https://www.prothomalony.com/

16512

north-america

উত্তর আমেরিকা

টেলিফিল্ম 'ফ্রেমে বাঁধা বন্ধুত্ব'র প্রধান চরিত্রে অভিনয় করলেন রাজু

প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০২৬ ০১:১৪

'ফ্রেমে বাঁধা বন্ধুত্ব' নামের একটি টেলিফিল্মে অভিনয় করেছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এমদাদ এইচ ভূঁইয়া রাজু। তিনি দীর্ঘ দুই দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন কানাডা প্রবাসী ঢাকাই সিনেমার নায়িকা অধরা খান ও বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা মামনুন হাসান ইমন। এ টেলিফিল্মে রাজুকেই মূলত প্রধান চরিত্রের অভিনয়ে দেখা যাবে। এতে রাজু অভিনয় করেছেন রাজু নামেই এবং বন্ধু সোবাহানের চরিত্রটিতে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়ক ইমন (চরিত্রের নাম অর্ণব)।

২০০৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর চাকরি সূত্রে শরীয়তপুরের সোবাহানের সঙ্গে রাজুর পরিচয় হয় এবং এক সময় বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। কিন্তু রাজুর জীবনে যে বন্ধুর ভূমিকা সবচেয়ে বেশি, সেই প্রিয় বন্ধু সোবাহান আত্মহত্যা করে ২০০৭ সালে। সেই বন্ধুর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেই দুই বন্ধুর জীবনের গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে বিশেষ এ টেলিফিল্মটি।

রাজুর গল্পে নাটকটি নির্মাণ করেছেন নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল। বেশ কয়েক মাস আগে যুক্তরাষ্ট্রেই এ নাটকটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। টেলিছবিটি প্রযোজনাও করেছেন এমদাদ এইচ ভূঁইয়া রাজু। আগামী ঈদে রাজুরই টিভি চ্যানেল ‘এনওয়াই সেভেনটি ওয়ান’-এ প্রচার হবে ‘ফ্রেমে বাঁধা বন্ধুত্ব’ নাটকটি।

এতে অভিনয় প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এমদাদ এইচ ভূঁইয়া রাজু বলেন, ‘২০০৬ সালের ২২ আগস্ট আমি যুক্তরাষ্ট্র যাই। সেখানে গিয়ে চাকরি সূত্রে পরিচয় হয় সোবাহানের সঙ্গে। একসময় তার সঙ্গে আমার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সে আমাকে কাজ শেখায় এবং একসময় জানতে পারি স্ত্রীর সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো নয়। প্রায়ই সে আত্মহত্যা করতে চাইত। কিন্তু একসময় সে সত্যি সত্যিই আত্মহত্যা করে, যা আমি মেনে নিতে পারিনি। আমার বন্ধুটি মারা যাওয়ার পর তাকে প্রায়ই স্বপ্নে দেখতাম। কিছুদিন আগে ইমনের সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পর আমার বন্ধুকে নিয়ে গল্প করি। পরবর্তীতে আমার বন্ধুর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেই এ টেলি্ফিল্মটি প্রযোজনা করি। কারণ, আমার আজকের অবস্থানে আসার নেপথ্যে বন্ধু সোবাহানের বড় ভূমিকা রয়েছে।

রাজুর গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া। কিন্তু তার বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা সবকিছু সিলেটে। যুক্তরাষ্ট্রের একজন সফল ব্যবসায়ী তিনি।

উত্তর আমেরিকা থেকে আরো পড়ুন