎসা খাতে বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করেন এবং মেধাবী সন্তানদের দেশে ধরে রাখতে বিভিন্ন প্রণোদনা দেওয়ার ওপর জোর দেন।

হাসান চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পরিবহন বিশেষজ্ঞ ড. নজরুল ইসলাম, মেজর (অব.) মনজুরুল হক, ড. আনোয়ার করিম, রফিকুল হক, শামীম সেলিমুদ্দীন, স্যাম রিয়া, মিষ্টি সরকার ও খালেদ সাইফুল্লাহ প্রমুখ।
সেমিনার শেষে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী পান্তা-ইলিশ দিয়ে বৈশাখী উদযাপনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন