https://www.prothomalony.com/
16845
north-america
প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:০৯
যুক্তরাষ্ট্রে ডিপোর্টেশন প্রক্রিয়া বাড়ার আশঙ্কার মধ্যে অনেক অভিবাসী ইমিগ্রেশন কোর্টে হাজিরার নোটিশ পাচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে ভুল ধারণা দূর করে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন অভিবাসন আইনজীবী নরেশ গেহি।
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন পরিস্থিতি নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি বলেন, অনেকেই মনে করেন শুধুমাত্র অ্যাসাইলাম আবেদন খারিজ হলেই ইমিগ্রেশন জজের সামনে হাজির হতে হয়, কিন্তু এই ধারণা সঠিক নয়।
তার মতে, বিভিন্ন ধরনের আবেদন খারিজ হলেও অভিবাসীদের ইমিগ্রেশন কোর্টে ডাকা হতে পারে। ফলে ডিপোর্টেশনের ঝুঁকিও বাড়ছে।
নরেশ গেহি পরামর্শ দিয়ে বলেন, কোনো ইমিগ্রেশন কেস দাখিল করার আগে অবশ্যই অভিজ্ঞ ও দক্ষ আইনজীবীর মাধ্যমে তা যাচাই করা উচিত। তিনি বলেন, অনেকেই অ্যাকাউন্ট্যান্ট বা প্যারালিগালের মাধ্যমে কাগজপত্র জমা দেন, যা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। কারণ, কেস দুর্বল হলে তা খারিজ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং পরে ইমিগ্রেশন জজের সামনে যেতে হয়।
তিনি আরও বলেন, “যদি শুরুতেই বোঝা যায় যে কেসের শক্ত ভিত্তি নেই, তাহলে সেটি দাখিল না করাই ভালো।”
ইমিগ্রেশন কেস খারিজ হলে আদালতে হাজিরা দিতে হয় এবং পর্যাপ্ত ভিত্তি না থাকলে ডিপোর্টেশনের আদেশও আসতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।
এছাড়া তিনি জানান, কেউ ইতিমধ্যে বিভিন্ন ভিত্তিতে যেমন: বিয়ে, নাগরিকত্ব বা গ্রিন কার্ড নবায়নের আবেদন করে থাকলেও অবশ্যই একজন দক্ষ ইমিগ্রেশন আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
আইনজীবী বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে নরেশ গেহি বলেন, “যে কোনো আইনজীবী যদি কেস জেতার গ্যারান্টি দেন, তাহলে তাকে নিয়োগ দেওয়া উচিত নয়।”
তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিচারব্যবস্থায় কোনো আইনজীবী ফলাফল নিশ্চিত করতে পারেন না; চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিচারকের ওপর নির্ভর করে।
তিনি আরও বলেন, একজন ভালো আইনজীবী সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে পারেন, তবে ফল গ্যারান্টি দেওয়া পেশাগতভাবে সম্ভব নয়।
ইমিগ্রেশন কোর্টে হাজিরার প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রথম ধাপে ‘মাস্টার ক্যালেন্ডার হিয়ারিং’ হয়। এই শুনানির আগে আবেদনকারীকে পুরোপুরি প্রস্তুত থাকতে হবে এবং কাগজপত্র নিখুঁত রাখতে হবে।
উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন